ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে: আইনমন্ত্রী মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করলেন অ্যাডভোকেট রহিম উল্লাহ খান বিচার বিভাগকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি: আইনমন্ত্রী বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির আভাস ২০২৭ সালে চুক্তিবদ্ধ এলএনজি কার্গোর ৬৫ শতাংশ সরবরাহ করবে কাতারএনার্জি সৌদিতে হতে পারে সবার দাফন : জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের বাড়ি চকরিয়ায় নয়, উখিয়া ও টেকনাফে অ্যাডভোকেট এ. কে. আহমদ হোসাইনের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ খরুলিয়ায় ডাম্পারের ধাক্কায় প্রাণ গেলো পথচারীর টেকনাফে অস্ত্রের মুখে ১১ বছরের মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণ, সন্তানকে ফিরে পেতে মায়ের আহাজারি হলদিয়ার সেই মিজান এবার ‘ওয়ার্ড প্রশাসক’ হতে লাখ টাকার মিশনে : অভিযোগ অস্বীকার মিজানের কক্সবাজারে বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বার্ষিক সম্মেলন তরুণদের নেতৃত্বে টেকনাফে অনুষ্ঠিত হলো শান্তি ও সম্প্রীতি মেলা ২০২৬ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর : জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য কলাতলীর মেম্বার ঘাটা থেকে রাসেলের মরদেহ উদ্ধার ৪৫ বছর পর চকরিয়ায় মা-বাবার খোঁজে নেদারল্যান্ডসের সেলিনা

রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত যাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের নিরাপত্তার বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে। তারা নাগরিকত্ব, মানবাধিকার, মর্যাদা ও শিক্ষার অধিকার পাবে। এই সমস্ত অধিকার নির্ভয়ে ও নিঃশঙ্কচিত্তে নিশ্চিত করতে হবে। সেই প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মহলকে সম্পৃক্ত হতে হবে।

রোববার (০৮ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতীয় কৌশল নির্ধারণ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা নিয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় নীতি সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সারা বিশ্বে ৪ কোটি ১৬ লাখের মতো শরণার্থী আছে। আর বাংলাদেশের মতো এত একটি গরিব দেশে ১.২ মিলিয়ন রোহিঙ্গা অধিবাসী নিয়ে ঝুলে আছি। যেখানে ক্যাম্পে প্রতিদিন ৮২–৯০ জন শিশুর জন্ম হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এমন পরিস্থিতি যদি চলমান থাকে, সেখানে রোহিঙ্গা নতুন করে আসা তো পরের ব্যাপার, এখানেই জনসংখ্যার বিস্ফোরণ ঘটবে। এই পরিস্থিতিতে দেশের জন্য একদিকে যেমন মানবিক দিক বিবেচনায় আছে, তেমনি নিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তার প্রশ্নও এখানে জড়িত আছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জাতীয় একটি কমিটি হয়েছে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় নীতিমালা কমিটির মাধ্যমে আমরা আন্তর্জাতিকভাবে কীভাবে এটা মোকাবিলা করা যায়, সেটা দেখবো।

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য একটি যৌক্তিক পরিণতি নিশ্চিত করতে হবে। আর সেটি হতে হবে বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে।

রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের নয়, এটি মিয়ানমারের সমস্যা বলে উল্লেখ করেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, তাই এর সমাধানের দায়িত্বও তাদেরই নিতে হবে।

সূত্র: যমুনা টিভি

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে: আইনমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:৪১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত যাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের নিরাপত্তার বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে। তারা নাগরিকত্ব, মানবাধিকার, মর্যাদা ও শিক্ষার অধিকার পাবে। এই সমস্ত অধিকার নির্ভয়ে ও নিঃশঙ্কচিত্তে নিশ্চিত করতে হবে। সেই প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মহলকে সম্পৃক্ত হতে হবে।

রোববার (০৮ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতীয় কৌশল নির্ধারণ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা নিয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় নীতি সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সারা বিশ্বে ৪ কোটি ১৬ লাখের মতো শরণার্থী আছে। আর বাংলাদেশের মতো এত একটি গরিব দেশে ১.২ মিলিয়ন রোহিঙ্গা অধিবাসী নিয়ে ঝুলে আছি। যেখানে ক্যাম্পে প্রতিদিন ৮২–৯০ জন শিশুর জন্ম হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এমন পরিস্থিতি যদি চলমান থাকে, সেখানে রোহিঙ্গা নতুন করে আসা তো পরের ব্যাপার, এখানেই জনসংখ্যার বিস্ফোরণ ঘটবে। এই পরিস্থিতিতে দেশের জন্য একদিকে যেমন মানবিক দিক বিবেচনায় আছে, তেমনি নিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তার প্রশ্নও এখানে জড়িত আছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জাতীয় একটি কমিটি হয়েছে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় নীতিমালা কমিটির মাধ্যমে আমরা আন্তর্জাতিকভাবে কীভাবে এটা মোকাবিলা করা যায়, সেটা দেখবো।

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য একটি যৌক্তিক পরিণতি নিশ্চিত করতে হবে। আর সেটি হতে হবে বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে।

রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের নয়, এটি মিয়ানমারের সমস্যা বলে উল্লেখ করেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, তাই এর সমাধানের দায়িত্বও তাদেরই নিতে হবে।

সূত্র: যমুনা টিভি