ঢাকা ০১:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়ার আলোচিত হত্যা মামলার প্রধান আসামি সিফাত টেকনাফে গ্রেপ্তার জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সাঈদীকে কু/পি/য়ে/ছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের ভাইপো ২০২১ সালের আইন, ২০২৫ সালের জরিপ: আয়োডিনযুক্ত লবণের মান নিয়ে আমরা কি সঠিক প্রশ্ন করছি? সদর থানার বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার ২৫ জন এডভোকেট হারুন অর রশিদের ২ দফা জানাজা সম্পন্ন : শোকার্ত মানুষের ঢল টেকনাফে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ফুটবলার সৈয়দ করিমের মৃত্যু শাহপরীরদ্বীপে নাফ নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ দুই শিশুর মৃত্যু লোহাগাড়ায় চেকপোস্টে তল্লাশী : মার্কিন পিস্তল-গুলি ও ইয়াবাসহ কক্সবাজারের দুই যুবক গ্রেফতার পেকুয়ায় আবু তাহের হত্যা মামলার প্রধান আসামি সিফাত গ্রেপ্তার ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার, শিগগিরই সিদ্ধান্ত: চিফ হুইপ লঘুচাপের প্রভাবে সারা দেশে বৃষ্টির আভাস মাদক মামলায় ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি কামাল হোসেন গ্রেফতার আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ, দেশে আরও বাড়ল লোডশেডিং পেকুয়ায় দোকানের আড়ালে মাদক বিক্রি, পুলিশের হাতে আটক ২ আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরীর স্মরণে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
মা/দ/ক ও জু/য়া/র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সাঈদীকে কু/পি/য়ে/ছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের ভাইপো

কক্সবাজার জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সজিবুল ইসলাম সাঈদীকে চলন্ত মোটরসাইকেল থামিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে স্থানীয় চেয়ারম্যান মীর কাশেম চৌধুরীর সন্তান ও ভাইপোরা। এমনটা অভিযোগ করেছেন সাঈদীর বড় ভাই মোরশেদ খান।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড় টায় উপজেলার হোয়ানকের কালালিয়া কাটা নামক এলাকার প্রধান সড়কে এই ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সাঈদীকে প্রথমে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে এবং সেখানে অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে প্রেরণ করা হয়েছে।

সাঈদীর ভাই মোরশেদ খান টিটিএনকে বলেন ‘সাঈদীর আমার এক আত্মীয়ের বিয়ের দাওয়াত থেকে ফিরছিলেন। এসময় স্থানীয় চেয়ারম্যান মীর কাশেমের বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেল থামিয়ে চেয়ারম্যানের ভাই ভুট্টোর ছেলে নেহাল ও আরো কয়েকজন সাঈদীকে এলোপাতাড়ি কোপায়। এসময় কিছু দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন মির কাশেম চেয়ারম্যানের ছেলে মিরাজ। তার নির্দেশে সাঈদীকে কোপানো হয়েছে বলে দাবি মোরশেদ খানের।’

সাঈদীর সাথে কোনো বিরোধ ছিলো কিনা জানতে চাইলে মোরশেদ খান বলেন ‘সাঈদী এলাকার তরুণদের সাথে নিয়ে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ করে আসছিল। এ নিয়ে তারা বিভিন্ন সময় মানববন্ধন করেছে এবং জুয়া ও মাদকের আস্তানা প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিকে সাথে নিয়ে গুড়িয়ে দিয়েছে। এ নিয়ে মাদক ও জুয়ার সাথে সম্পৃক্তরা তার উপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। গতরাতেও মাদক ও জুয়ার আখড়ায় কিছু তরুণ হানা দিলে তাদের সাথে সাঈদীও ছিলেন।’

এই বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত নেহাল ও মিরাজের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে স্থানীয় চেয়ারম্যান মিরাজের পিতা ও নেহালের চাচা মির কাশেম চৌধুরী মুঠোফোনে ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন ‘গতরাতে তার ভাইপো নেহালের সাথে সাঈদীর কথা কাটাকাটি হয়। আজ দুপুরে সাঈদীকে নেহাল ও কয়েকজন হামলা করেছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তবে তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তার সন্তান মিরাজ উপস্থিত ছিলেন না।

নেহালের সাথে সাঈদীর কি বিষয়ে কথা কাটাকাটি হয় জানতে চাইলে তিনি জানেন না বলে এড়িয়ে যান।

গোলকিপার সাঈদী তার এলাকায় মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ করে আসছে এই বিষয়টা সত্য কি না জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন। ২০২৪ সালে আগস্টে হোয়ানকের মোহরাকাটা বাজারে সাঈদী ও স্থানীয় তরুণদের আয়োজনে মাদক ও জুয়া বিরোধী মানববন্ধনের প্রতিবেদক উপস্থিত ছিলেন এবং সেখানে মির কাশেম চৌধুরীকেও উপস্থিত দেখেছেন বলে জানালে চেয়ারম্যান মির কাশেম তার স্মরণে নেই বলে এড়িয়ে যান।

হোয়ানকের স্থানীয়রা জানান, সাঈদী তার গ্রামের বিভিন্ন অপকর্ম, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার ছিলেন।

এদিকে কক্সবাজার জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সাঈদীকে হামলায় ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেকে নিন্দা জানিয়ে দোষীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পেকুয়ার আলোচিত হত্যা মামলার প্রধান আসামি সিফাত টেকনাফে গ্রেপ্তার

মা/দ/ক ও জু/য়া/র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সাঈদীকে কু/পি/য়ে/ছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের ভাইপো

আপডেট সময় : ১২:১৩:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজার জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সজিবুল ইসলাম সাঈদীকে চলন্ত মোটরসাইকেল থামিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে স্থানীয় চেয়ারম্যান মীর কাশেম চৌধুরীর সন্তান ও ভাইপোরা। এমনটা অভিযোগ করেছেন সাঈদীর বড় ভাই মোরশেদ খান।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড় টায় উপজেলার হোয়ানকের কালালিয়া কাটা নামক এলাকার প্রধান সড়কে এই ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সাঈদীকে প্রথমে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে এবং সেখানে অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে প্রেরণ করা হয়েছে।

সাঈদীর ভাই মোরশেদ খান টিটিএনকে বলেন ‘সাঈদীর আমার এক আত্মীয়ের বিয়ের দাওয়াত থেকে ফিরছিলেন। এসময় স্থানীয় চেয়ারম্যান মীর কাশেমের বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেল থামিয়ে চেয়ারম্যানের ভাই ভুট্টোর ছেলে নেহাল ও আরো কয়েকজন সাঈদীকে এলোপাতাড়ি কোপায়। এসময় কিছু দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন মির কাশেম চেয়ারম্যানের ছেলে মিরাজ। তার নির্দেশে সাঈদীকে কোপানো হয়েছে বলে দাবি মোরশেদ খানের।’

সাঈদীর সাথে কোনো বিরোধ ছিলো কিনা জানতে চাইলে মোরশেদ খান বলেন ‘সাঈদী এলাকার তরুণদের সাথে নিয়ে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ করে আসছিল। এ নিয়ে তারা বিভিন্ন সময় মানববন্ধন করেছে এবং জুয়া ও মাদকের আস্তানা প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিকে সাথে নিয়ে গুড়িয়ে দিয়েছে। এ নিয়ে মাদক ও জুয়ার সাথে সম্পৃক্তরা তার উপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। গতরাতেও মাদক ও জুয়ার আখড়ায় কিছু তরুণ হানা দিলে তাদের সাথে সাঈদীও ছিলেন।’

এই বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত নেহাল ও মিরাজের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে স্থানীয় চেয়ারম্যান মিরাজের পিতা ও নেহালের চাচা মির কাশেম চৌধুরী মুঠোফোনে ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন ‘গতরাতে তার ভাইপো নেহালের সাথে সাঈদীর কথা কাটাকাটি হয়। আজ দুপুরে সাঈদীকে নেহাল ও কয়েকজন হামলা করেছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তবে তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তার সন্তান মিরাজ উপস্থিত ছিলেন না।

নেহালের সাথে সাঈদীর কি বিষয়ে কথা কাটাকাটি হয় জানতে চাইলে তিনি জানেন না বলে এড়িয়ে যান।

গোলকিপার সাঈদী তার এলাকায় মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ করে আসছে এই বিষয়টা সত্য কি না জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন। ২০২৪ সালে আগস্টে হোয়ানকের মোহরাকাটা বাজারে সাঈদী ও স্থানীয় তরুণদের আয়োজনে মাদক ও জুয়া বিরোধী মানববন্ধনের প্রতিবেদক উপস্থিত ছিলেন এবং সেখানে মির কাশেম চৌধুরীকেও উপস্থিত দেখেছেন বলে জানালে চেয়ারম্যান মির কাশেম তার স্মরণে নেই বলে এড়িয়ে যান।

হোয়ানকের স্থানীয়রা জানান, সাঈদী তার গ্রামের বিভিন্ন অপকর্ম, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার ছিলেন।

এদিকে কক্সবাজার জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সাঈদীকে হামলায় ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেকে নিন্দা জানিয়ে দোষীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।