ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মিয়ানমারের বিকট শব্দে কেঁপে উঠল টেকনাফের হ্নীলা-হোয়াইক্যং সীমান্ত সমুদ্রভ্রমণ থেকে অ’গ্নি’দ’গ্ধ দুঃস্বপ্ন, ১১ দিন পর দাদার কবরের পাশে মুক্তা মহেশখালীতে অস্ত্রসহ মালেককে আটকের দাবি পুলিশের “আহমদ গিয়াস থেকে যাবে, তাঁর না থাকা জুড়ে” রামুতে ৩ লাখ পিস ইয়াবাসহ নারী গ্রেফতার দেশে ৪ কোটি ১৬ লাখ মানুষ সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে না সাতকানিয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, বাসে আগুন, পুলিশের সাথে সংঘর্ষ বান্দরবানে তাবলিগি মারকাজ মসজিদের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, এমপি কক্সবাজার সদর থানার বিশেষ অভিযান: গ্রেফতার ১৮ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র-বিস্ফোরক মজুদের অভিযোগ, অভিযানের আবেদন কুতুবদিয়ায় অগ্নিকাণ্ড : ক্ষতিগ্রস্ত ৩৬ বসতবাড়ি সী-প্রিন্সেস হোটেলে আ গু ন, অল্পের জন্য ৩’শ পর্যটক পেলেন রক্ষা তিন দিন পর মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত বাহারছড়ার কৃষক রফিক টেকনাফে আগুনে পুড়ল আট কক্ষের ভাড়া বাসা নজরুল বর্ষ জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব ও বাংলাদেশ বেতারে তালিকাভুক্ত হওয়া শিল্পীদের সংবর্ধনা

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো প্রাইভেটকারে ৬ হাজার ইয়াবা, আটক ৩

কক্সবাজারের রামুতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো একটি প্রাইভেটকারে করে ইয়াবা পাচারের সময় তিন সদস্যের একটি চক্রকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৬ হাজার পিস ইয়াবা, একটি প্রাইভেটকার এবং চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রামু উপজেলার রামু রাবার বাগান এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের শালুকিয়া এলাকার সাব্বির হোসেন (৩৬), নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম নাউ এলাকার সিমা ইসলাম (২২) এবং ঢাকার দারুসসালাম থানার দক্ষিণ বিশিল এলাকার উর্মি আক্তার উষা (১৮)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো একটি সাদা রঙের টয়োটা সিএইচআর (CHR) প্রাইভেটকার তল্লাশি করা হয়। এ সময় স্কচটেপ ও টিস্যু পেপার দিয়ে মোড়ানো তিনটি পোটলা থেকে মোট ৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে ইয়াবা বহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়। এছাড়া আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে চারটি স্মার্টফোন, গাড়ির ফিটনেস সনদ এবং ট্যাক্স টোকেনও জব্দ করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সোমেন মন্ডল নিশ্চিত করেছেন, আটক তিনজনের বিরুদ্ধে পরিদর্শক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বাদী হয়ে রামু থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

সোমেন মন্ডলের ভাষ্য, সরকারি প্রতিষ্ঠানের স্টিকার ব্যবহার করে মাদক পাচারের এ কৌশল অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না এবং স্টিকারটি কীভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে, সে বিষয়েও তদন্ত চলছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়ানমারের বিকট শব্দে কেঁপে উঠল টেকনাফের হ্নীলা-হোয়াইক্যং সীমান্ত

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো প্রাইভেটকারে ৬ হাজার ইয়াবা, আটক ৩

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের রামুতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো একটি প্রাইভেটকারে করে ইয়াবা পাচারের সময় তিন সদস্যের একটি চক্রকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৬ হাজার পিস ইয়াবা, একটি প্রাইভেটকার এবং চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রামু উপজেলার রামু রাবার বাগান এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের শালুকিয়া এলাকার সাব্বির হোসেন (৩৬), নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম নাউ এলাকার সিমা ইসলাম (২২) এবং ঢাকার দারুসসালাম থানার দক্ষিণ বিশিল এলাকার উর্মি আক্তার উষা (১৮)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো একটি সাদা রঙের টয়োটা সিএইচআর (CHR) প্রাইভেটকার তল্লাশি করা হয়। এ সময় স্কচটেপ ও টিস্যু পেপার দিয়ে মোড়ানো তিনটি পোটলা থেকে মোট ৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে ইয়াবা বহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়। এছাড়া আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে চারটি স্মার্টফোন, গাড়ির ফিটনেস সনদ এবং ট্যাক্স টোকেনও জব্দ করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সোমেন মন্ডল নিশ্চিত করেছেন, আটক তিনজনের বিরুদ্ধে পরিদর্শক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বাদী হয়ে রামু থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।

সোমেন মন্ডলের ভাষ্য, সরকারি প্রতিষ্ঠানের স্টিকার ব্যবহার করে মাদক পাচারের এ কৌশল অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না এবং স্টিকারটি কীভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে, সে বিষয়েও তদন্ত চলছে।