রামুর ফতেখাঁরকুলের পশ্চিম মেরংলোয়া এলাকার মুফিজুর রহমান বাবু (২০) নামে এক তরুনকে চট্টগ্রামে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। হত্যার পর আত্মহত্যা সাজিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ তোলে এলাকাবাসী।
সূত্রে জানা যায়, রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানা এলাকার নিজ বোনের বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় বাবুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সেখান থেকে স্বজনেরা স্থানীয় পুলিশকে অবগত না করে মরদেহ রামুতে নিয়ে আসেন।
গ্রামের বাড়িতে মরদেহ আনার পরে তার শরীরে আঘাতের বেশকিছু চিহ্ন দেখে বাবা ও স্বজনদের সন্দেহ হয়,এবং এটি তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়রা রামু থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ জানাজার মাঠে আসেন। ঘটনার বিষয়ে পুরোপুরি অবগত না থাকায় পুলিশ বিষয়টি আমলে না নেয়ায় স্থানীয়দের মাঝে উত্তেজনা তৈরী হয়।
নিহত মুফিজুর রহমান বাবু পশ্চিম মেরংলোয়া এলাকার আবুল কালামের পুত্র।
আবুল কালাম অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলে কেনো গলায় ফাঁস লাগালো? কি কারণে আত্মহত্যা করেছে নাকি অন্য কোনো ঘটনা সেটার তদন্ত দাবি করছি।
এবিষয়ে ঘটনাস্থলে থাকা রামু থানা পুলিশ জানান, আত্মহত্যা কিংবা কোন অস্বাভাবিক মৃত্যুর বিষয়ে তার স্বজনেরা কর্ণফুলী থানা পুলিশকে অবগত করেনি। এছাড়া ঘটনাস্থল চট্টগ্রাম হওয়াতে রামু থানা পুলিশ বিষয়টি নিয়ে পুরোপুরি অবগত না থাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
পুলিশ জানায়, সেই তরুনের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। এরপর মৃত্যুর কারণ উদঘাটন হবে একইসাথে চট্টগ্রামের ঘটনাস্থলে তদন্ত করে ঘটনার আসল রহস্য বের করা হবে।
প্রসঙ্গত, মুফিজুর রহমান বাবু চট্টগ্রামে বোনের বাড়িতে থেকে চাকরি করতেন বলে জানা গেছে।
আনিস নাঈম 



















