৩০ বছর ধরে সমুদ্রে মাছ ধরে সংসার চালাচ্ছেন লাল মোহাম্মদ।
সাগরই তার জীবিকার একমাত্র ভরসা। কিন্তু ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার খবরে সেই ভরসাতেই যেন নেমে এসেছে দুশ্চিন্তার ছায়া। নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে কীভাবে সংসারের খরচ চালাবেন সে চিন্তায় এখন দিশেহারা তিনি।
শুধু লাল মোহাম্মদ নন, তার মতো কক্সবাজারের শত শত জেলের আয়ের পথও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে নিষেধাজ্ঞার সময়ে।সাগরে মাছ ধরা বন্ধ থাকলে পরিবার নিয়ে কষ্টে দিন কাটানোর আশঙ্কা তাদের।জেলেদের অভিযোগ, যখন সাগরে মাছ বেশি ধরা পড়ার সম্ভাবনা থাকে, ঠিক তখনই দেওয়া হচ্ছে নিষেধাজ্ঞা। তাই নিষেধাজ্ঞার সময় পরিবর্তনের পাশাপাশি এ সময়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতারও দাবি তাদের।
তবে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: নাজমুল হুদা। তিনি বেল,নিষেধাজ্ঞার পুরো সময়ে সমুদ্রে মাছ ধরা বন্ধ রাখতে চালানো হবে নিয়মিত অভিযান।থাকবে মোবাইল কোর্টও।
বুধবার মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া ২২ দিনের এই নিষেধাজ্ঞা চলবে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত। এই সময়ে সমুদ্রে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে হবে জেলার নিবন্ধিত ৬৪ হাজার ৪২৮ জন জেলেকে।
একদিকে সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণে নিষেধাজ্ঞা জরুরি,
অন্যদিকে এই সময়টাতে জেলেদের জীবিকা নিয়ে তৈরি হচ্ছে অনিশ্চয়তা। তাই নিষেধাজ্ঞা সফল করতে সাগরে নজরদারির পাশাপাশি জেলেদের পরিবারে স্বস্তি ফেরাতে কার্যকর সহায়তার দাবি জেলেদের।
শাহেদ হোছাইন মুবিন 























