ঢাকা ১১:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অন্যের দুর্দশার খবর লিখি, আমাদের দুর্দশা লিখবে কে? তাজমিনের মৃত্যু :রাজুর বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ডের নির্দেশ আদালতের রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান চায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি ভূমধ্যসাগরীয় খাবার নিয়ে ওশ্যান প্যারাডাইসে ১০ দিনের ‘মেডিটেরেনিয়ান ফুড ফেস্টিভ্যাল’ ঈদগাঁওয়ে অগ্নিকাণ্ডে ৩ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভস্মীভূত, ক্ষতি অর্ধকোটি টাকা লোহাগাড়ায় ব্যবসায়ীকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ, স্বামীকে অক্ষত ফেরত চেয়ে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার বিশেষ নিরাপত্তা জোরদার করেছে এসআরবি-১৫ টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রামুর সেক্টর কমান্ডার শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার বিশেষ নিরাপত্তা জোরদার করেছে এসআরবি-১৫ লামায় বিদায়ী ইউএনও মঈন উদ্দিনকে প্রেসক্লাবের বিদায় সংবর্ধনা প্রশাসন-গণমাধ্যমের সমন্বয়ে জনসেবা গতিশীল হবে- উখিয়া প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ইউএনওর মতবিনিময় পেকুয়ায় করাতকলে অভিযান, মেশিন ও গাছ জব্দ কয়েক যুগেও লাগেনি উন্নয়নের ছোঁয়া , দুর্ভোগে দুই গ্রামের হাজার মানুষ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম
মা/দ/ক ও জু/য়া/র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সাঈদীকে কু/পি/য়ে/ছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের ভাইপো

কক্সবাজার জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সজিবুল ইসলাম সাঈদীকে চলন্ত মোটরসাইকেল থামিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে স্থানীয় চেয়ারম্যান মীর কাশেম চৌধুরীর সন্তান ও ভাইপোরা। এমনটা অভিযোগ করেছেন সাঈদীর বড় ভাই মোরশেদ খান।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড় টায় উপজেলার হোয়ানকের কালালিয়া কাটা নামক এলাকার প্রধান সড়কে এই ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সাঈদীকে প্রথমে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে এবং সেখানে অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে প্রেরণ করা হয়েছে।

সাঈদীর ভাই মোরশেদ খান টিটিএনকে বলেন ‘সাঈদীর আমার এক আত্মীয়ের বিয়ের দাওয়াত থেকে ফিরছিলেন। এসময় স্থানীয় চেয়ারম্যান মীর কাশেমের বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেল থামিয়ে চেয়ারম্যানের ভাই ভুট্টোর ছেলে নেহাল ও আরো কয়েকজন সাঈদীকে এলোপাতাড়ি কোপায়। এসময় কিছু দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন মির কাশেম চেয়ারম্যানের ছেলে মিরাজ। তার নির্দেশে সাঈদীকে কোপানো হয়েছে বলে দাবি মোরশেদ খানের।’

সাঈদীর সাথে কোনো বিরোধ ছিলো কিনা জানতে চাইলে মোরশেদ খান বলেন ‘সাঈদী এলাকার তরুণদের সাথে নিয়ে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ করে আসছিল। এ নিয়ে তারা বিভিন্ন সময় মানববন্ধন করেছে এবং জুয়া ও মাদকের আস্তানা প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিকে সাথে নিয়ে গুড়িয়ে দিয়েছে। এ নিয়ে মাদক ও জুয়ার সাথে সম্পৃক্তরা তার উপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। গতরাতেও মাদক ও জুয়ার আখড়ায় কিছু তরুণ হানা দিলে তাদের সাথে সাঈদীও ছিলেন।’

এই বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত নেহাল ও মিরাজের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে স্থানীয় চেয়ারম্যান মিরাজের পিতা ও নেহালের চাচা মির কাশেম চৌধুরী মুঠোফোনে ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন ‘গতরাতে তার ভাইপো নেহালের সাথে সাঈদীর কথা কাটাকাটি হয়। আজ দুপুরে সাঈদীকে নেহাল ও কয়েকজন হামলা করেছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তবে তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তার সন্তান মিরাজ উপস্থিত ছিলেন না।

নেহালের সাথে সাঈদীর কি বিষয়ে কথা কাটাকাটি হয় জানতে চাইলে তিনি জানেন না বলে এড়িয়ে যান।

গোলকিপার সাঈদী তার এলাকায় মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ করে আসছে এই বিষয়টা সত্য কি না জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন। ২০২৪ সালে আগস্টে হোয়ানকের মোহরাকাটা বাজারে সাঈদী ও স্থানীয় তরুণদের আয়োজনে মাদক ও জুয়া বিরোধী মানববন্ধনের প্রতিবেদক উপস্থিত ছিলেন এবং সেখানে মির কাশেম চৌধুরীকেও উপস্থিত দেখেছেন বলে জানালে চেয়ারম্যান মির কাশেম তার স্মরণে নেই বলে এড়িয়ে যান।

হোয়ানকের স্থানীয়রা জানান, সাঈদী তার গ্রামের বিভিন্ন অপকর্ম, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার ছিলেন।

এদিকে কক্সবাজার জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সাঈদীকে হামলায় ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেকে নিন্দা জানিয়ে দোষীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

অন্যের দুর্দশার খবর লিখি, আমাদের দুর্দশা লিখবে কে?

মা/দ/ক ও জু/য়া/র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সাঈদীকে কু/পি/য়ে/ছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের ভাইপো

আপডেট সময় : ১২:১৩:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজার জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সজিবুল ইসলাম সাঈদীকে চলন্ত মোটরসাইকেল থামিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে স্থানীয় চেয়ারম্যান মীর কাশেম চৌধুরীর সন্তান ও ভাইপোরা। এমনটা অভিযোগ করেছেন সাঈদীর বড় ভাই মোরশেদ খান।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড় টায় উপজেলার হোয়ানকের কালালিয়া কাটা নামক এলাকার প্রধান সড়কে এই ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সাঈদীকে প্রথমে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে এবং সেখানে অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে প্রেরণ করা হয়েছে।

সাঈদীর ভাই মোরশেদ খান টিটিএনকে বলেন ‘সাঈদীর আমার এক আত্মীয়ের বিয়ের দাওয়াত থেকে ফিরছিলেন। এসময় স্থানীয় চেয়ারম্যান মীর কাশেমের বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেল থামিয়ে চেয়ারম্যানের ভাই ভুট্টোর ছেলে নেহাল ও আরো কয়েকজন সাঈদীকে এলোপাতাড়ি কোপায়। এসময় কিছু দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন মির কাশেম চেয়ারম্যানের ছেলে মিরাজ। তার নির্দেশে সাঈদীকে কোপানো হয়েছে বলে দাবি মোরশেদ খানের।’

সাঈদীর সাথে কোনো বিরোধ ছিলো কিনা জানতে চাইলে মোরশেদ খান বলেন ‘সাঈদী এলাকার তরুণদের সাথে নিয়ে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ করে আসছিল। এ নিয়ে তারা বিভিন্ন সময় মানববন্ধন করেছে এবং জুয়া ও মাদকের আস্তানা প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিকে সাথে নিয়ে গুড়িয়ে দিয়েছে। এ নিয়ে মাদক ও জুয়ার সাথে সম্পৃক্তরা তার উপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। গতরাতেও মাদক ও জুয়ার আখড়ায় কিছু তরুণ হানা দিলে তাদের সাথে সাঈদীও ছিলেন।’

এই বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত নেহাল ও মিরাজের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে স্থানীয় চেয়ারম্যান মিরাজের পিতা ও নেহালের চাচা মির কাশেম চৌধুরী মুঠোফোনে ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন ‘গতরাতে তার ভাইপো নেহালের সাথে সাঈদীর কথা কাটাকাটি হয়। আজ দুপুরে সাঈদীকে নেহাল ও কয়েকজন হামলা করেছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তবে তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তার সন্তান মিরাজ উপস্থিত ছিলেন না।

নেহালের সাথে সাঈদীর কি বিষয়ে কথা কাটাকাটি হয় জানতে চাইলে তিনি জানেন না বলে এড়িয়ে যান।

গোলকিপার সাঈদী তার এলাকায় মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ করে আসছে এই বিষয়টা সত্য কি না জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন। ২০২৪ সালে আগস্টে হোয়ানকের মোহরাকাটা বাজারে সাঈদী ও স্থানীয় তরুণদের আয়োজনে মাদক ও জুয়া বিরোধী মানববন্ধনের প্রতিবেদক উপস্থিত ছিলেন এবং সেখানে মির কাশেম চৌধুরীকেও উপস্থিত দেখেছেন বলে জানালে চেয়ারম্যান মির কাশেম তার স্মরণে নেই বলে এড়িয়ে যান।

হোয়ানকের স্থানীয়রা জানান, সাঈদী তার গ্রামের বিভিন্ন অপকর্ম, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার ছিলেন।

এদিকে কক্সবাজার জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সাঈদীকে হামলায় ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেকে নিন্দা জানিয়ে দোষীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।