ঢাকা ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন : গুরুত্ব পায় পরিবেশ ও জলজ সম্পদ রক্ষার ইস্যু কক্সবাজারে সাংবাদিকদের ‘এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপন অনুষ্ঠান ও সনদ বিতরণ বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পেকুয়ায় র‍্যালি ও পথসভা দশ মিনিটেই পুড়ে ছাই ব্যবসায়ী কাইছারের শেষ সম্বল দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য খুলল যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসার পথ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়া উদ্যানের জলাশয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস : প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার থেকে ফেরা হলো না, লোহাগাড়ায় মিনিট্রাকের ধাক্কায় দুই যুবক নিহত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে দু’র্ঘ’ট’না, বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নি’হ’ত শক্তিশালী টেকনাফকে হারিয়ে ফাইনালে রামু : ম্যান অব দ্যা ম্যাচ কৌশিক বড়ুয়া প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভা: দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি চকরিয়ায় বাসে তল্লাশি : ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা যুবক আটক আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি

উখিয়ায় টমটম থেকে ৪০ হাজার ইয়াবা ছিনতাই, গা-ঢাকা দুই কারবারির

উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে টমটম (অটো-রিকশা) থেকে প্রায় ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (১ মে) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে ভাদিতলি এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত হিসেবে স্থানীয় দুই মাদক কারবারির নাম উঠে এসেছে। তারা হলেন, ভাদিতলি এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী মার্বেল ও ছৈয়দুল আমিন। ঘটনার পরপরই তারা এলাকা ছেড়ে গা-ঢাকা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন সন্ধ্যায় একটি অটো-রিকশায় করে ইয়াবার বড় একটি চালান পাচার করা হচ্ছিল। বিষয়টি আগে থেকেই জানতে পারে অভিযুক্তরা। পরে তারা গাড়িটিকে ধাওয়া করে একটি গ্যারেজে নিয়ে যায়। সেখানে টমটম থামিয়ে ইয়াবা ভর্তি ব্যাগ ছিনতাই করে তারা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ব্যাগে থাকা চারটি প্যাকেটের মধ্যে তিনটি প্যাকেট মোহাম্মদ আলী মার্বেল ও ছৈয়দুল আমিন নিয়ে যায়। বাকি একটি প্যাকেট গ্যারেজে থাকা এক অটোচালক জোবাইর দ্রুত নিয়ে পালিয়ে যায়।

সূত্রের দাবি, ছিনতাইয়ের পর ইয়াবাগুলো নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয় অভিযুক্তরা। এর মধ্যে ছৈয়দুল আমিন প্রায় ১০ হাজার পিস এবং মোহাম্মদ আলী মার্বেল ২০ হাজার পিস ইয়াবা নিজেদের দখলে নেয় বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পুরো চালানে আনুমানিক ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ছিল।

ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তাদের কারণে সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে।

একাধিক বাসিন্দা জানান, প্রকাশ্যে এমন বড় একটি ইয়াবার চালান ছিনতাইয়ের ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ঘটনার পর থেকে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অভিযুক্তদের ধরতে তৎপরতা শুরু করেছে। তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখনো তাদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

উখিয়া থানার ওসি মুজিবুর রহমান জানান, মাদকবিরোধী অভিযানে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে এবং পলাতক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন : গুরুত্ব পায় পরিবেশ ও জলজ সম্পদ রক্ষার ইস্যু

উখিয়ায় টমটম থেকে ৪০ হাজার ইয়াবা ছিনতাই, গা-ঢাকা দুই কারবারির

আপডেট সময় : ০৮:৫৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে টমটম (অটো-রিকশা) থেকে প্রায় ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (১ মে) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে ভাদিতলি এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত হিসেবে স্থানীয় দুই মাদক কারবারির নাম উঠে এসেছে। তারা হলেন, ভাদিতলি এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী মার্বেল ও ছৈয়দুল আমিন। ঘটনার পরপরই তারা এলাকা ছেড়ে গা-ঢাকা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন সন্ধ্যায় একটি অটো-রিকশায় করে ইয়াবার বড় একটি চালান পাচার করা হচ্ছিল। বিষয়টি আগে থেকেই জানতে পারে অভিযুক্তরা। পরে তারা গাড়িটিকে ধাওয়া করে একটি গ্যারেজে নিয়ে যায়। সেখানে টমটম থামিয়ে ইয়াবা ভর্তি ব্যাগ ছিনতাই করে তারা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ব্যাগে থাকা চারটি প্যাকেটের মধ্যে তিনটি প্যাকেট মোহাম্মদ আলী মার্বেল ও ছৈয়দুল আমিন নিয়ে যায়। বাকি একটি প্যাকেট গ্যারেজে থাকা এক অটোচালক জোবাইর দ্রুত নিয়ে পালিয়ে যায়।

সূত্রের দাবি, ছিনতাইয়ের পর ইয়াবাগুলো নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয় অভিযুক্তরা। এর মধ্যে ছৈয়দুল আমিন প্রায় ১০ হাজার পিস এবং মোহাম্মদ আলী মার্বেল ২০ হাজার পিস ইয়াবা নিজেদের দখলে নেয় বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পুরো চালানে আনুমানিক ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ছিল।

ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তাদের কারণে সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে।

একাধিক বাসিন্দা জানান, প্রকাশ্যে এমন বড় একটি ইয়াবার চালান ছিনতাইয়ের ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ঘটনার পর থেকে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অভিযুক্তদের ধরতে তৎপরতা শুরু করেছে। তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখনো তাদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

উখিয়া থানার ওসি মুজিবুর রহমান জানান, মাদকবিরোধী অভিযানে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে এবং পলাতক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।