কক্সবাজারের টেকনাফ, উখিয়া ও চকরিয়ায় পৃথক তিন ঘটনায় একদিনে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন এক কলেজ শিক্ষার্থী, এক রোহিঙ্গা যুবক ও এক কিশোরী।
টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নে চলাচলের পথ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত কলেজ শিক্ষার্থী শফি উল্লাহ (২২) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি হ্নীলা মঈন উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী এবং সাবরাং পুরাতন পাড়া এলাকার হাফেজ মোকতার আহমদের ছেলে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘ আট বছর ধরে চলাচলের পথ নিয়ে বিরোধ চলছিল। শনিবার প্রতিপক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালে শফি উল্লাহ মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে রোববার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ জানিয়েছে, যাতায়াতের পথের বিরোধকে কেন্দ্র করেই এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে উখিয়ার জামতলী ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে আব্দুল হাফেজ (২৫) নামে এক রোহিঙ্গা যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।
নিহতের পরিবার জানায়, গত ২২ জুন রাতে দোকান থেকে ফেরার পথে তিনি নিখোঁজ হন। দীর্ঘদিন খোঁজাখুঁজির পর শনিবার রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এদিকে চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নে সুলতানা (১৫) নামে এক কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার গভীর রাতে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঘরের ভেতর ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে চকরিয়া থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহত কিশোরীর বাবা দাবি করেছেন, এটি আত্মহত্যা নয়; তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, তিনটি ঘটনারই পৃথকভাবে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
শাহেদ হোছাইন মুবিন 

















