ঢাকা ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্ধুর সাথে ঘুরতে বেরিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণী সানুচিং তঞ্চঙ্গ্যার ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসেনি এক ঘন্টায়ও! মারাত্মক এক অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পেল বার্মিজ মার্কেট! দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পলাতক ৩০ আসামিকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নয়, সবাইকে বাংলাদেশি ভাবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ মাছ ধরার ট্রলারডুবি: ২ জেলের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ২ কক্সবাজার সরকারি কলেজ অ্যাকাউন্টিং ক্লাবের কমিটি : সভাপতি মুন্না, সম্পাদক রেজাউল সুমাইয়ার মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার আরিফ-সোহেল কে কারাগারে প্রেরণ উখিয়াকে ৩-২ গোলে হারিয়ে ফাইনালে চকরিয়া রাতে ইয়াবাসহ আটক, পরদিন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে আটক হওয়া ব্যক্তি হারলেও উখিয়া দলের যে দৃশ্য হৃদয় ছুঁয়েছে সবার কক্সবাজারে জেন্ডার সংবেদনশীলতা বিষয়ে দিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু রামুতে ভোক্তা অধিকার অভিযান : ২৭ হাজার টাকা জরিমানা

ভারী বৃষ্টির কারণে ১৬ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত: ইউএনএইচসিআর

 ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কারণে কক্সবাজার জেলা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির কারণে ১৬ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সংস্থাটি এ তথ্য জানিয়েছে।

বিশেষ করে পার্বত্য এলাকায় শরণার্থী ক্যাম্পে ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি আছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) তথ্য অনুসারে, এই অবস্থা আগামী ৪৮ ঘণ্টা ধরে অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরের জন্য স্থানীয়ভাবে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত বলবৎ রয়েছে। অন্যদিকে বিএমডি চট্টগ্রাম বিভাগজুড়ে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে।

ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গা কো-অর্ডিনেশন প্ল্যাটফর্ম (আরসিপি) ডেইলি ইনসিডেন্টস ড্যাশবোর্ড রিপোর্ট অনুসারে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে টানা ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে গত ৪ থেকে ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। প্রায় ১৫ হাজার ৮১৩ জন ক্ষতিগ্রস্ত এবং ৩ হাজার ১৮২ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এ সময়ে ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে, এর মধ্যে ৫২টি ভূমিধস, ১৪টি বন্যা এবং ৮৩টি ঝড়ের ঘটনা রয়েছে। ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয় আংশিক এবং ১০টি আশ্রয় সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মানবিক সংস্থাগুলো জরুরি উদ্ধার, আশ্রয়, খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। তবে আগামী ৪৮ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস থাকায় নতুন করে ভূমিধস ও বন্যার ঝুঁকি রয়েই গেছে।

কক্সবাজারের বিএমডি আবহাওয়া স্টেশন অনুসারে, ৭ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা অতিরিক্ত ভূমিধস এবং স্থানীয় বন্যার ঝুঁকি বাড়িয়েছে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্ধুর সাথে ঘুরতে বেরিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণী সানুচিং তঞ্চঙ্গ্যার

ভারী বৃষ্টির কারণে ১৬ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত: ইউএনএইচসিআর

আপডেট সময় : ১২:২৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
 ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কারণে কক্সবাজার জেলা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির কারণে ১৬ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সংস্থাটি এ তথ্য জানিয়েছে।

বিশেষ করে পার্বত্য এলাকায় শরণার্থী ক্যাম্পে ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি আছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) তথ্য অনুসারে, এই অবস্থা আগামী ৪৮ ঘণ্টা ধরে অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরের জন্য স্থানীয়ভাবে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত বলবৎ রয়েছে। অন্যদিকে বিএমডি চট্টগ্রাম বিভাগজুড়ে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে।

ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গা কো-অর্ডিনেশন প্ল্যাটফর্ম (আরসিপি) ডেইলি ইনসিডেন্টস ড্যাশবোর্ড রিপোর্ট অনুসারে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে টানা ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে গত ৪ থেকে ৭ জুলাই সকাল পর্যন্ত অন্তত ১০ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। প্রায় ১৫ হাজার ৮১৩ জন ক্ষতিগ্রস্ত এবং ৩ হাজার ১৮২ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এ সময়ে ১৬০টি দুর্যোগজনিত ঘটনা ঘটেছে, এর মধ্যে ৫২টি ভূমিধস, ১৪টি বন্যা এবং ৮৩টি ঝড়ের ঘটনা রয়েছে। ১ হাজার ৬১৪টি আশ্রয় আংশিক এবং ১০টি আশ্রয় সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মানবিক সংস্থাগুলো জরুরি উদ্ধার, আশ্রয়, খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। তবে আগামী ৪৮ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস থাকায় নতুন করে ভূমিধস ও বন্যার ঝুঁকি রয়েই গেছে।

কক্সবাজারের বিএমডি আবহাওয়া স্টেশন অনুসারে, ৭ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা অতিরিক্ত ভূমিধস এবং স্থানীয় বন্যার ঝুঁকি বাড়িয়েছে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক