ঢাকা ১২:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সৌদিতে হতে পারে সবার দাফন : জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের বাড়ি চকরিয়ায় নয়, উখিয়া ও টেকনাফে অ্যাডভোকেট এ. কে. আহমদ হোসাইনের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ খরুলিয়ায় ডাম্পারের ধাক্কায় প্রাণ গেলো পথচারীর টেকনাফে অস্ত্রের মুখে ১১ বছরের মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণ, সন্তানকে ফিরে পেতে মায়ের আহাজারি হলদিয়ার সেই মিজান এবার ‘ওয়ার্ড প্রশাসক’ হতে লাখ টাকার মিশনে : অভিযোগ অস্বীকার মিজানের কক্সবাজারে বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বার্ষিক সম্মেলন তরুণদের নেতৃত্বে টেকনাফে অনুষ্ঠিত হলো শান্তি ও সম্প্রীতি মেলা ২০২৬ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর : জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য কলাতলীর মেম্বার ঘাটা থেকে রাসেলের মরদেহ উদ্ধার ৪৫ বছর পর চকরিয়ায় মা-বাবার খোঁজে নেদারল্যান্ডসের সেলিনা নাইক্ষ্যংছড়িতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভা জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭ জনেরই বাড়ি চকরিয়ায় বিনা দোষে কাউকে গ্রেফতার না করার অনুরোধ এমপি কাজলের টেকনাফের পাহাড়ে ৩ ম/র/দে/হ গেল কোথায়? ৪ ঘন্টার অভিযানে মিলেনি কিছুই! কক্সবাজারে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আলোচনা সভা

সৌদিতে হতে পারে সবার দাফন : জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের বাড়ি চকরিয়ায় নয়, উখিয়া ও টেকনাফে

সৌদি আরবের জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত শিশুসহ সাত বাংলাদেশির স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায়। এঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৬ বাংলাদেশি।

সৌদি আরবের স্থানীয় সময়ানুযায়ী, শনিবার (৭ নভেম্বর) ভোরে মদিনা থেকে জেদ্দায় ফেরার পথে আল-হিমনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা তিন পরিবারের সদস্য এবং হতাহতরা সবাই সৌদি আরবে বাংলাদেশি মালিকানাধীন আল-আবির কোন্ড স্টোর কোম্পানি সংশ্লিষ্ট বলে জানা গেছে।

আল-আবিরের ব্যবস্থাপক (বিপণন) মোহাম্মদ নুরুজজামান জানান, ‘ আল-আবির কোল্ড স্টোরের ১৩জন একই সাথে মদিনা থেকে জিয়ারত শেষে জেদ্দায় ফিরছিলেন। পথিমধ্যে গাড়ীর টায়ার ফেটে
ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ জন প্রাণ হারান এবং ৬ জন গুরুতর আহত অবস্থায় বহাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ‘

তিনি জানান,নিহতদের মধ্যে  আল-আবির জেদ্দা শাখার স্টোর কিপার জিয়াউর রহমানের (৪৫) বাড়ি কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নে- এঘটনায় তার দুই ছেলে ইয়াসির ও ইয়াযান এবং মেয়ে বুশরা মারা গেছেন। জিয়াউরের স্ত্রী শাকিরা ও মেয়ে ইউসরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

একই গাড়িতে থাকা টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের পানখালী এলাকার বাসিন্দা আলম শাহ তার স্ত্রী সানজিদা ও মেয়ে ফারিয়াকে হারিয়েছেন। তবে মক্কা শাখার স্টোর কিপার আলম শাহ ও তার ছেলে ফয়সাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানান নুরুজ জামান।

এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির ফরক্লিপ ড্রাইভার ইলিয়াস তার স্ত্রী আফসানা বিবিকে হারিয়েছেন এবং তাদের বাড়িও হ্নীলা ইউনিয়নে, আহত অন্যজন হলে গফুর আলম।

নুরুজ জামান বলেন, পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে বসবাস করে আসছে এবং নিহতদের দাফনকার্য দেশটিতেই সম্পন্ন করা হবে।

দুর্ঘটনায় নিহত সানজিদার ভাই শাহীন সামি জানান,’মক্কা থেকে মদিনায় যাওয়ার পথে জেদ্দায় হাইওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় আমার বোন সানজিদা ও ভাগনী মারা গেছে। পরিবারের আরো ২জন বর্তমানে হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে ওনাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন।’

দুর্ঘটনার সময় গাড়িটির গতিবেগ ঘণ্টায় আনুমানিক ১৬০ কিলোমিটার ছিল বলে জানা গেছে এবং অতিরিক্ত গতি আর গাড়ীর টায়ার ফেটে যাওয়ার কারণে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে সৌদি ট্রাফিক দপ্তর।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদিতে হতে পারে সবার দাফন : জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের বাড়ি চকরিয়ায় নয়, উখিয়া ও টেকনাফে

সৌদিতে হতে পারে সবার দাফন : জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের বাড়ি চকরিয়ায় নয়, উখিয়া ও টেকনাফে

আপডেট সময় : ১২:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

সৌদি আরবের জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত শিশুসহ সাত বাংলাদেশির স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায়। এঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৬ বাংলাদেশি।

সৌদি আরবের স্থানীয় সময়ানুযায়ী, শনিবার (৭ নভেম্বর) ভোরে মদিনা থেকে জেদ্দায় ফেরার পথে আল-হিমনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা তিন পরিবারের সদস্য এবং হতাহতরা সবাই সৌদি আরবে বাংলাদেশি মালিকানাধীন আল-আবির কোন্ড স্টোর কোম্পানি সংশ্লিষ্ট বলে জানা গেছে।

আল-আবিরের ব্যবস্থাপক (বিপণন) মোহাম্মদ নুরুজজামান জানান, ‘ আল-আবির কোল্ড স্টোরের ১৩জন একই সাথে মদিনা থেকে জিয়ারত শেষে জেদ্দায় ফিরছিলেন। পথিমধ্যে গাড়ীর টায়ার ফেটে
ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ জন প্রাণ হারান এবং ৬ জন গুরুতর আহত অবস্থায় বহাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ‘

তিনি জানান,নিহতদের মধ্যে  আল-আবির জেদ্দা শাখার স্টোর কিপার জিয়াউর রহমানের (৪৫) বাড়ি কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নে- এঘটনায় তার দুই ছেলে ইয়াসির ও ইয়াযান এবং মেয়ে বুশরা মারা গেছেন। জিয়াউরের স্ত্রী শাকিরা ও মেয়ে ইউসরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

একই গাড়িতে থাকা টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের পানখালী এলাকার বাসিন্দা আলম শাহ তার স্ত্রী সানজিদা ও মেয়ে ফারিয়াকে হারিয়েছেন। তবে মক্কা শাখার স্টোর কিপার আলম শাহ ও তার ছেলে ফয়সাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানান নুরুজ জামান।

এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির ফরক্লিপ ড্রাইভার ইলিয়াস তার স্ত্রী আফসানা বিবিকে হারিয়েছেন এবং তাদের বাড়িও হ্নীলা ইউনিয়নে, আহত অন্যজন হলে গফুর আলম।

নুরুজ জামান বলেন, পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে বসবাস করে আসছে এবং নিহতদের দাফনকার্য দেশটিতেই সম্পন্ন করা হবে।

দুর্ঘটনায় নিহত সানজিদার ভাই শাহীন সামি জানান,’মক্কা থেকে মদিনায় যাওয়ার পথে জেদ্দায় হাইওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় আমার বোন সানজিদা ও ভাগনী মারা গেছে। পরিবারের আরো ২জন বর্তমানে হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে ওনাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন।’

দুর্ঘটনার সময় গাড়িটির গতিবেগ ঘণ্টায় আনুমানিক ১৬০ কিলোমিটার ছিল বলে জানা গেছে এবং অতিরিক্ত গতি আর গাড়ীর টায়ার ফেটে যাওয়ার কারণে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে সৌদি ট্রাফিক দপ্তর।