ঢাকা ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে পেকুয়ার কয়েক’শ বসতি রামুতে ​শ্রী শ্রী সার্বজনীন দূর্গা মন্দির দখলের অভিযোগ শহীদ জিয়া স্মৃতি গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে প্রবাসী কিংস চট্টগ্রাম চ্যাম্পিয়ন সেন্টমার্টিনে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি, নিত্যপণ্যের সংকটের শঙ্কা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ১০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ হাজার- আরসিপি উখিয়ায় জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শনে ইউএনও, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত ৪৫ আশ্রয়কেন্দ্র ফের পাহাড়ধস : দরিয়ানগরে নারীর মৃত্যু সোনাদিয়ায় পানির গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু রেললাইনে পানি, ঢাকা-কক্সবাজার রোডে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাতে মিশরের ঐতিহাসিক ম্যাচে প্রতিপক্ষ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল, অক্টোবরে ভোটগ্রহণ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল ইয়াবা দিয়ে উখিয়ায় সংগীতশিল্পী ও তার স্ত্রীকে ফাঁসানোর অভিযোগ মৃত্যুর বর্ষণ: কক্সবাজার-নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড়ধস ও পাহাড়ি ঢলে নিহত ১১

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও বাড়ি ফেরা হলোনা গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাতের।

‎সোমবার(২৫ মে) কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে শাহীন বের হলে তাকে আবারো জেলা গোয়েন্দা শাখার(ডিবি) একটি টিম আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে ‎একটি সূত্র বলছে, লাখ টাকার বিনিময়ে একটি পক্ষ কারাগার থেকে নিরাপদে গর্জনিয়া পৌছে দেয়ার কথা ছিলো শাহীন ডাকাতকে।কিন্তু শেষ পর্যায়ে তাদের মধ্যে বনি বনা না হলে জেলা গোয়েন্দা শাখার ডিবি টিম শাহীন ডাকাত কারাগার থেকে জামিনের খবর পেয়ে তাকে ফের আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।

‎এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো: অহিদুর রহমান, টিটিএনকে জানান,শাহীন ডাকাতকে চকরিয়া থানার একটি ডাকাতি মামলায় চকরিয়া থানা পুলিশ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সহযোগিতায় আটক করেছে।


‎কক্সবাজারের রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকার এক আলোচিত অপরাধী শাহীন।
‎মাদক ও গরু চোরাচালান সিন্ডিকেটের প্রধান। যাকে স্থানীয়ভাবে “সীমান্তের ডন” বা “সীমান্তের ত্রাস” বলা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, মাদক এবং চোরাচালানসহ ডজনের বেশি মামলা রয়েছে।

‎স্থানীয় একটি সূত্র বলছে, চোরাচালান রোধে প্রতিবাদ করায় গত কয়েক বছরে অন্তত ১২টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ১৬ মার্চ গুলিতে নিহত হন থিমছড়ির আবু তালেব, ২২ এপ্রিল নিহত হন জাফর আলম ও তাঁর ছেলে সেলিম, ৮ মে খুন হন আবুল কাশেম। তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করায় ইউপি সদস্য মনিরুলের পা ভেঙে দেয় বাহিনীর সদস্যরা। প্রতিবন্ধী নুরুল আবছারও গুলিবিদ্ধ হন।

‎২০২৪ সালের ৩ জুন মাদক চোরাচালানে বাঁধা দিতে গিয়ে বিজিবির সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন শাহীন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড নেজাম উদ্দিন।

‎এছাড়া ২০২৫ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত একটি বড় যৌথ অভিযানে রামু উপজেলার গর্জনিয়া থেকে বিপুল অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎সোমবার জামিনে বেরুল ফের চকরিয়া থানার ডাকাতি মামলায় আটক হন গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাত।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে পেকুয়ার কয়েক’শ বসতি

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও ঈদে বাড়ি ফেরা হলোনা শাহীন ডাকাতের:ফের আটক ডিবির হাতে

আপডেট সময় : ১২:২০:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

‎লাখ টাকার মিশনে নেমেও বাড়ি ফেরা হলোনা গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাতের।

‎সোমবার(২৫ মে) কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে শাহীন বের হলে তাকে আবারো জেলা গোয়েন্দা শাখার(ডিবি) একটি টিম আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে ‎একটি সূত্র বলছে, লাখ টাকার বিনিময়ে একটি পক্ষ কারাগার থেকে নিরাপদে গর্জনিয়া পৌছে দেয়ার কথা ছিলো শাহীন ডাকাতকে।কিন্তু শেষ পর্যায়ে তাদের মধ্যে বনি বনা না হলে জেলা গোয়েন্দা শাখার ডিবি টিম শাহীন ডাকাত কারাগার থেকে জামিনের খবর পেয়ে তাকে ফের আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পাঠিয়ে দেয়।

‎এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো: অহিদুর রহমান, টিটিএনকে জানান,শাহীন ডাকাতকে চকরিয়া থানার একটি ডাকাতি মামলায় চকরিয়া থানা পুলিশ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সহযোগিতায় আটক করেছে।


‎কক্সবাজারের রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকার এক আলোচিত অপরাধী শাহীন।
‎মাদক ও গরু চোরাচালান সিন্ডিকেটের প্রধান। যাকে স্থানীয়ভাবে “সীমান্তের ডন” বা “সীমান্তের ত্রাস” বলা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, মাদক এবং চোরাচালানসহ ডজনের বেশি মামলা রয়েছে।

‎স্থানীয় একটি সূত্র বলছে, চোরাচালান রোধে প্রতিবাদ করায় গত কয়েক বছরে অন্তত ১২টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ১৬ মার্চ গুলিতে নিহত হন থিমছড়ির আবু তালেব, ২২ এপ্রিল নিহত হন জাফর আলম ও তাঁর ছেলে সেলিম, ৮ মে খুন হন আবুল কাশেম। তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করায় ইউপি সদস্য মনিরুলের পা ভেঙে দেয় বাহিনীর সদস্যরা। প্রতিবন্ধী নুরুল আবছারও গুলিবিদ্ধ হন।

‎২০২৪ সালের ৩ জুন মাদক চোরাচালানে বাঁধা দিতে গিয়ে বিজিবির সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন শাহীন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড নেজাম উদ্দিন।

‎এছাড়া ২০২৫ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত একটি বড় যৌথ অভিযানে রামু উপজেলার গর্জনিয়া থেকে বিপুল অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎সোমবার জামিনে বেরুল ফের চকরিয়া থানার ডাকাতি মামলায় আটক হন গর্জনিয়ার আলোচিত শাহীন ডাকাত।