ঢাকা ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাতকানিয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, বাসে আগুন, পুলিশের সাথে সংঘর্ষ বান্দরবানে তাবলিগি মারকাজ মসজিদের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, এমপি কক্সবাজার সদর থানার বিশেষ অভিযান: গ্রেফতার ১৮ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র-বিস্ফোরক মজুদের অভিযোগ, অভিযানের আবেদন কুতুবদিয়ায় অগ্নিকাণ্ড : ক্ষতিগ্রস্ত ৩৬ বসতবাড়ি সী-প্রিন্সেস হোটেলে আ গু ন, অল্পের জন্য ৩’শ পর্যটক পেলেন রক্ষা তিন দিন পর মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত বাহারছড়ার কৃষক রফিক টেকনাফে আগুনে পুড়ল আট কক্ষের ভাড়া বাসা নজরুল বর্ষ জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব ও বাংলাদেশ বেতারে তালিকাভুক্ত হওয়া শিল্পীদের সংবর্ধনা নজরুল বর্ষ জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব ও বাংলাদেশ বেতারে তালিকাভুক্ত হওয়া শিল্পীদের সংবর্ধনা পেকুয়ায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু সম্মান ক্ষুন্ন করতে ও পাওনা টাকা না দিতে অপপ্রচার চালাচ্ছে:ফখরুল ২৬ অক্টোবর থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেস চালু ৩৫ লিটার চোলাই মদসহ আটক,ঈদগাঁও থানার হেফাজত থেকে পালাল কিশোর! উখিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবাসহ যুবদল নেতা গ্রেপ্তার, পালালেন আরও দুজন

ঈদগাঁওয়ে মা-মেয়ে হত্যা মামলায় আবুল কালামের মৃত্যুদণ্ড

  • রাহুল মহাজন:
  • আপডেট সময় : ০৬:১২:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • 590

ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মা ও মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার মামলায় আসামি আবুল কালামকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক আবুল মনসুর চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চরপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির উঠানে রাশেদা বেগম ও তার মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় নিহত রাশেদা বেগমের স্বামী আজিজুল হক বাদী হয়ে আবুল কালাম, আবু তাহের, হামিদা বেগম ও মনোয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর এড. এম কুতুব উদ্দিনের জানান মামলার তদন্ত চলাকালে প্রধান আসামি আবুল কালাম গ্রেপ্তার হন। পরে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলেও বাদীর নারাজির পর আদালতের নির্দেশে পিবিআই অধিকতর তদন্ত করে পুনরায় অভিযোগপত্র দাখিল করে।

বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের ২৩ জন এবং আসামিপক্ষের ২ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ, জব্দ করা আলামত, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও মামলার অন্যান্য নথি পর্যালোচনা করে আদালতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

রায়ে আদালত বলেন, অভিযুক্ত ও নিহতরা পরস্পরের আত্মীয় হলেও নিজ বাড়ির উঠানে মা ও মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ড সমাজে ভীতি ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করে। অপরাধের গুরুত্ব ও ভয়াবহতা বিবেচনায় আদালত আসামি আবুল কালামকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে।

রায় ঘোষণার পর মামলার বাদী ও নিহত রাশেদা বেগমের স্বামী আজিজুল হক সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছরের আইনি লড়াই শেষে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন। দ্রুত রায় কার্যকরের মাধ্যমে স্ত্রী ও মেয়ের হত্যার বিচার সম্পন্ন হবে,এটাই তার প্রত্যাশা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাতকানিয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, বাসে আগুন, পুলিশের সাথে সংঘর্ষ

ঈদগাঁওয়ে মা-মেয়ে হত্যা মামলায় আবুল কালামের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৬:১২:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মা ও মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার মামলায় আসামি আবুল কালামকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক আবুল মনসুর চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চরপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির উঠানে রাশেদা বেগম ও তার মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় নিহত রাশেদা বেগমের স্বামী আজিজুল হক বাদী হয়ে আবুল কালাম, আবু তাহের, হামিদা বেগম ও মনোয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর এড. এম কুতুব উদ্দিনের জানান মামলার তদন্ত চলাকালে প্রধান আসামি আবুল কালাম গ্রেপ্তার হন। পরে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলেও বাদীর নারাজির পর আদালতের নির্দেশে পিবিআই অধিকতর তদন্ত করে পুনরায় অভিযোগপত্র দাখিল করে।

বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের ২৩ জন এবং আসামিপক্ষের ২ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ, জব্দ করা আলামত, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও মামলার অন্যান্য নথি পর্যালোচনা করে আদালতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

রায়ে আদালত বলেন, অভিযুক্ত ও নিহতরা পরস্পরের আত্মীয় হলেও নিজ বাড়ির উঠানে মা ও মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ড সমাজে ভীতি ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করে। অপরাধের গুরুত্ব ও ভয়াবহতা বিবেচনায় আদালত আসামি আবুল কালামকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে।

রায় ঘোষণার পর মামলার বাদী ও নিহত রাশেদা বেগমের স্বামী আজিজুল হক সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছরের আইনি লড়াই শেষে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন। দ্রুত রায় কার্যকরের মাধ্যমে স্ত্রী ও মেয়ের হত্যার বিচার সম্পন্ন হবে,এটাই তার প্রত্যাশা।