ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লামায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবার পেল ঘর নির্মাণ ও গৃহস্থালি সামগ্রী মাদক ও সীমান্ত অপরাধ রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন, কক্সবাজারকে করা হবে আধুনিক পর্যটন নগরী-পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু আজ স্বপ্ন দেখার দিন জাতিসংঘে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে বিরল ইতিহাস গড়লেন প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়ীর ৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকা উধাও , ম্যানেজার নিখোঁজ নাইক্ষ্যংছড়িতে সম্প্রীতি বজায় রাখার আহবান মন্ত্রী সাচিং প্রুর ভদ্রপল্লিতে আর ভদ্রতা নেই কক্সবাজারে ৩ দিনের পর্যটন মেলা শুরু হচ্ছে শুক্রবার : যা যা থাকছে টেকনাফে নারীকে বিবস্ত্র করে মারধর ও চুল কেটে দেয়ার অভিযোগ, আটক ২ কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২৭ নিখোঁজের ১৫ ঘন্টা পর উদ্ধার হওয়া রামুর স্কুল ছাত্র শাহীনের জানাজা সম্পন্ন জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ প্রস্তাবকে স্বাগত জানালো আশ্রিত রোহিঙ্গারা পেকুয়ায় মাছ ব্যবসায়ী- আড়ৎদার দ্বন্দ্ব, মাছ বিক্রি বন্ধ কাউন্সিলর একরাম হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের অভিযোগ গঠনের শুনানি ২৭ সেপ্টেম্বর

আজ স্বপ্ন দেখার দিন

  • টিটিএন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৩:৪২:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 34

স্বপ্ন মানুষকে শুধু ভবিষ্যতের কল্পনায় ডুবিয়ে রাখে না, বরং বাস্তবতার পথেও হাঁটতে শেখায়। প্রত্যেক মানুষই কমবেশি স্বপ্ন দেখে থাকেন। কত রঙ-বেরঙের স্বপ্ন। স্বপ্ন জেগে এবং ঘুমিয়ে উভয় অবস্থাতেই মানুষ দেখতে ভালোবাসেন। আর স্বপ্ন দেখেন বলেই সে স্বপ্নপূরণের ইচ্ছেতে মানুষ বেঁচে থাকেন।

প্রতিটি মানুষ কোনো না কোনোভাবে স্বপ্ন দেখে। সে স্বপ্ন কখনো হয় ব্যক্তিগত, কখনো সামাজিক, আবার কখনো বৈশ্বিক কল্যাণের প্রতিচ্ছবি। স্বপ্ন দেখা ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস।’ বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবসের সূচনা ঘটে ২০১২ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওজিওমা এগুয়াওয়ানওয়ের উদ্যোগে। দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষ যেন নিজের স্বপ্নগুলোর দিকে মনোযোগী হয় এবং সেগুলো পূরণে সচেষ্ট হয়।

মূলত এই দিনটি পালনের উদ্দেশ্য ছিল সেসব মানুষকে অনুপ্রেরণা জোগানো, যারা স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন। আর তাদের স্বপ্নের ফলাফল পৃথিবীর জন্য কল্যাণ বয়ে আনে।

পৃথিবীতে অনেক নতুন শুরু হয়েছে স্বপ্নের মাধ্যমে। বছরের পর বছর ধরে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন উদ্ভাবন একেকজনের স্বপ্নের বাস্তব রূপ। অনেক কবি-সাহিত্যিক তাদের বই বা গান রচনা করেছেন স্বপ্ন থেকেই।

মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র সর্বকালের অন্যতম বিখ্যাত বক্তৃতা দিয়েছিলেন, যেটি তিনি শুরু করেছিলেন ‘আমার একটি স্বপ্ন আছে’ বাক্যটি দিয়ে। তিনি বর্ণবাদের অবসানের স্বপ্ন দেখেছিলেন। এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তিনি কঠোর পরিশ্রম করেছেন, এমনকি তার জীবনও উৎসর্গ করেন।

স্বপ্ন নিয়ে ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের বিখ্যাত একটি উক্তি রয়েছে। তিনি বলেন, ‘স্বপ্ন সেটা নয়, যেটা মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে, স্বপ্ন সেটাই যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না।’

যারা জীবনে কখনো বড় বা সুন্দর স্বপ্ন দেখে না, তারা মানুষকে ভয় দেখায়, নিরুৎসাহিত করে। আপনি যদি সাহসী হন, বিবেকবান হন আর আপনার মনে যদি বড় ও সফল হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় থাকে, আর তা যদি আপনি চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন, তাহলে এমন কোনো অপশক্তি নেই যা আপনাকে থামাতে পারে।

তাই আজ স্বপ্ন দেখার দিনে নিজেকে নিয়ে ভাবুন। নিজের স্বপ্নগুলো নিয়ে চিন্তা করুন এবং সেটি পূরণে কী করবেন সে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করুন। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করুন। আপনি এখন যে অবস্থানে আছেন, কয়েক বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান। সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে কী কী করতে হবে সে উপায় খুঁজে বের করুন আজ। আর এজন্য নিজের স্বপ্নের প্রতি যত্নবান হোন

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

লামায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবার পেল ঘর নির্মাণ ও গৃহস্থালি সামগ্রী

আজ স্বপ্ন দেখার দিন

আপডেট সময় : ০৩:৪২:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্বপ্ন মানুষকে শুধু ভবিষ্যতের কল্পনায় ডুবিয়ে রাখে না, বরং বাস্তবতার পথেও হাঁটতে শেখায়। প্রত্যেক মানুষই কমবেশি স্বপ্ন দেখে থাকেন। কত রঙ-বেরঙের স্বপ্ন। স্বপ্ন জেগে এবং ঘুমিয়ে উভয় অবস্থাতেই মানুষ দেখতে ভালোবাসেন। আর স্বপ্ন দেখেন বলেই সে স্বপ্নপূরণের ইচ্ছেতে মানুষ বেঁচে থাকেন।

প্রতিটি মানুষ কোনো না কোনোভাবে স্বপ্ন দেখে। সে স্বপ্ন কখনো হয় ব্যক্তিগত, কখনো সামাজিক, আবার কখনো বৈশ্বিক কল্যাণের প্রতিচ্ছবি। স্বপ্ন দেখা ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস।’ বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবসের সূচনা ঘটে ২০১২ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওজিওমা এগুয়াওয়ানওয়ের উদ্যোগে। দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষ যেন নিজের স্বপ্নগুলোর দিকে মনোযোগী হয় এবং সেগুলো পূরণে সচেষ্ট হয়।

মূলত এই দিনটি পালনের উদ্দেশ্য ছিল সেসব মানুষকে অনুপ্রেরণা জোগানো, যারা স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন। আর তাদের স্বপ্নের ফলাফল পৃথিবীর জন্য কল্যাণ বয়ে আনে।

পৃথিবীতে অনেক নতুন শুরু হয়েছে স্বপ্নের মাধ্যমে। বছরের পর বছর ধরে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন উদ্ভাবন একেকজনের স্বপ্নের বাস্তব রূপ। অনেক কবি-সাহিত্যিক তাদের বই বা গান রচনা করেছেন স্বপ্ন থেকেই।

মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র সর্বকালের অন্যতম বিখ্যাত বক্তৃতা দিয়েছিলেন, যেটি তিনি শুরু করেছিলেন ‘আমার একটি স্বপ্ন আছে’ বাক্যটি দিয়ে। তিনি বর্ণবাদের অবসানের স্বপ্ন দেখেছিলেন। এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তিনি কঠোর পরিশ্রম করেছেন, এমনকি তার জীবনও উৎসর্গ করেন।

স্বপ্ন নিয়ে ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের বিখ্যাত একটি উক্তি রয়েছে। তিনি বলেন, ‘স্বপ্ন সেটা নয়, যেটা মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে, স্বপ্ন সেটাই যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না।’

যারা জীবনে কখনো বড় বা সুন্দর স্বপ্ন দেখে না, তারা মানুষকে ভয় দেখায়, নিরুৎসাহিত করে। আপনি যদি সাহসী হন, বিবেকবান হন আর আপনার মনে যদি বড় ও সফল হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় থাকে, আর তা যদি আপনি চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন, তাহলে এমন কোনো অপশক্তি নেই যা আপনাকে থামাতে পারে।

তাই আজ স্বপ্ন দেখার দিনে নিজেকে নিয়ে ভাবুন। নিজের স্বপ্নগুলো নিয়ে চিন্তা করুন এবং সেটি পূরণে কী করবেন সে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করুন। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করুন। আপনি এখন যে অবস্থানে আছেন, কয়েক বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান। সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে কী কী করতে হবে সে উপায় খুঁজে বের করুন আজ। আর এজন্য নিজের স্বপ্নের প্রতি যত্নবান হোন