ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চকরিয়ায় ঝর্ণার মৃত্যু হলো বন্যার পানিতে সেতু নেই, ঝুঁকিই ভরসা: ঈদগাঁওতে কাঠের সাঁকোয় অর্ধলক্ষাধিক মানুষের চলাচল দেশের সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল বাজার সমিতির অফিসে চাচা-ভাতিজার ৩০ লাখ টাকার ইয়াবাকান্ড! কুতুপালংয়ে চাঞ্চল্য, চুপ প্রশাসন সুগন্ধা সৈকতে মাথা ও পা-বিহীন অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার বিশেষ ব্যবস্থায় সেন্টমার্টিনে নিত্যপণ্য সরবরাহ; বৈরী আবহাওয়ায় টেকনাফে আটকে পড়েছে দ্বীপের বাসিন্দারা কর অঞ্চল কক্সবাজারে ৯৬ নবনিযুক্ত কর্মীর বরণ অনুষ্ঠান ​টেকনাফে যুব প্রতিনিধিত্ব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা সভা রামুর চাঞ্চল্যকর সৈয়দ হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামি আক্তার কামাল সিলেট থেকে গ্রেফতার পাহাড়তলীর মৌলভী পাড়ার মোহাম্মদ আলী হত্যা মামলার প্রধান আসামি রবিউল ফেনীতে গ্রেফতার : দায় স্বীকার ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুতি মহড়া কক্সবাজারে লাগানো হবে ২৮ লক্ষ গাছ পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি, আতঙ্কে উপকূলবাসী জেলায় পাহাড় ধসে ১৯, পাহাড়ী ঢলে ভেসে গিয়ে ৩ জনসহ মোট ২২ জনের মৃত্যু : প্লাবিত নিম্নাঞ্চল পারিবারিক বিরোধে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে আহত চাচার মৃত্যু

সেতু নেই, ঝুঁকিই ভরসা: ঈদগাঁওতে কাঠের সাঁকোয় অর্ধলক্ষাধিক মানুষের চলাচল

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের ফরাজীপাড়া-পূর্ব পোকখালী সংযোগের অস্থায়ী কাঠের সাঁকোর একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এতে যেকোনো সময় সাঁকোটি ভেঙে বা ভেসে যাওয়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা।

প্রায় পাঁচ বছর আগে পাহাড়ি ঢলে এ সংযোগ সেতুর মাঝের অংশ ধসে পড়ে। এরপর নতুন সেতু নির্মাণ না হওয়ায় স্থানীয়দের উদ্যোগে কাঠের সাঁকো নির্মাণ করে চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়। দুই বছর আগে আরেক দফা ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটি আবারও মেরামত করা হয়। বর্তমানে এই সাঁকোই দুই ইউনিয়নের অর্ধলক্ষাধিক মানুষের একমাত্র যোগাযোগের ভরসা।

প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও দিনমজুর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাঁকোটি ব্যবহার করছেন। টানা বর্ষণে ঢলের পানি সাঁকোর গা ছুঁইছুঁই অবস্থায় পৌঁছে যাওয়ায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা কুতুবউদ্দিন চৌধুরী বলেন, সেতুর টেন্ডার হয়েছে বলে বহু আগে শুনলেও এখন পর্যন্ত নির্মাণকাজ শুরু হয়নি। ফলে প্রতি বর্ষায় ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা টি আই বশিরুল ইসলাম বলেন, পাঁচ বছর ধরে মানুষ ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে। পানি আরও বাড়লে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই দ্রুত নতুন সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করা জরুরি।

এদিকে স্থানীয় সংবাদকর্মী শাহিদ মোস্তফা জানান, প্রায় তিন বছর আগে সেতুটির টেন্ডার সম্পন্ন হলেও এখনো নির্মাণকাজ শুরু হয়নি। তিনি দ্রুত সেতু নির্মাণের পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এলাকাবাসীর দাবি, সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে জরুরি ভিত্তিতে নিরাপদ বিকল্প পারাপারের ব্যবস্থা এবং দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা সেতুর নির্মাণকাজ অবিলম্বে শুরু করা হোক।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চকরিয়ায় ঝর্ণার মৃত্যু হলো বন্যার পানিতে

সেতু নেই, ঝুঁকিই ভরসা: ঈদগাঁওতে কাঠের সাঁকোয় অর্ধলক্ষাধিক মানুষের চলাচল

আপডেট সময় : ০২:৫৭:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের ফরাজীপাড়া-পূর্ব পোকখালী সংযোগের অস্থায়ী কাঠের সাঁকোর একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এতে যেকোনো সময় সাঁকোটি ভেঙে বা ভেসে যাওয়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা।

প্রায় পাঁচ বছর আগে পাহাড়ি ঢলে এ সংযোগ সেতুর মাঝের অংশ ধসে পড়ে। এরপর নতুন সেতু নির্মাণ না হওয়ায় স্থানীয়দের উদ্যোগে কাঠের সাঁকো নির্মাণ করে চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়। দুই বছর আগে আরেক দফা ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটি আবারও মেরামত করা হয়। বর্তমানে এই সাঁকোই দুই ইউনিয়নের অর্ধলক্ষাধিক মানুষের একমাত্র যোগাযোগের ভরসা।

প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও দিনমজুর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাঁকোটি ব্যবহার করছেন। টানা বর্ষণে ঢলের পানি সাঁকোর গা ছুঁইছুঁই অবস্থায় পৌঁছে যাওয়ায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা কুতুবউদ্দিন চৌধুরী বলেন, সেতুর টেন্ডার হয়েছে বলে বহু আগে শুনলেও এখন পর্যন্ত নির্মাণকাজ শুরু হয়নি। ফলে প্রতি বর্ষায় ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা টি আই বশিরুল ইসলাম বলেন, পাঁচ বছর ধরে মানুষ ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে। পানি আরও বাড়লে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই দ্রুত নতুন সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করা জরুরি।

এদিকে স্থানীয় সংবাদকর্মী শাহিদ মোস্তফা জানান, প্রায় তিন বছর আগে সেতুটির টেন্ডার সম্পন্ন হলেও এখনো নির্মাণকাজ শুরু হয়নি। তিনি দ্রুত সেতু নির্মাণের পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এলাকাবাসীর দাবি, সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে জরুরি ভিত্তিতে নিরাপদ বিকল্প পারাপারের ব্যবস্থা এবং দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা সেতুর নির্মাণকাজ অবিলম্বে শুরু করা হোক।