কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়ি কেটে রাস্তা নির্মাণ বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন পরিচ্ছন্ন, সুস্থ ও টেকসই পরিবেশের অধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের স্পেশাল র্যাপোটিয়ার অ্যাস্ট্রিড পুয়েন্তেস রিয়ানো। তাঁর মতে, বাংলাদেশের অন্যতম ভঙ্গুর উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় আদালতের এই হস্তক্ষেপ সময়োপযোগী।
সোমবার বিকেলে পেশাদারদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম লিংকডইনে দেয়া এক বিবৃতিতে রিয়ানো বলেন, কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের আইনত ঘোষিত পরিবেশগত ভাবে সংকটাপন্ন এলাকা। ফলে এই এলাকার সুরক্ষায় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সতর্কতা প্রয়োজন।
বড় অবকাঠামো প্রকল্পের আগে পরিবেশগত, সামাজিক ও মানবাধিকার-সংক্রান্ত প্রভাবের পূর্ণাঙ্গ, স্বাধীন এবং অংশগ্রহণমূলক মূল্যায়ন করা জরুরি বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। প্রকল্পের সম্ভাব্য জলবায়ু-ঝুঁকিও খতিয়ে দেখা দরকার। রিয়ানোর বক্তব্য, এই মূল্যায়ন রাষ্ট্রের ইচ্ছাধীন কোনও আনুষ্ঠানিকতা নয়, রাষ্ট্রের দায়িত্বেরই অংশ।
বিষয়টি আদালতের সামনে নিয়ে আসা পরিবেশ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রশংসা করেছ জাতিসংঘের এই বিশেষ প্রতিবেদক। তাঁর মতে, পরিবেশ রক্ষায় বিচার পাওয়ার সুযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে এমন মানুষ ও বাস্তুতন্ত্রের ক্ষেত্রে, যাদের নীতিনির্ধারণের টেবিলে নিজেদের হয়ে কথা বলার সুযোগ থাকে না।
উল্লেখ্য অ্যাস্ট্রিড পুয়েন্তেস রিয়ানো (Astrid Puentes Riaño) হলেন পরিচ্ছন্ন, সুস্থ ও টেকসই পরিবেশের অধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক বা স্পেশাল র্যাপোটিয়ার।
তিনি এই পদে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম নারী এবং গ্লোবাল সাউথ বা আমন্ত্রিত অঞ্চলের প্রথম ব্যক্তি। পরিবেশ আইন, মানবাধিকার এবং জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে তাঁর দীর্ঘ ২০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে
বার্তা পরিবেশক: 























