রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া-গর্জনিয়ার লক্ষাধিক মানুষ পুলিশ বান্ধব বলে মন্তব্য করেন রামু থানার অফিসার ইনচার্জ মো মুনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া। এ কারণে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া এখানে খুন-রাহাজানি নেই বর্তমানে।
এখানকার মানুষ পুলিশের পাশে আছে। তবে রাস্তাঘাট ঠিক না থাকায় অপরাধিরা মাথাচাড়া দিতে চেষ্টা করলেও পুলিশ কঠোর অবস্থানে থাকায় বড় কোন ঘটনা এখানে ঘটছে না।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে জেলার মফস্বলের এই এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির হল রুমে আয়োজিত এ সভায় তিনি আরো বলেন,বর্তমান সরকার জনকল্যাণে কাজ করছে। জনগণের নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলার রক্ষা ও অপরাধিদের বিষয়ে কঠোর অবস্থানে পুলিশ । পুলিশ এই বিষয়সহ নিজেদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে সদা জাগ্রত আছে।
তিনি আরো বলেন, পুলিশে জনবল সংকট থাকার পরেও পুলিশ রাত-দিন কাজ করছেন যথা নিয়মে। সচেতন মহল এগিয়ে এলে পুলিশ আরো দ্রুত ও সফলতার সাথে কাজ করতে পারবে। তাই তিনি উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ এলাকার সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রামু থানার সেকেন্ড অফিসার বিমল কান্তি দে, গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি আনিছুর রহমান, রামুর পুর্বসীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের সভাপতি ও কচ্ছপিয়া কে.জি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক মাঈনুদ্দিন খালেদ, কচ্ছপিয়া বিএনপি সভাপতি ছৈয়দ আলম, গর্জনিয়া বিএনপি সভাপতি আবদুল আলিম, গর্জনিয়ার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মনিরুল আলম, কচ্ছপিয়ার বিএনপি উপদেষ্টা দিদারুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মাইমুনুল হক মামুন, বিএনপি নেতা ও সাংবাদিক জয়নাল আবেদীল টুক্কু, রামু উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম, গর্জনিয়ার চেয়ারম্যান প্রার্থী সাংবাদিক হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী, কচ্ছপিয়া যুবদল নেতা দেলোয়ার হোসেন, কচ্ছপিয়া যুবদল সাধারণ সম্পাদক শামশুল আলম শাহীন, গর্জনিয়া যুবদল সভাপতি দিদারুল আলম, সাধারণ সম্পাদক লুৎফুর রহমান, কচ্ছপিয়া মৎস্যজীবী দল সদস্য সচিব আবু রোবান বাপ্পিসহ অনেকে।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, গর্জনিয়া ফাঁড়ি পুলিশে কর্মরত সিনিয়র এসআই জুয়েল চৌধুরী, এসআই শাহরিয়ার কালাম এ এস আই ইউনুস ও এএস আই টুটুল রুদ্রসহ অন্যান্য সদস্যরা।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 






















