ঢাকা ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত পরিস্থিতিতে সংঘাত-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন ৬ বছর পর নিষিদ্ধ অবস্থায় কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের ৮৩৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি লোহাগাড়ায় পুকুরে গোসলে নেমে নিখোঁজ বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার সদর থানার বিশেষ অভিযান : গ্রেফতার ১৫ রামুতে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও ডাকাত আটক, ৩ জনের কারাদণ্ড মা ইলিশ সংরক্ষণে সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনী পেকুয়ায় নিজ বিদ্যালয়ে সংবর্ধিত কউক চেয়ারম্যান ও কমেক অধ্যক্ষ উখিয়ায় বন বিভাগের অভিযান : বালিভর্তি দুই অবৈধ ডাম্পার জব্দ কক্সবাজারে ২ প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা জাতীয় পর্যায়ে “সেরা গুণী শিক্ষক” সম্মাননা পেলেন রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুলের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল আব্দুর রহিম টেকনাফে এসআরবি ও বিজিবির যৌথ অভিযান : ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার বাস টার্মিনালের স্ট্যান্ড পার্ক হোটেলে আলোচিত কুলসুমা হত্যার প্রধান আসামী ইরফান গ্রেফতার সাগরে মাছ শিকারে বন্ধ : দুঃশ্চিন্তায় জেলেরা পেকুয়ায় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা

পালংখালীতে এবার মিয়ানমারে পাচারের জন্য আনা সার ছিনতাই

উখিয়ার পালংখালীতে মিয়ানমারে পাচারের জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় ৫০ বস্তা ইউরিয়া সার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ফারির বিল উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠের পাশ থেকে ২ আগস্ট রাত ১১টার দিকে এ সারগুলো ছিনতাই করা হয় বলে জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পালংখালী – বটতলী সড়কের ফারিরবিল এলাকায় রাত ১১ টার সময় ১৫ জনের একটি সংবদ্ধ চক্র আগে থেতে উৎপেতে থাকে।

মিনি টমটম (অটো রিক্সা) করে বটতলীতে মজুদের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো সারগুলো।পথে গাড়ি গতিরোধ করে সারগুলো স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে ছিনতাই করা হয় বলে জানায়।তবে এ ঘটনায় সার ছিনতাইকারীদের নাম পরিচয় সনাক্ত করা যায়নি এখনো।

এদিকে পালংখালীর আঞ্জুমান পাড়া সীমান্ত দিয়েই প্রতিদিন মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে ইউরিয়া সার।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও বিজিবির একাধিক যৌথ অভিযানে জব্দ করা হয় বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সার।

এর আগে ১৩ জুলাই পালংখালীর আঞ্জুমান পাড়ার লম্বা কালোর দোকান এলাকা থেকে ১৩০ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় কামাল উদ্দিনের ছেলে মুফিজ উদ্দিনের (৪৫) নিকট থেকে ৭২ বস্তা, দুদু মিয়ার ছেলে সাগরের কাছ থেকে ২১ বস্তা ও নাজির উদ্দিনের ছেলে ‎মোহাম্মদ ইউনুসের কাছ থেকে ৩৭ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়।
‎আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাথমিক তথ্য ও তদন্ত অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত এই সারগুলো সীমান্ত পার করে পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের রাখাইনে পাচারের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা হয়েছিল।এই পাচার ও অবৈধ মজুদ চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জনের নাম উঠে এসেছে।তারা হলেন, স্থানীয় গয়াল মারা গ্রামের আকবর আলীর ছেলে সোনা মিয়া ও তার ভাই ইউনুস, আনজুমান পাড়ার আবদুল জব্বারের ছেলে নুর মোহাম্মদ, পশ্চিম পালংখালী গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে বাদশা মিয়া এবং পূর্ব ফারির বিল গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে সাগর।
এ ঘটনার ২ দিন পর বিজিবির পালংখালী বিওপির সদস্যরা মিয়ানমানে পাচারকালে ১৩ বস্তা ইউরিয়া সারসহ ৩ জনকে আটক করে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কামনাশিস সরকার জানান, সাম্প্রতিক সময়ে সার পাচার বেড়েছে, তবে অভিযানও অব্যাহত আছে।ইতোমধ্যে অনেক সারের চালান উপজেলা কৃষি অফিস জব্দ করেছে।ফলে মিয়ানমারে সার পাচারে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।
এদিকে অনুমোদিত অনেক ডিলারও নানা কৌশলে সার পাচার করছে এমন অভিযোগ খোদ কৃষকদেরই।অনেক ডিলার কারসাজি করে মিয়ানমারে পাচার করছে কৃষকের ইউরিয়া সার।ফলে তাঁদেরকেও নজরদারিতে রাখার অনুরোধ কৃষকদের।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত পরিস্থিতিতে সংঘাত-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন

পালংখালীতে এবার মিয়ানমারে পাচারের জন্য আনা সার ছিনতাই

আপডেট সময় : ০৫:৩৯:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

উখিয়ার পালংখালীতে মিয়ানমারে পাচারের জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় ৫০ বস্তা ইউরিয়া সার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ফারির বিল উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠের পাশ থেকে ২ আগস্ট রাত ১১টার দিকে এ সারগুলো ছিনতাই করা হয় বলে জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পালংখালী – বটতলী সড়কের ফারিরবিল এলাকায় রাত ১১ টার সময় ১৫ জনের একটি সংবদ্ধ চক্র আগে থেতে উৎপেতে থাকে।

মিনি টমটম (অটো রিক্সা) করে বটতলীতে মজুদের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো সারগুলো।পথে গাড়ি গতিরোধ করে সারগুলো স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে ছিনতাই করা হয় বলে জানায়।তবে এ ঘটনায় সার ছিনতাইকারীদের নাম পরিচয় সনাক্ত করা যায়নি এখনো।

এদিকে পালংখালীর আঞ্জুমান পাড়া সীমান্ত দিয়েই প্রতিদিন মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে ইউরিয়া সার।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও বিজিবির একাধিক যৌথ অভিযানে জব্দ করা হয় বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সার।

এর আগে ১৩ জুলাই পালংখালীর আঞ্জুমান পাড়ার লম্বা কালোর দোকান এলাকা থেকে ১৩০ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় কামাল উদ্দিনের ছেলে মুফিজ উদ্দিনের (৪৫) নিকট থেকে ৭২ বস্তা, দুদু মিয়ার ছেলে সাগরের কাছ থেকে ২১ বস্তা ও নাজির উদ্দিনের ছেলে ‎মোহাম্মদ ইউনুসের কাছ থেকে ৩৭ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়।
‎আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাথমিক তথ্য ও তদন্ত অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত এই সারগুলো সীমান্ত পার করে পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের রাখাইনে পাচারের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা হয়েছিল।এই পাচার ও অবৈধ মজুদ চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জনের নাম উঠে এসেছে।তারা হলেন, স্থানীয় গয়াল মারা গ্রামের আকবর আলীর ছেলে সোনা মিয়া ও তার ভাই ইউনুস, আনজুমান পাড়ার আবদুল জব্বারের ছেলে নুর মোহাম্মদ, পশ্চিম পালংখালী গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে বাদশা মিয়া এবং পূর্ব ফারির বিল গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে সাগর।
এ ঘটনার ২ দিন পর বিজিবির পালংখালী বিওপির সদস্যরা মিয়ানমানে পাচারকালে ১৩ বস্তা ইউরিয়া সারসহ ৩ জনকে আটক করে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কামনাশিস সরকার জানান, সাম্প্রতিক সময়ে সার পাচার বেড়েছে, তবে অভিযানও অব্যাহত আছে।ইতোমধ্যে অনেক সারের চালান উপজেলা কৃষি অফিস জব্দ করেছে।ফলে মিয়ানমারে সার পাচারে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।
এদিকে অনুমোদিত অনেক ডিলারও নানা কৌশলে সার পাচার করছে এমন অভিযোগ খোদ কৃষকদেরই।অনেক ডিলার কারসাজি করে মিয়ানমারে পাচার করছে কৃষকের ইউরিয়া সার।ফলে তাঁদেরকেও নজরদারিতে রাখার অনুরোধ কৃষকদের।