ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত নারী এশিয়া কাপ : রাতে মাঠে নামছে বাংলাদেশ রামুতে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত প্রেমিকের বিরুদ্ধে গর্ভপাতের চাপ ও নির্যাতনের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে প্রকাশ্যে বিচার চেয়েছিলো সুমাইয়া কক্সবাজার সমিতি কাতারের অভিষেক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান লোহাগাড়ায় পেয়ারার প্রলোভনে ৫ বছরের কন্যাকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ : ৫৫ বছরের বৃদ্ধ আটক শিক্ষার মানোন্নয়নে গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ গঠনতন্ত্রের বাধ্যবাধকতায় প্রার্থী হতে পারিনি, সহকর্মীদের পাশে থাকবো-উখিয়া প্রেসক্লাবের ৩ বারের সভাপতি সাঈদ মুহাম্মদ আনোয়ার মগনামায় বিএনপির প্রস্তুতি সভায় বাকবিতন্ডা- হট্টগোল বালিয়াড়ীতে সড়ক নির্মানের বাংলাদেশ-জাপান যৌথ উদ্যোগ পুনর্বিবেচনার আহ্বান টিআইবির মোবাইলে পর্ণ ভিডিও পাওয়ায় ১৪ দিনের কারাদন্ড বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পেকুয়ায় যুবদলের প্রস্তুতি সভা কক্সবাজারে পালং সার্ভিসের গাড়ি থেকে ২৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২ সালমান হত্যা মামলা : নিহত রাশেদের ২ ভাইসহ ৮ আসামী সৈকতের বালিয়াড়ি নষ্ট করে সড়ক নির্মাণ, কাজ বন্ধ চায় বিআইপি

সরকারি গণগ্রন্থাগারে প্রথমবারের মতো প্রীতি বিতর্ক প্রতিযোগিতা

কক্সবাজার জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারে প্রথমবারের মতো প্রীতি বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের নির্দেশনায় এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের উদ্যোগে আয়োজিত বিতর্কের বিষয় ছিল ‘পাঠ্যবই নাকি অন্যান্য বই’। এতে পক্ষ দল হিসেবে অংশ নেয় কক্সবাজার সেন্ট্রাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বিপক্ষ দল হিসেবে অংশ নেয় বাহারছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

প্রতিযোগিতায় ক্ষুদে বিতার্কিকরা পাঠ্যবইয়ের গুরুত্ব, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা, জীবন গঠন এবং সিলেবাসের বাইরে অন্যান্য বইয়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে যুক্তি ও পাল্টা যুক্তি উপস্থাপন করেন। বই পড়ার অভ্যাস, জ্ঞানচর্চা এবং ব্যক্তিত্ব বিকাশে পাঠ্যবই ও অন্যান্য বইয়ের ভূমিকা তুলে ধরে উভয় দলই প্রাণবন্ত বিতর্কে অংশ নেয়।

বিচারকদের মূল্যায়নে ১৩৫ নম্বরের মধ্যে ১০৫ নম্বর পেয়ে বিজয়ী হয় কক্সবাজার সেন্ট্রাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হন বাহারছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দলনেতা আহমেদ আল সামির।

আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, পাঠ্যবই ও সিলেবাসবহির্ভূত বইয়ের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি এবং গণগ্রন্থাগারকে জ্ঞানের উন্মুক্ত কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত করাই ছিল এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। তারা আরও বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষ হলেও জীবনভর শেখার অন্যতম মাধ্যম বই, আর গণগ্রন্থাগার সেই জ্ঞানচর্চার গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাছির উদ্দিন। বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. আহসানুল হক, বীচ টিভি কক্সবাজারের সাংবাদিক মীর মো. সোহেল রানা এবং টিটিএনের সাংবাদিক দ্বীপেন দাশ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের লাইব্রেরিয়ান মো. মাসুদ রানা। প্রতিযোগিতায় দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৬ জন শিক্ষার্থীসহ শিক্ষক, অভিভাবক এবং সাধারণ পাঠক উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

সরকারি গণগ্রন্থাগারে প্রথমবারের মতো প্রীতি বিতর্ক প্রতিযোগিতা

আপডেট সময় : ০৪:০১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

কক্সবাজার জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারে প্রথমবারের মতো প্রীতি বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের নির্দেশনায় এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের উদ্যোগে আয়োজিত বিতর্কের বিষয় ছিল ‘পাঠ্যবই নাকি অন্যান্য বই’। এতে পক্ষ দল হিসেবে অংশ নেয় কক্সবাজার সেন্ট্রাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বিপক্ষ দল হিসেবে অংশ নেয় বাহারছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

প্রতিযোগিতায় ক্ষুদে বিতার্কিকরা পাঠ্যবইয়ের গুরুত্ব, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা, জীবন গঠন এবং সিলেবাসের বাইরে অন্যান্য বইয়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে যুক্তি ও পাল্টা যুক্তি উপস্থাপন করেন। বই পড়ার অভ্যাস, জ্ঞানচর্চা এবং ব্যক্তিত্ব বিকাশে পাঠ্যবই ও অন্যান্য বইয়ের ভূমিকা তুলে ধরে উভয় দলই প্রাণবন্ত বিতর্কে অংশ নেয়।

বিচারকদের মূল্যায়নে ১৩৫ নম্বরের মধ্যে ১০৫ নম্বর পেয়ে বিজয়ী হয় কক্সবাজার সেন্ট্রাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হন বাহারছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দলনেতা আহমেদ আল সামির।

আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, পাঠ্যবই ও সিলেবাসবহির্ভূত বইয়ের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি এবং গণগ্রন্থাগারকে জ্ঞানের উন্মুক্ত কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত করাই ছিল এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। তারা আরও বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষ হলেও জীবনভর শেখার অন্যতম মাধ্যম বই, আর গণগ্রন্থাগার সেই জ্ঞানচর্চার গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাছির উদ্দিন। বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. আহসানুল হক, বীচ টিভি কক্সবাজারের সাংবাদিক মীর মো. সোহেল রানা এবং টিটিএনের সাংবাদিক দ্বীপেন দাশ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের লাইব্রেরিয়ান মো. মাসুদ রানা। প্রতিযোগিতায় দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৬ জন শিক্ষার্থীসহ শিক্ষক, অভিভাবক এবং সাধারণ পাঠক উপস্থিত ছিলেন।