ঢাকা ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১ কোটি ২০ লক্ষ টাকার ইয়াবাসহ মরিচ্যায় ২ পাচারকারী আটক সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে জেইউসি’র আলোচনা সভা ​গুরুতর রোগে আক্রান্ত রুমালিয়াছড়ার সৈয়দ আলম: টাকার অভাবে আটকে আছে চিকিৎসা, বাঁচতে চান তিনি টেকনাফে ব্যবসায়ীকে আইনশৃংখলা বাহিনী পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ মাতারবাড়িতে ব্যবসায়ির মোবাইল চুরি, চুরি করা মোবাইল নিয়ে অনলাইন ব্ল্যাক মেইলিংয়ের অভিযোগ মাতারবাড়ী প্রকল্পে শত কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতির অভিযোগ, হাইকোর্টে রিট নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর ঈদগাঁও নদীতে মিলল পল্লব দে’র মরদেহ মহেশখালীতে মাইকিং করে বনকর্মীদের উপর হামলা: আহত একাধিক আর্জেন্টিনাকে ‘কাঁদানো’ রেনার্ড আবার আসছেন বিশ্বকাপে চিত্রচিন্তার প্রথম জাতীয় আলোকচিত্র উৎসব সফলভাবে সমাপ্ত পরিবার বলছে বলাৎকার করে হ’ত্যা : চকরিয়ায় নিখোঁজের একদিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার, আটক ৩ রামুতে গোয়ালঘরের ময়লার স্তূপ থেকে অস্ত্র উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে সৌদিতে দেখা গেছে মুহাররমের চাঁদ, শুরু হলো ১৪৪৮ হিজরি নেইমারকে নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল ব্রাজিল

পল্লবীতে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ আইনমন্ত্রীর

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

আজ বৃহস্পতিবার ডিএমপি কমিশনারকে আইনমন্ত্রী এই নির্দেশ দেন বলে আইন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

আইন মন্ত্রণালয়ের একই কর্মকর্তা বলেন, আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নৃশংস ঘটনার বিচারকাজ সম্পন্ন করতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ঘটনার মূল আসামি সোহেল রানা (৩৪) গতকাল বুধবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি বলেছেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। অপরাধ গোপন ও মরদেহ সরিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে তিনি লাশ খণ্ডবিখণ্ড করার চেষ্টা করেছিল।

জবানবন্দি শেষে আদালত সোহেল রানাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই ঘটনায় সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সোহেল রানাকে গতকাল বুধবার ঢাকার আদালতে হাজির করা হয়। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন
সোহেল রানাকে গতকাল বুধবার ঢাকার আদালতে হাজির করা হয়। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেনছবি: প্রথম আলো

গত মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর একটি বাড়ির তিনতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর জানালার গ্রিল ভেঙে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার এজাহারে শিশুটির বাবা উল্লেখ করেন, তাঁর ধারণা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

১ কোটি ২০ লক্ষ টাকার ইয়াবাসহ মরিচ্যায় ২ পাচারকারী আটক

পল্লবীতে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ আইনমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০১:১২:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

আজ বৃহস্পতিবার ডিএমপি কমিশনারকে আইনমন্ত্রী এই নির্দেশ দেন বলে আইন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

আইন মন্ত্রণালয়ের একই কর্মকর্তা বলেন, আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নৃশংস ঘটনার বিচারকাজ সম্পন্ন করতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ঘটনার মূল আসামি সোহেল রানা (৩৪) গতকাল বুধবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি বলেছেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। অপরাধ গোপন ও মরদেহ সরিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে তিনি লাশ খণ্ডবিখণ্ড করার চেষ্টা করেছিল।

জবানবন্দি শেষে আদালত সোহেল রানাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই ঘটনায় সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সোহেল রানাকে গতকাল বুধবার ঢাকার আদালতে হাজির করা হয়। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন
সোহেল রানাকে গতকাল বুধবার ঢাকার আদালতে হাজির করা হয়। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেনছবি: প্রথম আলো

গত মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর একটি বাড়ির তিনতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর জানালার গ্রিল ভেঙে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার এজাহারে শিশুটির বাবা উল্লেখ করেন, তাঁর ধারণা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো