‘বরিষ ধরা মাঝে শান্তির বারি’ এ প্রতিপাদ্যে সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী, কক্সবাজার জেলা সংসদের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী বর্ষা বন্দনা-১৪৩৩ এর প্রথম দিনের আয়োজন হিসেবে সঙ্গীত ও নৃত্য প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ১০টায় কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরির শহীদ সুভাষ হলে আয়োজিত প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন সংগঠনের সভাপতি খোরশেদ আলম। দিনব্যাপী আয়োজনে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আগত দেড় শতাধিক শিশু-কিশোর ও তরুণ প্রতিযোগী সঙ্গীত ও নৃত্য বিভাগে অংশগ্রহণ করে।
প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন দেশবরেণ্য অভিনয় ও নৃত্যশিল্পী মেহেবুবা মহানূর চাঁদনী, বুলবুল ললিতকলা একাডেমির প্রশিক্ষক ও কোরিওগ্রাফার সোহেল রহমান, সঙ্গীতগুরু বিভাষ সেনগুপ্ত, সঙ্গীত প্রযোজক ও প্রশিক্ষক দ্বীপলাল চক্রবর্তী এবং কক্সবাজার সিটি কলেজের প্রভাষক ও সঙ্গীতশিল্পী ইপ্সিতা চক্রবর্তী।
দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা শেষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাপনী অনুষ্ঠানে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মনির মোবারক-এর সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা খেলাঘরের সভাপতি সুবিমল পাল পান্না। তিনি বলেন, একটি মানবিক, প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক চর্চার কোনো বিকল্প নেই। শিশু-কিশোরদের গান, নৃত্য ও শিল্পচর্চার মধ্য দিয়েই তাদের সৃজনশীলতা, নান্দনিক বোধ, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটে। তাই নতুন প্রজন্মকে সুস্থ সাংস্কৃতিক ধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
বিচারক ও প্রশিক্ষকবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, গান ও নৃত্য শুধু বিনোদনের অনুষঙ্গ নয়, বরং একটি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ বাহক। নিয়মিত সাংস্কৃতিক চর্চা শিশু-কিশোরদের আত্মবিশ্বাসী, সৃজনশীল ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাঁরা সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর এ ধরনের ধারাবাহিক আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং কক্সবাজারে সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
সমাপনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বিচারকদের হাতে কৃতজ্ঞতা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মৌমিতা ভট্টাচার্য ও দেবী ভট্টাচার্য সপ্তমী। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সংগঠনের অর্থ সম্পাদক আয়াত উল্লাহ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহেদ মুবিন, দপ্তর সম্পাদক বাবলু দে এবং সদস্য প্রিয়া ধর, জাওয়াদ বাশার অনন্ত, সুস্মিতা পাল তমা, রনি দাশগুপ্ত, শৈবাল বড়ুয়া ও শেখ ইউনুছ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: 





















