ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাতকানিয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, বাসে আগুন, পুলিশের সাথে সংঘর্ষ বান্দরবানে তাবলিগি মারকাজ মসজিদের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, এমপি কক্সবাজার সদর থানার বিশেষ অভিযান: গ্রেফতার ১৮ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র-বিস্ফোরক মজুদের অভিযোগ, অভিযানের আবেদন কুতুবদিয়ায় অগ্নিকাণ্ড : ক্ষতিগ্রস্ত ৩৬ বসতবাড়ি সী-প্রিন্সেস হোটেলে আ গু ন, অল্পের জন্য ৩’শ পর্যটক পেলেন রক্ষা তিন দিন পর মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত বাহারছড়ার কৃষক রফিক টেকনাফে আগুনে পুড়ল আট কক্ষের ভাড়া বাসা নজরুল বর্ষ জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব ও বাংলাদেশ বেতারে তালিকাভুক্ত হওয়া শিল্পীদের সংবর্ধনা নজরুল বর্ষ জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব ও বাংলাদেশ বেতারে তালিকাভুক্ত হওয়া শিল্পীদের সংবর্ধনা পেকুয়ায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু সম্মান ক্ষুন্ন করতে ও পাওনা টাকা না দিতে অপপ্রচার চালাচ্ছে:ফখরুল ২৬ অক্টোবর থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেস চালু ৩৫ লিটার চোলাই মদসহ আটক,ঈদগাঁও থানার হেফাজত থেকে পালাল কিশোর! উখিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবাসহ যুবদল নেতা গ্রেপ্তার, পালালেন আরও দুজন

কুলসুমার সঙ্গে বাসটার্মিনালের হোটেলে উঠেছিল যুবক, পরে মিললো মরদেহ

কক্সবাজার শহরের বাসটার্মিনাল এলাকার একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষের ওয়াশরুম থেকে কুলসুমা আক্তার নামে এক নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই কক্ষে তার দুই বছরের শিশুও ছিল। তবে শিশুটি অক্ষত রয়েছে।

বুধবার রাত ৮টার দিকে বাসটার্মিনাল এলাকার স্ট্যান্ড পার্ক রিসোর্টের তৃতীয় তলার ৩০২ নম্বর কক্ষের ওয়াশরুম থেকে কুলসুমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এক অজ্ঞাত যুবক ও কুলসুমা আক্তার দুই বছরের শিশুসহ স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওই কক্ষে ওঠেন। হোটেলের রেজিস্টারে ঠিকানা দেওয়া হয় ঈদগাঁও উপজেলার ভাদিতলা।

পরদিন কক্ষ পরিষ্কার করতে গিয়ে ভেতর থেকে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান হোটেলের পরিচ্ছন্নতাকর্মী। পরে ওয়াশরুমে গিয়ে কুলসুমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে বিষয়টি হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানান তিনি।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওয়াশরুম থেকে কুলসুমার মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। তবে কক্ষটিতে কুলসুমার সঙ্গে থাকা যুবকটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

কুলসুমার সঙ্গে হোটেলে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে ওঠা যুবকটির পরিচয় নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। নিহতের পরিবারের দাবি, ওই যুবক কুলসুমার স্বামী হারুন নন। এমনকি পরিবারের সদস্যরাও তাকে চিনতে পারছেন না।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কুলসুমার স্বামী হারুনের সঙ্গে একটি মামলা চলমান রয়েছে। ওই মামলায় হাজিরা দিতে কক্সবাজার শহরে এসেছিলেন কুলসুমা।

এ বিষয়ে কক্সবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, কুলসুমার সঙ্গে হোটেলে থাকা যুবকটি তার স্বামী নন। তাকে শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।

নিহত কুলসুমা আক্তার ঈদগাঁও উপজেলার চান্দেরঘোনা এলাকার আলমের মেয়ে।

এদিকে হোটেলের কর্মচারীরা ওই যুবকের নাম আরফান বলে জানালেও, তার পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। যুবকটি কুলসুমার পূর্বপরিচিত ছিলেন কি না, কিংবা কীভাবে তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে একই কক্ষে উঠেছিলেন-এসব বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ ও রেজিস্টার পর্যালোচনা করে কুলসুমার সঙ্গে থাকা অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় শনাক্ত এবং তাকে আটক করার চেষ্টা চলছে।

ওই যুবককে শনাক্ত ও আটক করা গেলে কুলসুমার মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে মনে করছেন নিহতের স্বজনেরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাতকানিয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, বাসে আগুন, পুলিশের সাথে সংঘর্ষ

কুলসুমার সঙ্গে বাসটার্মিনালের হোটেলে উঠেছিল যুবক, পরে মিললো মরদেহ

আপডেট সময় : ১২:৪৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজার শহরের বাসটার্মিনাল এলাকার একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষের ওয়াশরুম থেকে কুলসুমা আক্তার নামে এক নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই কক্ষে তার দুই বছরের শিশুও ছিল। তবে শিশুটি অক্ষত রয়েছে।

বুধবার রাত ৮টার দিকে বাসটার্মিনাল এলাকার স্ট্যান্ড পার্ক রিসোর্টের তৃতীয় তলার ৩০২ নম্বর কক্ষের ওয়াশরুম থেকে কুলসুমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এক অজ্ঞাত যুবক ও কুলসুমা আক্তার দুই বছরের শিশুসহ স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওই কক্ষে ওঠেন। হোটেলের রেজিস্টারে ঠিকানা দেওয়া হয় ঈদগাঁও উপজেলার ভাদিতলা।

পরদিন কক্ষ পরিষ্কার করতে গিয়ে ভেতর থেকে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান হোটেলের পরিচ্ছন্নতাকর্মী। পরে ওয়াশরুমে গিয়ে কুলসুমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে বিষয়টি হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানান তিনি।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওয়াশরুম থেকে কুলসুমার মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। তবে কক্ষটিতে কুলসুমার সঙ্গে থাকা যুবকটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

কুলসুমার সঙ্গে হোটেলে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে ওঠা যুবকটির পরিচয় নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। নিহতের পরিবারের দাবি, ওই যুবক কুলসুমার স্বামী হারুন নন। এমনকি পরিবারের সদস্যরাও তাকে চিনতে পারছেন না।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কুলসুমার স্বামী হারুনের সঙ্গে একটি মামলা চলমান রয়েছে। ওই মামলায় হাজিরা দিতে কক্সবাজার শহরে এসেছিলেন কুলসুমা।

এ বিষয়ে কক্সবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, কুলসুমার সঙ্গে হোটেলে থাকা যুবকটি তার স্বামী নন। তাকে শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।

নিহত কুলসুমা আক্তার ঈদগাঁও উপজেলার চান্দেরঘোনা এলাকার আলমের মেয়ে।

এদিকে হোটেলের কর্মচারীরা ওই যুবকের নাম আরফান বলে জানালেও, তার পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। যুবকটি কুলসুমার পূর্বপরিচিত ছিলেন কি না, কিংবা কীভাবে তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে একই কক্ষে উঠেছিলেন-এসব বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ ও রেজিস্টার পর্যালোচনা করে কুলসুমার সঙ্গে থাকা অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় শনাক্ত এবং তাকে আটক করার চেষ্টা চলছে।

ওই যুবককে শনাক্ত ও আটক করা গেলে কুলসুমার মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে মনে করছেন নিহতের স্বজনেরা।