ঢাকা ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত পরিস্থিতিতে সংঘাত-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন ৬ বছর পর নিষিদ্ধ অবস্থায় কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের ৮৩৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি লোহাগাড়ায় পুকুরে গোসলে নেমে নিখোঁজ বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার সদর থানার বিশেষ অভিযান : গ্রেফতার ১৫ রামুতে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও ডাকাত আটক, ৩ জনের কারাদণ্ড মা ইলিশ সংরক্ষণে সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনী পেকুয়ায় নিজ বিদ্যালয়ে সংবর্ধিত কউক চেয়ারম্যান ও কমেক অধ্যক্ষ উখিয়ায় বন বিভাগের অভিযান : বালিভর্তি দুই অবৈধ ডাম্পার জব্দ কক্সবাজারে ২ প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা জাতীয় পর্যায়ে “সেরা গুণী শিক্ষক” সম্মাননা পেলেন রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুলের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল আব্দুর রহিম টেকনাফে এসআরবি ও বিজিবির যৌথ অভিযান : ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার বাস টার্মিনালের স্ট্যান্ড পার্ক হোটেলে আলোচিত কুলসুমা হত্যার প্রধান আসামী ইরফান গ্রেফতার সাগরে মাছ শিকারে বন্ধ : দুঃশ্চিন্তায় জেলেরা পেকুয়ায় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা

উখিয়ায় টমটম থেকে ৪০ হাজার ইয়াবা ছিনতাই, গা-ঢাকা দুই কারবারির

উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে টমটম (অটো-রিকশা) থেকে প্রায় ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (১ মে) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে ভাদিতলি এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত হিসেবে স্থানীয় দুই মাদক কারবারির নাম উঠে এসেছে। তারা হলেন, ভাদিতলি এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী মার্বেল ও ছৈয়দুল আমিন। ঘটনার পরপরই তারা এলাকা ছেড়ে গা-ঢাকা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন সন্ধ্যায় একটি অটো-রিকশায় করে ইয়াবার বড় একটি চালান পাচার করা হচ্ছিল। বিষয়টি আগে থেকেই জানতে পারে অভিযুক্তরা। পরে তারা গাড়িটিকে ধাওয়া করে একটি গ্যারেজে নিয়ে যায়। সেখানে টমটম থামিয়ে ইয়াবা ভর্তি ব্যাগ ছিনতাই করে তারা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ব্যাগে থাকা চারটি প্যাকেটের মধ্যে তিনটি প্যাকেট মোহাম্মদ আলী মার্বেল ও ছৈয়দুল আমিন নিয়ে যায়। বাকি একটি প্যাকেট গ্যারেজে থাকা এক অটোচালক জোবাইর দ্রুত নিয়ে পালিয়ে যায়।

সূত্রের দাবি, ছিনতাইয়ের পর ইয়াবাগুলো নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয় অভিযুক্তরা। এর মধ্যে ছৈয়দুল আমিন প্রায় ১০ হাজার পিস এবং মোহাম্মদ আলী মার্বেল ২০ হাজার পিস ইয়াবা নিজেদের দখলে নেয় বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পুরো চালানে আনুমানিক ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ছিল।

ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তাদের কারণে সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে।

একাধিক বাসিন্দা জানান, প্রকাশ্যে এমন বড় একটি ইয়াবার চালান ছিনতাইয়ের ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ঘটনার পর থেকে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অভিযুক্তদের ধরতে তৎপরতা শুরু করেছে। তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখনো তাদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

উখিয়া থানার ওসি মুজিবুর রহমান জানান, মাদকবিরোধী অভিযানে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে এবং পলাতক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত পরিস্থিতিতে সংঘাত-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন

উখিয়ায় টমটম থেকে ৪০ হাজার ইয়াবা ছিনতাই, গা-ঢাকা দুই কারবারির

আপডেট সময় : ০৮:৫৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে টমটম (অটো-রিকশা) থেকে প্রায় ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (১ মে) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে ভাদিতলি এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত হিসেবে স্থানীয় দুই মাদক কারবারির নাম উঠে এসেছে। তারা হলেন, ভাদিতলি এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী মার্বেল ও ছৈয়দুল আমিন। ঘটনার পরপরই তারা এলাকা ছেড়ে গা-ঢাকা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন সন্ধ্যায় একটি অটো-রিকশায় করে ইয়াবার বড় একটি চালান পাচার করা হচ্ছিল। বিষয়টি আগে থেকেই জানতে পারে অভিযুক্তরা। পরে তারা গাড়িটিকে ধাওয়া করে একটি গ্যারেজে নিয়ে যায়। সেখানে টমটম থামিয়ে ইয়াবা ভর্তি ব্যাগ ছিনতাই করে তারা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ব্যাগে থাকা চারটি প্যাকেটের মধ্যে তিনটি প্যাকেট মোহাম্মদ আলী মার্বেল ও ছৈয়দুল আমিন নিয়ে যায়। বাকি একটি প্যাকেট গ্যারেজে থাকা এক অটোচালক জোবাইর দ্রুত নিয়ে পালিয়ে যায়।

সূত্রের দাবি, ছিনতাইয়ের পর ইয়াবাগুলো নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয় অভিযুক্তরা। এর মধ্যে ছৈয়দুল আমিন প্রায় ১০ হাজার পিস এবং মোহাম্মদ আলী মার্বেল ২০ হাজার পিস ইয়াবা নিজেদের দখলে নেয় বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পুরো চালানে আনুমানিক ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ছিল।

ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তাদের কারণে সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে।

একাধিক বাসিন্দা জানান, প্রকাশ্যে এমন বড় একটি ইয়াবার চালান ছিনতাইয়ের ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ঘটনার পর থেকে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অভিযুক্তদের ধরতে তৎপরতা শুরু করেছে। তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখনো তাদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

উখিয়া থানার ওসি মুজিবুর রহমান জানান, মাদকবিরোধী অভিযানে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে এবং পলাতক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।