ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়ায় উপকূলীয় প্যারাবন কেটে চলছে ঘের তৈরির মহোৎসব কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন টেকনাফে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবার মৃত্যু জুতা নিক্ষেপের ঘটনায় জিনিয়াসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলার আবেদন জেলা দলের গোলরক্ষক সাঈদী উপর হামলার প্রতিবাদে মহেশখালীতে মানববন্ধন স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ‍্যবাধকতা নেই: প্রতিমন্ত্রী গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল: আরও ৪০ জন গ্রেপ্তার আদানির বিকল ইউনিট সচল, দুপুরের মধ্যে বিদ্যুৎ পাবে বাংলাদেশ বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ঈদগাঁওয়ের ফিরুজ-মিফতাসহ নিহত ৩ লোহাগাড়া ট্রমা সেন্টার: চুক্তি শেষ, সেবা বন্ধ; দুর্ঘটনাহতদের ‘শেষ আশ্রয়’ এখন অচল ইয়াবা কারবারি ধরবে এআই ক্যামেরা! কক্সবাজার-বান্দরবানের ১১ পয়েন্ট নিয়ে পুলিশের নতুন পরিকল্পনা মেসির দুর্দান্ত গোল! কিন্তু… অবশেষে র‍্যাবের জালে রাসেল হত্যা মামলার আসামি শাহজাহান উখিয়া-টেকনাফের উপর থেকে মাদকের অপবাদ ঘুচানোর দাবী এমপি শাহজাহান চৌধুরীর কক্সবাজার প্রেসক্লাবে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় উখিয়া প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও বাড়ি ফেরা হলোনা গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাতের।

‎সোমবার(২৫ মে) কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে শাহীন বের হলে তাকে আবারো জেলা গোয়েন্দা শাখার(ডিবি) একটি টিম আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে ‎একটি সূত্র বলছে, লাখ টাকার বিনিময়ে একটি পক্ষ কারাগার থেকে নিরাপদে গর্জনিয়া পৌছে দেয়ার কথা ছিলো শাহীন ডাকাতকে।কিন্তু শেষ পর্যায়ে তাদের মধ্যে বনি বনা না হলে জেলা গোয়েন্দা শাখার ডিবি টিম শাহীন ডাকাত কারাগার থেকে জামিনের খবর পেয়ে তাকে ফের আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।

‎এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো: অহিদুর রহমান, টিটিএনকে জানান,শাহীন ডাকাতকে চকরিয়া থানার একটি ডাকাতি মামলায় চকরিয়া থানা পুলিশ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সহযোগিতায় আটক করেছে।


‎কক্সবাজারের রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকার এক আলোচিত অপরাধী শাহীন।
‎মাদক ও গরু চোরাচালান সিন্ডিকেটের প্রধান। যাকে স্থানীয়ভাবে “সীমান্তের ডন” বা “সীমান্তের ত্রাস” বলা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, মাদক এবং চোরাচালানসহ ডজনের বেশি মামলা রয়েছে।

‎স্থানীয় একটি সূত্র বলছে, চোরাচালান রোধে প্রতিবাদ করায় গত কয়েক বছরে অন্তত ১২টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ১৬ মার্চ গুলিতে নিহত হন থিমছড়ির আবু তালেব, ২২ এপ্রিল নিহত হন জাফর আলম ও তাঁর ছেলে সেলিম, ৮ মে খুন হন আবুল কাশেম। তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করায় ইউপি সদস্য মনিরুলের পা ভেঙে দেয় বাহিনীর সদস্যরা। প্রতিবন্ধী নুরুল আবছারও গুলিবিদ্ধ হন।

‎২০২৪ সালের ৩ জুন মাদক চোরাচালানে বাঁধা দিতে গিয়ে বিজিবির সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন শাহীন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড নেজাম উদ্দিন।

‎এছাড়া ২০২৫ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত একটি বড় যৌথ অভিযানে রামু উপজেলার গর্জনিয়া থেকে বিপুল অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎সোমবার জামিনে বেরুল ফের চকরিয়া থানার ডাকাতি মামলায় আটক হন গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাত।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পেকুয়ায় উপকূলীয় প্যারাবন কেটে চলছে ঘের তৈরির মহোৎসব

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে

আপডেট সময় : ১২:২০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও বাড়ি ফেরা হলোনা গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাতের।

‎সোমবার(২৫ মে) কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে শাহীন বের হলে তাকে আবারো জেলা গোয়েন্দা শাখার(ডিবি) একটি টিম আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে ‎একটি সূত্র বলছে, লাখ টাকার বিনিময়ে একটি পক্ষ কারাগার থেকে নিরাপদে গর্জনিয়া পৌছে দেয়ার কথা ছিলো শাহীন ডাকাতকে।কিন্তু শেষ পর্যায়ে তাদের মধ্যে বনি বনা না হলে জেলা গোয়েন্দা শাখার ডিবি টিম শাহীন ডাকাত কারাগার থেকে জামিনের খবর পেয়ে তাকে ফের আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।

‎এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো: অহিদুর রহমান, টিটিএনকে জানান,শাহীন ডাকাতকে চকরিয়া থানার একটি ডাকাতি মামলায় চকরিয়া থানা পুলিশ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সহযোগিতায় আটক করেছে।


‎কক্সবাজারের রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকার এক আলোচিত অপরাধী শাহীন।
‎মাদক ও গরু চোরাচালান সিন্ডিকেটের প্রধান। যাকে স্থানীয়ভাবে “সীমান্তের ডন” বা “সীমান্তের ত্রাস” বলা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, মাদক এবং চোরাচালানসহ ডজনের বেশি মামলা রয়েছে।

‎স্থানীয় একটি সূত্র বলছে, চোরাচালান রোধে প্রতিবাদ করায় গত কয়েক বছরে অন্তত ১২টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ১৬ মার্চ গুলিতে নিহত হন থিমছড়ির আবু তালেব, ২২ এপ্রিল নিহত হন জাফর আলম ও তাঁর ছেলে সেলিম, ৮ মে খুন হন আবুল কাশেম। তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করায় ইউপি সদস্য মনিরুলের পা ভেঙে দেয় বাহিনীর সদস্যরা। প্রতিবন্ধী নুরুল আবছারও গুলিবিদ্ধ হন।

‎২০২৪ সালের ৩ জুন মাদক চোরাচালানে বাঁধা দিতে গিয়ে বিজিবির সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন শাহীন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড নেজাম উদ্দিন।

‎এছাড়া ২০২৫ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত একটি বড় যৌথ অভিযানে রামু উপজেলার গর্জনিয়া থেকে বিপুল অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎সোমবার জামিনে বেরুল ফের চকরিয়া থানার ডাকাতি মামলায় আটক হন গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাত।