ঢাকা ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যেসব আসনে জামায়াতের এমপি, সেখানে সারের কৃত্রিম সংকট: শাহে আলম এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা যখন সময় হবে, প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর হবে: দীনেশ ত্রিবেদী বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, ৩ নম্বর সংকেত রামু সহিংসতার ১৪ বছর: বিচারের দীর্ঘসূত্রতায় বাড়ছে হতাশা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সৎ পিতার ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রাণ হারালো ৬ বছরের পুত্র অক্টোবরে কক্সবাজার আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান – জেলা প্রশাসক কবি অমিত চৌধুরী’র প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন কক্সবাজারে ১২০ কেজি তামার তার ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২১, আটক ২৫ কিশোর গ্যাং সদস্য খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছে- শাহাদাত বার্ষিকীতে সহিদুজ্জামান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গ্রেফতারি পরোয়ানা ভুক্ত ২৬ মামলার আসামি চকরিয়ার নবী হোসেন মহেশখালীতে গ্রেফতার রামু উপজেলা বিআরডিবির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আবুল বশর বাবু  জেদ্দা থেকে মদিনার পথে দুর্ঘটনা, সড়কে নিভে গেল লোহাগাড়ার শওকতের প্রাণ কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল চালু, অক্টোবরে উড়বে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট জেলের ছদ্মবেশে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, ২ লাখ পিস উদ্ধার

জোয়ারের পানিতে স্লুইসগেট ভেঙে তলিয়ে গেছে লবণের মাঠ- হাজারো চাষী ক্ষতিগ্রস্ত

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নে অস্বাভাবিক জোয়ারের তোড়ে একটি স্লুইসগেইট ভেঙে লোনা পানি ঢুকে পড়েছে লবণের মাঠ ও আশপাশের এলাকায়। এতে মুহূর্তের মধ্যে তলিয়ে গেছে শত শত একর জমি। মৌসুমের শেষ সময়ে এমন দুর্যোগে বিপাকে পড়েছেন কয়েক হাজার লবণ চাষি।

রোববার (১৯ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে সোনালী বাজার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ফুট বেড়ে গেলে প্রবল চাপে জরাজীর্ণ স্লুইসগেইটটি ভেঙে যায়। এরপর দ্রুতগতিতে লোনা পানি ঢুকে পড়ে লবণের মাঠে। চাষিরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাঠে স্তূপ করে রাখা শত শত মণ লবণ পানিতে তলিয়ে যায়।এ ঘটনায় অন্তত ৫০০ বড় বিনিয়োগকারীসহ কয়েক হাজার প্রান্তিক চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা বলেন, চড়া সুদে ঋণ নিয়ে তারা লবণ উৎপাদনে নেমেছিলেন। চলতি মৌসুমে বাজারদর ভালো থাকায় ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার আশা ছিল। কিন্তু হঠাৎ এই দুর্যোগে সেই স্বপ্ন ভেঙে গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উত্তোলিত লবণের স্তূপ জোয়ারের পানিতে গলে গেছে। মাঠ প্লাবিত থাকায় নতুন করে উৎপাদন শুরুও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্লুইসগেইটটি জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকলেও সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে এর খেসারত দিতে হচ্ছে চাষিদের।

মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইউনুস চৌধুরী বলেন, “স্লুইসগেইট ভেঙে চাষিদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে পরিস্থিতি মোকাবিলা ও বাঁধ সংস্কারের চেষ্টা চলছে।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

যেসব আসনে জামায়াতের এমপি, সেখানে সারের কৃত্রিম সংকট: শাহে আলম

জোয়ারের পানিতে স্লুইসগেট ভেঙে তলিয়ে গেছে লবণের মাঠ- হাজারো চাষী ক্ষতিগ্রস্ত

আপডেট সময় : ০৮:০৯:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নে অস্বাভাবিক জোয়ারের তোড়ে একটি স্লুইসগেইট ভেঙে লোনা পানি ঢুকে পড়েছে লবণের মাঠ ও আশপাশের এলাকায়। এতে মুহূর্তের মধ্যে তলিয়ে গেছে শত শত একর জমি। মৌসুমের শেষ সময়ে এমন দুর্যোগে বিপাকে পড়েছেন কয়েক হাজার লবণ চাষি।

রোববার (১৯ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে সোনালী বাজার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ফুট বেড়ে গেলে প্রবল চাপে জরাজীর্ণ স্লুইসগেইটটি ভেঙে যায়। এরপর দ্রুতগতিতে লোনা পানি ঢুকে পড়ে লবণের মাঠে। চাষিরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাঠে স্তূপ করে রাখা শত শত মণ লবণ পানিতে তলিয়ে যায়।এ ঘটনায় অন্তত ৫০০ বড় বিনিয়োগকারীসহ কয়েক হাজার প্রান্তিক চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা বলেন, চড়া সুদে ঋণ নিয়ে তারা লবণ উৎপাদনে নেমেছিলেন। চলতি মৌসুমে বাজারদর ভালো থাকায় ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার আশা ছিল। কিন্তু হঠাৎ এই দুর্যোগে সেই স্বপ্ন ভেঙে গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উত্তোলিত লবণের স্তূপ জোয়ারের পানিতে গলে গেছে। মাঠ প্লাবিত থাকায় নতুন করে উৎপাদন শুরুও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্লুইসগেইটটি জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকলেও সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে এর খেসারত দিতে হচ্ছে চাষিদের।

মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইউনুস চৌধুরী বলেন, “স্লুইসগেইট ভেঙে চাষিদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে পরিস্থিতি মোকাবিলা ও বাঁধ সংস্কারের চেষ্টা চলছে।”