ঢাকা ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ আটক ২ পার্বত্য মন্ত্রী সা চিং প্রু জেরীর সাথে রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাত লোহাগাড়ার চরম্বায় বেশি দামে সার বিক্রি, ডিলারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা কক্সবাজার পর্যটন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটি’র আত্মপ্রকাশ, সোমবার মানববন্ধন অসম্ভবকে সম্ভব করার গল্প: অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টাইগারদের সমীহ জাগানিয়া অর্জন.. জামিনে মুক্তি পেলেন টেকনাফের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ টোল ইজারার কাগজে টেম্পারিংয়ের অভিযোগ, অতিরিক্ত টোল আদায়ে বিপাকে তিন ইউনিয়নের ব্যবসায়ীরা সমিতিপাড়ার সুকান্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি আরাফাত গ্রেফতার কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ : যাত্রী আহত বালিয়াড়ীতে সড়ক নির্মান বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাপার স্মারকলিপি চকরিয়ায় মিষ্টিতে “তেলাপোকা”, নানা অসংগতি : ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা অক্টোবরের মধ্যে চালু হবে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর: বিমানমন্ত্রী মিয়ানমারে বৌদ্ধ বিহারে বিমান হামলায় নিহত ১৪ রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, পেশাগত যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও বাড়ি ফেরা হলোনা গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাতের।

‎সোমবার(২৫ মে) কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে শাহীন বের হলে তাকে আবারো জেলা গোয়েন্দা শাখার(ডিবি) একটি টিম আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে ‎একটি সূত্র বলছে, লাখ টাকার বিনিময়ে একটি পক্ষ কারাগার থেকে নিরাপদে গর্জনিয়া পৌছে দেয়ার কথা ছিলো শাহীন ডাকাতকে।কিন্তু শেষ পর্যায়ে তাদের মধ্যে বনি বনা না হলে জেলা গোয়েন্দা শাখার ডিবি টিম শাহীন ডাকাত কারাগার থেকে জামিনের খবর পেয়ে তাকে ফের আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।

‎এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো: অহিদুর রহমান, টিটিএনকে জানান,শাহীন ডাকাতকে চকরিয়া থানার একটি ডাকাতি মামলায় চকরিয়া থানা পুলিশ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সহযোগিতায় আটক করেছে।


‎কক্সবাজারের রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকার এক আলোচিত অপরাধী শাহীন।
‎মাদক ও গরু চোরাচালান সিন্ডিকেটের প্রধান। যাকে স্থানীয়ভাবে “সীমান্তের ডন” বা “সীমান্তের ত্রাস” বলা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, মাদক এবং চোরাচালানসহ ডজনের বেশি মামলা রয়েছে।

‎স্থানীয় একটি সূত্র বলছে, চোরাচালান রোধে প্রতিবাদ করায় গত কয়েক বছরে অন্তত ১২টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ১৬ মার্চ গুলিতে নিহত হন থিমছড়ির আবু তালেব, ২২ এপ্রিল নিহত হন জাফর আলম ও তাঁর ছেলে সেলিম, ৮ মে খুন হন আবুল কাশেম। তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করায় ইউপি সদস্য মনিরুলের পা ভেঙে দেয় বাহিনীর সদস্যরা। প্রতিবন্ধী নুরুল আবছারও গুলিবিদ্ধ হন।

‎২০২৪ সালের ৩ জুন মাদক চোরাচালানে বাঁধা দিতে গিয়ে বিজিবির সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন শাহীন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড নেজাম উদ্দিন।

‎এছাড়া ২০২৫ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত একটি বড় যৌথ অভিযানে রামু উপজেলার গর্জনিয়া থেকে বিপুল অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎সোমবার জামিনে বেরুল ফের চকরিয়া থানার ডাকাতি মামলায় আটক হন গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাত।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পেকুয়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ আটক ২

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে

আপডেট সময় : ১২:২০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও বাড়ি ফেরা হলোনা গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাতের।

‎সোমবার(২৫ মে) কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে শাহীন বের হলে তাকে আবারো জেলা গোয়েন্দা শাখার(ডিবি) একটি টিম আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে ‎একটি সূত্র বলছে, লাখ টাকার বিনিময়ে একটি পক্ষ কারাগার থেকে নিরাপদে গর্জনিয়া পৌছে দেয়ার কথা ছিলো শাহীন ডাকাতকে।কিন্তু শেষ পর্যায়ে তাদের মধ্যে বনি বনা না হলে জেলা গোয়েন্দা শাখার ডিবি টিম শাহীন ডাকাত কারাগার থেকে জামিনের খবর পেয়ে তাকে ফের আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।

‎এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো: অহিদুর রহমান, টিটিএনকে জানান,শাহীন ডাকাতকে চকরিয়া থানার একটি ডাকাতি মামলায় চকরিয়া থানা পুলিশ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সহযোগিতায় আটক করেছে।


‎কক্সবাজারের রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকার এক আলোচিত অপরাধী শাহীন।
‎মাদক ও গরু চোরাচালান সিন্ডিকেটের প্রধান। যাকে স্থানীয়ভাবে “সীমান্তের ডন” বা “সীমান্তের ত্রাস” বলা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, মাদক এবং চোরাচালানসহ ডজনের বেশি মামলা রয়েছে।

‎স্থানীয় একটি সূত্র বলছে, চোরাচালান রোধে প্রতিবাদ করায় গত কয়েক বছরে অন্তত ১২টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ১৬ মার্চ গুলিতে নিহত হন থিমছড়ির আবু তালেব, ২২ এপ্রিল নিহত হন জাফর আলম ও তাঁর ছেলে সেলিম, ৮ মে খুন হন আবুল কাশেম। তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করায় ইউপি সদস্য মনিরুলের পা ভেঙে দেয় বাহিনীর সদস্যরা। প্রতিবন্ধী নুরুল আবছারও গুলিবিদ্ধ হন।

‎২০২৪ সালের ৩ জুন মাদক চোরাচালানে বাঁধা দিতে গিয়ে বিজিবির সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন শাহীন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড নেজাম উদ্দিন।

‎এছাড়া ২০২৫ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত একটি বড় যৌথ অভিযানে রামু উপজেলার গর্জনিয়া থেকে বিপুল অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎সোমবার জামিনে বেরুল ফের চকরিয়া থানার ডাকাতি মামলায় আটক হন গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাত।