ঢাকা ০৮:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব মগনামায় সরকারি খালে ৫৮টি অবৈধ বাঁধ ও জাল অপসারণ নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা : পাহাড়ধসের আশংকা সেন্টমার্টিনে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক মহেশখালী চ্যানেলে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই বালু উত্তোলন, ৫০ লাখ টাকা জরিমানা সমিতিপাড়ায় কিশোর সুকান্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি বেলাল গ্রেপ্তার কক্সবাজারে বাধ্যতামূলক মামলা পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন ২০২৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু নভেম্বরে : আয়োজক বাংলাদেশ দীর্ঘ ১৯ বছর আগেই নিষ্পত্তি হওয়া বিষয়কে ঘিরে নতুন অপপ্রচার: অধ্যক্ষের প্রতিবাদ উখিয়ায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর ৩ সদস্য আটক মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি হচ্ছেন মোজাফফর অতিরিক্ত প্রোটিন কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর? সেই ‘কালো দুপুরের’ এক বছর আজ

মিয়ানমারে পাচারের পথে ১৭শ বস্তা সিমেন্ট জব্দ, আটক ২০

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া ১ হাজার ৭০০ বস্তা সিমেন্টসহ দুটি ইঞ্জিনচালিত বোট জব্দ করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। এ সময় পাচারচক্রের ২০ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিয়মিত সমুদ্র টহল কার্যক্রম চলাকালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এর সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউল করিম শাম্মী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, নৌবাহিনীর একটি জাহাজ সেন্টমার্টিন লাইট হাউস থেকে প্রায় ১৯ মাইল দূরে টহলরত অবস্থায় দুটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের ফিশিং বোটের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে সেগুলোকে ধাওয়া করে। পরে ‘মা-২’ ও ‘নিশান-২’ নামের বোট দুটি আটক করা হয়। তল্লাশির সময় ‘মা-২’ বোট থেকে ৯০০ বস্তা এবং ‘নিশান-২’ বোট থেকে ৮০০ বস্তা সিমেন্ট উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে সিমেন্ট পাচারের সঙ্গে জড়িত ২০ জনকে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা স্বীকার করেন, অধিক মুনাফার আশায় তারা সিমেন্টগুলো মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

নৌবাহিনী সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তবর্তী সমুদ্রপথ ব্যবহার করে বিভিন্ন পণ্য অবৈধভাবে পাচারের চেষ্টা বেড়ে যাওয়ায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউল করিম শাম্মী নিশ্চিত করেছেন, জব্দকৃত সিমেন্ট, আটক দুটি বোট এবং আটক ২০ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি অবগত করেন, সাগরপথে অবৈধ বাণিজ্য ও সীমান্তপারের পাচার ঠেকাতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব

মিয়ানমারে পাচারের পথে ১৭শ বস্তা সিমেন্ট জব্দ, আটক ২০

আপডেট সময় : ০৬:১৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া ১ হাজার ৭০০ বস্তা সিমেন্টসহ দুটি ইঞ্জিনচালিত বোট জব্দ করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। এ সময় পাচারচক্রের ২০ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিয়মিত সমুদ্র টহল কার্যক্রম চলাকালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এর সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউল করিম শাম্মী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, নৌবাহিনীর একটি জাহাজ সেন্টমার্টিন লাইট হাউস থেকে প্রায় ১৯ মাইল দূরে টহলরত অবস্থায় দুটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের ফিশিং বোটের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে সেগুলোকে ধাওয়া করে। পরে ‘মা-২’ ও ‘নিশান-২’ নামের বোট দুটি আটক করা হয়। তল্লাশির সময় ‘মা-২’ বোট থেকে ৯০০ বস্তা এবং ‘নিশান-২’ বোট থেকে ৮০০ বস্তা সিমেন্ট উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে সিমেন্ট পাচারের সঙ্গে জড়িত ২০ জনকে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা স্বীকার করেন, অধিক মুনাফার আশায় তারা সিমেন্টগুলো মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

নৌবাহিনী সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তবর্তী সমুদ্রপথ ব্যবহার করে বিভিন্ন পণ্য অবৈধভাবে পাচারের চেষ্টা বেড়ে যাওয়ায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউল করিম শাম্মী নিশ্চিত করেছেন, জব্দকৃত সিমেন্ট, আটক দুটি বোট এবং আটক ২০ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি অবগত করেন, সাগরপথে অবৈধ বাণিজ্য ও সীমান্তপারের পাচার ঠেকাতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।