ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঘুষ হিসেবে জমি নিয়ে ফাঁসলেন উপ-সচিবসহ ৫ জন সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব করল বিএফআইইউ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্ববাজারে ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ছাড়াল ১০৩ ডলার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে যেকোন অভিযানের জন্য প্রস্তুত পুলিশ উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, দুই সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত উখিয়ার পালংখালী থেকে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার উখিয়ায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অভিযান: ৫ প্রতিষ্ঠানকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা সেন্টমার্টিনে পর্যটক ভ্রমনে বিধিনিষেধ শিথিল হচ্ছে! কলাতলীতে বাতিল প্লটে মার্কেট নির্মাণ, কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য কুতুবদিয়ায় বজ্রপাতে বৃদ্ধের মৃত্যু রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহর ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ টেকনাফে বজ্রপাতে কৃষক আহত সদর থানার অভিযান অব্যাহত: ২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার ১৫ ফিশিং বোটের ইঞ্জিন বিকল, ভাসমান ১৩ জেলে উদ্ধার

ঘুষ হিসেবে জমি নিয়ে ফাঁসলেন উপ-সচিবসহ ৫ জন

 

ঘুষ হিসেবে জমি দাবি ও তা নিজ স্বজনদের নামে রেজিস্ট্রি করে নেওয়ার দায়ে কক্সবাজার সদরের সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বর্তমান উপ-সচিব পঙ্কজ বড়ুয়াসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম জানিয়েছেন।

অনুমোদিত মামলার আসামিরা হলেন– কক্সবাজার সদর উপজেলার সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের উপ-সচিব পঙ্কজ বড়ুয়া, সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সাবেক ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সৈয়দ নূর, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল হোসেনের শ্যালক মফিজুর রহমান, সাবেক ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সৈয়দ নূরের শ্যালক ইফতেখারুল হাসান এবং পঙ্কজ বড়ুয়ার দাদী শাশুড়ি দীপিকা বড়ুয়া।

অভিযোগ সংশ্লিষ্ট অপর ব্যক্তি কক্সবাজার সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সাবেক ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল হোসেন ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করায় তাকে মামলার অভিযোগের দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে জানা যায়, বিজ্ঞ আদালত থেকে ডিক্রি পেয়ে কক্সবাজার মৌজার ৩০ শতক জমির নামজারি খতিয়ান করার জন্য রেকর্ডপত্র জমা দেন সংশ্লিষ্ট জমির মালিক। কিন্তু নামজারি করে দেওয়ার নামে তার কাছে ঘুষ হিসেবে জমি দাবি করা হয়। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে জমি মালিক একটি অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলের ২০১৭ সালের ৩০ এপ্রিল মোট ৯ শতক জমি রেজিস্ট্রি করে দেন।

এর মধ্যে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল হোসেনের পক্ষে তার শ্যালক মফিজুর রহমানের নামে ০৩ শতক, ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সৈয়দ নূরের পক্ষে তার শ্যালক ইফতেখারুল হাসানের নামে ৩ শতক এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) পঙ্কজ বড়ুয়ার পক্ষে তার দাদী শাশুড়ি দীপিকা বড়ুয়ার নামে ৩ শতক জমি রেজিস্ট্রি করা হয়।

অনুসন্ধানে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ১৬১/১৬২/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঘুষ হিসেবে জমি নিয়ে ফাঁসলেন উপ-সচিবসহ ৫ জন

ঘুষ হিসেবে জমি নিয়ে ফাঁসলেন উপ-সচিবসহ ৫ জন

আপডেট সময় : ০৪:১৫:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

ঘুষ হিসেবে জমি দাবি ও তা নিজ স্বজনদের নামে রেজিস্ট্রি করে নেওয়ার দায়ে কক্সবাজার সদরের সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বর্তমান উপ-সচিব পঙ্কজ বড়ুয়াসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম জানিয়েছেন।

অনুমোদিত মামলার আসামিরা হলেন– কক্সবাজার সদর উপজেলার সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের উপ-সচিব পঙ্কজ বড়ুয়া, সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সাবেক ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সৈয়দ নূর, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল হোসেনের শ্যালক মফিজুর রহমান, সাবেক ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সৈয়দ নূরের শ্যালক ইফতেখারুল হাসান এবং পঙ্কজ বড়ুয়ার দাদী শাশুড়ি দীপিকা বড়ুয়া।

অভিযোগ সংশ্লিষ্ট অপর ব্যক্তি কক্সবাজার সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সাবেক ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল হোসেন ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করায় তাকে মামলার অভিযোগের দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে জানা যায়, বিজ্ঞ আদালত থেকে ডিক্রি পেয়ে কক্সবাজার মৌজার ৩০ শতক জমির নামজারি খতিয়ান করার জন্য রেকর্ডপত্র জমা দেন সংশ্লিষ্ট জমির মালিক। কিন্তু নামজারি করে দেওয়ার নামে তার কাছে ঘুষ হিসেবে জমি দাবি করা হয়। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে জমি মালিক একটি অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিলের ২০১৭ সালের ৩০ এপ্রিল মোট ৯ শতক জমি রেজিস্ট্রি করে দেন।

এর মধ্যে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল হোসেনের পক্ষে তার শ্যালক মফিজুর রহমানের নামে ০৩ শতক, ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সৈয়দ নূরের পক্ষে তার শ্যালক ইফতেখারুল হাসানের নামে ৩ শতক এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) পঙ্কজ বড়ুয়ার পক্ষে তার দাদী শাশুড়ি দীপিকা বড়ুয়ার নামে ৩ শতক জমি রেজিস্ট্রি করা হয়।

অনুসন্ধানে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ১৬১/১৬২/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট