ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়ায় দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে পুড়লো আমজাদের ড্রাম ট্রাক জেলা পুলিশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নাইক্ষ্যংছড়ি বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন সাবেক চেয়ারম্যান তোফাইল কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব মগনামায় সরকারি খালে ৫৮টি অবৈধ বাঁধ ও জাল অপসারণ নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা : পাহাড়ধসের আশংকা সেন্টমার্টিনে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক মহেশখালী চ্যানেলে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই বালু উত্তোলন, ৫০ লাখ টাকা জরিমানা সমিতিপাড়ায় কিশোর সুকান্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি বেলাল গ্রেপ্তার কক্সবাজারে বাধ্যতামূলক মামলা পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন ২০২৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু নভেম্বরে : আয়োজক বাংলাদেশ দীর্ঘ ১৯ বছর আগেই নিষ্পত্তি হওয়া বিষয়কে ঘিরে নতুন অপপ্রচার: অধ্যক্ষের প্রতিবাদ উখিয়ায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর ৩ সদস্য আটক

উখিয়ায় টমটম থেকে ৪০ হাজার ইয়াবা ছিনতাই, গা-ঢাকা দুই কারবারির

উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে টমটম (অটো-রিকশা) থেকে প্রায় ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (১ মে) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে ভাদিতলি এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত হিসেবে স্থানীয় দুই মাদক কারবারির নাম উঠে এসেছে। তারা হলেন, ভাদিতলি এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী মার্বেল ও ছৈয়দুল আমিন। ঘটনার পরপরই তারা এলাকা ছেড়ে গা-ঢাকা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন সন্ধ্যায় একটি অটো-রিকশায় করে ইয়াবার বড় একটি চালান পাচার করা হচ্ছিল। বিষয়টি আগে থেকেই জানতে পারে অভিযুক্তরা। পরে তারা গাড়িটিকে ধাওয়া করে একটি গ্যারেজে নিয়ে যায়। সেখানে টমটম থামিয়ে ইয়াবা ভর্তি ব্যাগ ছিনতাই করে তারা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ব্যাগে থাকা চারটি প্যাকেটের মধ্যে তিনটি প্যাকেট মোহাম্মদ আলী মার্বেল ও ছৈয়দুল আমিন নিয়ে যায়। বাকি একটি প্যাকেট গ্যারেজে থাকা এক অটোচালক জোবাইর দ্রুত নিয়ে পালিয়ে যায়।

সূত্রের দাবি, ছিনতাইয়ের পর ইয়াবাগুলো নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয় অভিযুক্তরা। এর মধ্যে ছৈয়দুল আমিন প্রায় ১০ হাজার পিস এবং মোহাম্মদ আলী মার্বেল ২০ হাজার পিস ইয়াবা নিজেদের দখলে নেয় বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পুরো চালানে আনুমানিক ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ছিল।

ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তাদের কারণে সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে।

একাধিক বাসিন্দা জানান, প্রকাশ্যে এমন বড় একটি ইয়াবার চালান ছিনতাইয়ের ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ঘটনার পর থেকে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অভিযুক্তদের ধরতে তৎপরতা শুরু করেছে। তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখনো তাদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

উখিয়া থানার ওসি মুজিবুর রহমান জানান, মাদকবিরোধী অভিযানে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে এবং পলাতক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পেকুয়ায় দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে পুড়লো আমজাদের ড্রাম ট্রাক

উখিয়ায় টমটম থেকে ৪০ হাজার ইয়াবা ছিনতাই, গা-ঢাকা দুই কারবারির

আপডেট সময় : ০৮:৫৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে টমটম (অটো-রিকশা) থেকে প্রায় ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (১ মে) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে ভাদিতলি এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত হিসেবে স্থানীয় দুই মাদক কারবারির নাম উঠে এসেছে। তারা হলেন, ভাদিতলি এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী মার্বেল ও ছৈয়দুল আমিন। ঘটনার পরপরই তারা এলাকা ছেড়ে গা-ঢাকা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন সন্ধ্যায় একটি অটো-রিকশায় করে ইয়াবার বড় একটি চালান পাচার করা হচ্ছিল। বিষয়টি আগে থেকেই জানতে পারে অভিযুক্তরা। পরে তারা গাড়িটিকে ধাওয়া করে একটি গ্যারেজে নিয়ে যায়। সেখানে টমটম থামিয়ে ইয়াবা ভর্তি ব্যাগ ছিনতাই করে তারা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ব্যাগে থাকা চারটি প্যাকেটের মধ্যে তিনটি প্যাকেট মোহাম্মদ আলী মার্বেল ও ছৈয়দুল আমিন নিয়ে যায়। বাকি একটি প্যাকেট গ্যারেজে থাকা এক অটোচালক জোবাইর দ্রুত নিয়ে পালিয়ে যায়।

সূত্রের দাবি, ছিনতাইয়ের পর ইয়াবাগুলো নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয় অভিযুক্তরা। এর মধ্যে ছৈয়দুল আমিন প্রায় ১০ হাজার পিস এবং মোহাম্মদ আলী মার্বেল ২০ হাজার পিস ইয়াবা নিজেদের দখলে নেয় বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পুরো চালানে আনুমানিক ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ছিল।

ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তাদের কারণে সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে।

একাধিক বাসিন্দা জানান, প্রকাশ্যে এমন বড় একটি ইয়াবার চালান ছিনতাইয়ের ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ঘটনার পর থেকে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অভিযুক্তদের ধরতে তৎপরতা শুরু করেছে। তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখনো তাদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

উখিয়া থানার ওসি মুজিবুর রহমান জানান, মাদকবিরোধী অভিযানে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে এবং পলাতক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।