ঢাকা ০৬:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মিয়ানমারের বিকট শব্দে কেঁপে উঠল টেকনাফের হ্নীলা-হোয়াইক্যং সীমান্ত সমুদ্রভ্রমণ থেকে অ’গ্নি’দ’গ্ধ দুঃস্বপ্ন, ১১ দিন পর দাদার কবরের পাশে মুক্তা মহেশখালীতে অস্ত্রসহ মালেককে আটকের দাবি পুলিশের “আহমদ গিয়াস থেকে যাবে, তাঁর না থাকা জুড়ে” রামুতে ৩ লাখ পিস ইয়াবাসহ নারী গ্রেফতার দেশে ৪ কোটি ১৬ লাখ মানুষ সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে না সাতকানিয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, বাসে আগুন, পুলিশের সাথে সংঘর্ষ বান্দরবানে তাবলিগি মারকাজ মসজিদের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, এমপি কক্সবাজার সদর থানার বিশেষ অভিযান: গ্রেফতার ১৮ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র-বিস্ফোরক মজুদের অভিযোগ, অভিযানের আবেদন কুতুবদিয়ায় অগ্নিকাণ্ড : ক্ষতিগ্রস্ত ৩৬ বসতবাড়ি সী-প্রিন্সেস হোটেলে আ গু ন, অল্পের জন্য ৩’শ পর্যটক পেলেন রক্ষা তিন দিন পর মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত বাহারছড়ার কৃষক রফিক টেকনাফে আগুনে পুড়ল আট কক্ষের ভাড়া বাসা নজরুল বর্ষ জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব ও বাংলাদেশ বেতারে তালিকাভুক্ত হওয়া শিল্পীদের সংবর্ধনা

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও বাড়ি ফেরা হলোনা গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাতের।
‎
‎সোমবার(২৫ মে) কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে শাহীন বের হলে তাকে আবারো জেলা গোয়েন্দা শাখার(ডিবি) একটি টিম আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।
‎
পরিচয় গোপন রাখার শর্তে ‎একটি সূত্র বলছে, লাখ টাকার বিনিময়ে একটি পক্ষ কারাগার থেকে নিরাপদে গর্জনিয়া পৌছে দেয়ার কথা ছিলো শাহীন ডাকাতকে।কিন্তু শেষ পর্যায়ে তাদের মধ্যে বনি বনা না হলে জেলা গোয়েন্দা শাখার ডিবি টিম শাহীন ডাকাত কারাগার থেকে জামিনের খবর পেয়ে তাকে ফের আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।
‎
‎এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো: অহিদুর রহমান, টিটিএনকে জানান,শাহীন ডাকাতকে চকরিয়া থানার একটি ডাকাতি মামলায় চকরিয়া থানা পুলিশ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সহযোগিতায় আটক করেছে।
‎
‎
‎কক্সবাজারের রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকার এক আলোচিত অপরাধী শাহীন।
‎মাদক ও গরু চোরাচালান সিন্ডিকেটের প্রধান। যাকে স্থানীয়ভাবে “সীমান্তের ডন” বা “সীমান্তের ত্রাস” বলা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, মাদক এবং চোরাচালানসহ ডজনের বেশি মামলা রয়েছে।
‎
‎স্থানীয় একটি সূত্র বলছে, চোরাচালান রোধে প্রতিবাদ করায় গত কয়েক বছরে অন্তত ১২টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ১৬ মার্চ গুলিতে নিহত হন থিমছড়ির আবু তালেব, ২২ এপ্রিল নিহত হন জাফর আলম ও তাঁর ছেলে সেলিম, ৮ মে খুন হন আবুল কাশেম। তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করায় ইউপি সদস্য মনিরুলের পা ভেঙে দেয় বাহিনীর সদস্যরা। প্রতিবন্ধী নুরুল আবছারও গুলিবিদ্ধ হন।
‎
‎২০২৪ সালের ৩ জুন মাদক চোরাচালানে বাঁধা দিতে গিয়ে বিজিবির সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন শাহীন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড নেজাম উদ্দিন।
‎
‎এছাড়া ২০২৫ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত একটি বড় যৌথ অভিযানে রামু উপজেলার গর্জনিয়া থেকে বিপুল অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎সোমবার জামিনে বেরুল ফের চকরিয়া থানার ডাকাতি মামলায় আটক হন গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাত।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়ানমারের বিকট শব্দে কেঁপে উঠল টেকনাফের হ্নীলা-হোয়াইক্যং সীমান্ত

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে

আপডেট সময় : ১২:২০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও বাড়ি ফেরা হলোনা গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাতের।
‎
‎সোমবার(২৫ মে) কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে শাহীন বের হলে তাকে আবারো জেলা গোয়েন্দা শাখার(ডিবি) একটি টিম আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।
‎
পরিচয় গোপন রাখার শর্তে ‎একটি সূত্র বলছে, লাখ টাকার বিনিময়ে একটি পক্ষ কারাগার থেকে নিরাপদে গর্জনিয়া পৌছে দেয়ার কথা ছিলো শাহীন ডাকাতকে।কিন্তু শেষ পর্যায়ে তাদের মধ্যে বনি বনা না হলে জেলা গোয়েন্দা শাখার ডিবি টিম শাহীন ডাকাত কারাগার থেকে জামিনের খবর পেয়ে তাকে ফের আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।
‎
‎এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো: অহিদুর রহমান, টিটিএনকে জানান,শাহীন ডাকাতকে চকরিয়া থানার একটি ডাকাতি মামলায় চকরিয়া থানা পুলিশ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সহযোগিতায় আটক করেছে।
‎
‎
‎কক্সবাজারের রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকার এক আলোচিত অপরাধী শাহীন।
‎মাদক ও গরু চোরাচালান সিন্ডিকেটের প্রধান। যাকে স্থানীয়ভাবে “সীমান্তের ডন” বা “সীমান্তের ত্রাস” বলা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, মাদক এবং চোরাচালানসহ ডজনের বেশি মামলা রয়েছে।
‎
‎স্থানীয় একটি সূত্র বলছে, চোরাচালান রোধে প্রতিবাদ করায় গত কয়েক বছরে অন্তত ১২টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ১৬ মার্চ গুলিতে নিহত হন থিমছড়ির আবু তালেব, ২২ এপ্রিল নিহত হন জাফর আলম ও তাঁর ছেলে সেলিম, ৮ মে খুন হন আবুল কাশেম। তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করায় ইউপি সদস্য মনিরুলের পা ভেঙে দেয় বাহিনীর সদস্যরা। প্রতিবন্ধী নুরুল আবছারও গুলিবিদ্ধ হন।
‎
‎২০২৪ সালের ৩ জুন মাদক চোরাচালানে বাঁধা দিতে গিয়ে বিজিবির সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন শাহীন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড নেজাম উদ্দিন।
‎
‎এছাড়া ২০২৫ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত একটি বড় যৌথ অভিযানে রামু উপজেলার গর্জনিয়া থেকে বিপুল অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎সোমবার জামিনে বেরুল ফের চকরিয়া থানার ডাকাতি মামলায় আটক হন গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাত।