ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চৌফলদন্ডি ইউপি নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী ফোরকান মাহমুদ উখিয়ায় পাহাড়ের পাদদেশ থেকে বু/লে/টপ্রুফ ভেস্ট ও অ/স্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার সেনা সদস্য তিতাস শেখ হ/ত্যার বিচারের দাবিতে টেকনাফে বিএনপির মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ ‘অভিযানে যাব, দোয়া কইরো’— মায়ের সঙ্গে সেনা সদস্যের শেষ কথা টানা তিন দফা বৃদ্ধির পর কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ২৭৪১ টাকা লোহাগাড়ায় সার ডিলার নিয়োগে অভিযোগ, জেলা প্রশাসকের তদন্তের নির্দেশ পেকুয়ায় অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের লোহাগাড়ায় ইয়াবা সেবন করে মাকে মারধর, ছেলের এক মাসের কারাদণ্ড প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর আজিজনগরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের বাছাই হাসিনার সম্পত্তি বিক্রির অর্ধেক অর্থ পাবেন অভ্যুত্থানে নিহতদের স্বজনেরা, মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাহাড়সম অদক্ষতা চাপা দেওয়ার জন্য বিরোধীদলের ওপর দায় চাপাচ্ছে সরকার: জামায়াত আমির রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেকনাফে মাছ ধরার নৌকায় বজ্রপাত, জেলের মৃত্যু রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সমর্থন চায় বাংলাদেশ আজ জেলহত্যা দিবস

আজ স্বপ্ন দেখার দিন

  • টিটিএন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৩:৪২:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 132

স্বপ্ন মানুষকে শুধু ভবিষ্যতের কল্পনায় ডুবিয়ে রাখে না, বরং বাস্তবতার পথেও হাঁটতে শেখায়। প্রত্যেক মানুষই কমবেশি স্বপ্ন দেখে থাকেন। কত রঙ-বেরঙের স্বপ্ন। স্বপ্ন জেগে এবং ঘুমিয়ে উভয় অবস্থাতেই মানুষ দেখতে ভালোবাসেন। আর স্বপ্ন দেখেন বলেই সে স্বপ্নপূরণের ইচ্ছেতে মানুষ বেঁচে থাকেন।

প্রতিটি মানুষ কোনো না কোনোভাবে স্বপ্ন দেখে। সে স্বপ্ন কখনো হয় ব্যক্তিগত, কখনো সামাজিক, আবার কখনো বৈশ্বিক কল্যাণের প্রতিচ্ছবি। স্বপ্ন দেখা ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস।’ বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবসের সূচনা ঘটে ২০১২ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওজিওমা এগুয়াওয়ানওয়ের উদ্যোগে। দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষ যেন নিজের স্বপ্নগুলোর দিকে মনোযোগী হয় এবং সেগুলো পূরণে সচেষ্ট হয়।

মূলত এই দিনটি পালনের উদ্দেশ্য ছিল সেসব মানুষকে অনুপ্রেরণা জোগানো, যারা স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন। আর তাদের স্বপ্নের ফলাফল পৃথিবীর জন্য কল্যাণ বয়ে আনে।

পৃথিবীতে অনেক নতুন শুরু হয়েছে স্বপ্নের মাধ্যমে। বছরের পর বছর ধরে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন উদ্ভাবন একেকজনের স্বপ্নের বাস্তব রূপ। অনেক কবি-সাহিত্যিক তাদের বই বা গান রচনা করেছেন স্বপ্ন থেকেই।

মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র সর্বকালের অন্যতম বিখ্যাত বক্তৃতা দিয়েছিলেন, যেটি তিনি শুরু করেছিলেন ‘আমার একটি স্বপ্ন আছে’ বাক্যটি দিয়ে। তিনি বর্ণবাদের অবসানের স্বপ্ন দেখেছিলেন। এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তিনি কঠোর পরিশ্রম করেছেন, এমনকি তার জীবনও উৎসর্গ করেন।

স্বপ্ন নিয়ে ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের বিখ্যাত একটি উক্তি রয়েছে। তিনি বলেন, ‘স্বপ্ন সেটা নয়, যেটা মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে, স্বপ্ন সেটাই যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না।’

যারা জীবনে কখনো বড় বা সুন্দর স্বপ্ন দেখে না, তারা মানুষকে ভয় দেখায়, নিরুৎসাহিত করে। আপনি যদি সাহসী হন, বিবেকবান হন আর আপনার মনে যদি বড় ও সফল হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় থাকে, আর তা যদি আপনি চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন, তাহলে এমন কোনো অপশক্তি নেই যা আপনাকে থামাতে পারে।

তাই আজ স্বপ্ন দেখার দিনে নিজেকে নিয়ে ভাবুন। নিজের স্বপ্নগুলো নিয়ে চিন্তা করুন এবং সেটি পূরণে কী করবেন সে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করুন। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করুন। আপনি এখন যে অবস্থানে আছেন, কয়েক বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান। সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে কী কী করতে হবে সে উপায় খুঁজে বের করুন আজ। আর এজন্য নিজের স্বপ্নের প্রতি যত্নবান হোন

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চৌফলদন্ডি ইউপি নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী ফোরকান মাহমুদ

আজ স্বপ্ন দেখার দিন

আপডেট সময় : ০৩:৪২:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্বপ্ন মানুষকে শুধু ভবিষ্যতের কল্পনায় ডুবিয়ে রাখে না, বরং বাস্তবতার পথেও হাঁটতে শেখায়। প্রত্যেক মানুষই কমবেশি স্বপ্ন দেখে থাকেন। কত রঙ-বেরঙের স্বপ্ন। স্বপ্ন জেগে এবং ঘুমিয়ে উভয় অবস্থাতেই মানুষ দেখতে ভালোবাসেন। আর স্বপ্ন দেখেন বলেই সে স্বপ্নপূরণের ইচ্ছেতে মানুষ বেঁচে থাকেন।

প্রতিটি মানুষ কোনো না কোনোভাবে স্বপ্ন দেখে। সে স্বপ্ন কখনো হয় ব্যক্তিগত, কখনো সামাজিক, আবার কখনো বৈশ্বিক কল্যাণের প্রতিচ্ছবি। স্বপ্ন দেখা ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস।’ বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবসের সূচনা ঘটে ২০১২ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওজিওমা এগুয়াওয়ানওয়ের উদ্যোগে। দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষ যেন নিজের স্বপ্নগুলোর দিকে মনোযোগী হয় এবং সেগুলো পূরণে সচেষ্ট হয়।

মূলত এই দিনটি পালনের উদ্দেশ্য ছিল সেসব মানুষকে অনুপ্রেরণা জোগানো, যারা স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন। আর তাদের স্বপ্নের ফলাফল পৃথিবীর জন্য কল্যাণ বয়ে আনে।

পৃথিবীতে অনেক নতুন শুরু হয়েছে স্বপ্নের মাধ্যমে। বছরের পর বছর ধরে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন উদ্ভাবন একেকজনের স্বপ্নের বাস্তব রূপ। অনেক কবি-সাহিত্যিক তাদের বই বা গান রচনা করেছেন স্বপ্ন থেকেই।

মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র সর্বকালের অন্যতম বিখ্যাত বক্তৃতা দিয়েছিলেন, যেটি তিনি শুরু করেছিলেন ‘আমার একটি স্বপ্ন আছে’ বাক্যটি দিয়ে। তিনি বর্ণবাদের অবসানের স্বপ্ন দেখেছিলেন। এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তিনি কঠোর পরিশ্রম করেছেন, এমনকি তার জীবনও উৎসর্গ করেন।

স্বপ্ন নিয়ে ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের বিখ্যাত একটি উক্তি রয়েছে। তিনি বলেন, ‘স্বপ্ন সেটা নয়, যেটা মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে, স্বপ্ন সেটাই যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না।’

যারা জীবনে কখনো বড় বা সুন্দর স্বপ্ন দেখে না, তারা মানুষকে ভয় দেখায়, নিরুৎসাহিত করে। আপনি যদি সাহসী হন, বিবেকবান হন আর আপনার মনে যদি বড় ও সফল হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় থাকে, আর তা যদি আপনি চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন, তাহলে এমন কোনো অপশক্তি নেই যা আপনাকে থামাতে পারে।

তাই আজ স্বপ্ন দেখার দিনে নিজেকে নিয়ে ভাবুন। নিজের স্বপ্নগুলো নিয়ে চিন্তা করুন এবং সেটি পূরণে কী করবেন সে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করুন। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করুন। আপনি এখন যে অবস্থানে আছেন, কয়েক বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান। সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে কী কী করতে হবে সে উপায় খুঁজে বের করুন আজ। আর এজন্য নিজের স্বপ্নের প্রতি যত্নবান হোন