ঢাকা ০৪:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সারা দেশে দুইদিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ ঘোষণা কক্সবাজারে সিএনজি থেকে ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটনের দাফন সম্পন্ন নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন  সড়ক ভাড়া দিলো কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা, পাঁচ ধাপে হবে ভোটগ্রহণ প্রমাণ ছাড়া কেবল পলাতক থাকলেই কাউকে সাজা দেওয়া যায়না : হাইকোর্ট রিয়াদে বিমানবন্দরে হামলায় ২৪ বাংলা‌দে‌শি আহত বাড়িতে স্ত্রীর লাশ রেখে মসজিদে গিয়ে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু অবশেষে গ্রেফতার হলো নিহত তাজমিনের প্রেমিক রাজু উখিয়ার কোটবাজার থেকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি জসিম গ্রেপ্তার আরব আমিরাত থেকে ৯৬ লাখ টাকা চুরি করে পালিয়ে এলো চকরিয়ার নোমান, খুঁজছে পুলিশ কক্সবাজারে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান : ৫৬ হাজার টাকা জরিমানা উখিয়ায় কমিউনিটি রিপোর্টিং জোরদারে এমবোলডেন বাংলাদেশের মতবিনিময় সভা তাজমিন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ‘সম্পর্ক নেই’ রাজুর

সীমান্ত দিয়ে প্রবেশের সময় দেড় লাখ ইয়াবাসহ আটক ১

টেকনাফের নাফ নদী সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় ১ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ হেলাল মিয়া (২৫) নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ,বিজিবি ।

আটক হেলাল মিয়া টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাঞ্জরপাড়া এলাকার মো. সোলেমানের ছেলে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উনচিপ্রাং এলাকার জসিমের ঘের নামক স্থানে এ অভিযান চালানো হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন উখিয়া ব্যাটালিয়ন ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উনচিপ্রাং বিওপির একটি বিশেষ টহল দল জসিমের ঘের এলাকায় অবস্থান নেয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দুই ব্যক্তিকে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবির টহল দল। তাদের থামার জন্য চ্যালেঞ্জ করা হলে দুজনই পালানোর চেষ্টা করে। বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করে হেলাল মিয়াকে আটক করতে সক্ষম হলেও তার সঙ্গে থাকা অপর ব্যক্তি পালিয়ে যায়।

পরে আটক হেলাল মিয়াকে নিয়ে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় দুটি পোটলার ভেতর খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের বায়ুরোধী প্যাকেট পাওয়া যায়। প্যাকেটগুলো তল্লাশি করে মোট ১৫টি প্যাকেটে ১ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হেলাল মিয়া মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবা গুলো সংগ্রহ করে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে নিয়ে আসছিল বলে বিজিবির কাছে স্বীকার করেছে বলে জানানো হয়েছে।

উখিয়া ব্যাটালিয়ন ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম বলেন, সীমান্ত দিয়ে মাদকসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। মাদক সরবরাহকারী ও চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্ত দিয়ে প্রবেশের সময় দেড় লাখ ইয়াবাসহ আটক ১

আপডেট সময় : ০১:৪৮:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টেকনাফের নাফ নদী সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় ১ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ হেলাল মিয়া (২৫) নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ,বিজিবি ।

আটক হেলাল মিয়া টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাঞ্জরপাড়া এলাকার মো. সোলেমানের ছেলে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উনচিপ্রাং এলাকার জসিমের ঘের নামক স্থানে এ অভিযান চালানো হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন উখিয়া ব্যাটালিয়ন ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উনচিপ্রাং বিওপির একটি বিশেষ টহল দল জসিমের ঘের এলাকায় অবস্থান নেয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দুই ব্যক্তিকে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবির টহল দল। তাদের থামার জন্য চ্যালেঞ্জ করা হলে দুজনই পালানোর চেষ্টা করে। বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করে হেলাল মিয়াকে আটক করতে সক্ষম হলেও তার সঙ্গে থাকা অপর ব্যক্তি পালিয়ে যায়।

পরে আটক হেলাল মিয়াকে নিয়ে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় দুটি পোটলার ভেতর খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের বায়ুরোধী প্যাকেট পাওয়া যায়। প্যাকেটগুলো তল্লাশি করে মোট ১৫টি প্যাকেটে ১ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হেলাল মিয়া মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবা গুলো সংগ্রহ করে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে নিয়ে আসছিল বলে বিজিবির কাছে স্বীকার করেছে বলে জানানো হয়েছে।

উখিয়া ব্যাটালিয়ন ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম বলেন, সীমান্ত দিয়ে মাদকসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ পণ্য প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। মাদক সরবরাহকারী ও চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।