ঢাকা ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শারদীয় দূর্গোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনে সর্বদলীয় মতবিনিময় সভা প্রকাশিত সংবাদের ব্যাপারে রামু সরকারি কলেজের সহকারি অধ্যাপক শহীদুল হক কাজলের বক্তব্য কুতুবদিয়ায় বিসিবির বয়সভিত্তিক ক্রিকেটার বাছাই, দুই শতাধিক খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ মানবসেবার তিন দশক: কক্সবাজার সদরের শ্রেষ্ঠ সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক চৌফলদন্ডির হালিমা বেগম লবণসহিষ্ণু জাতে সাফল্য, কক্সবাজারের লবণ মাঠে হচ্ছে ধান চাষ বারবাকিয়ায় ১১ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও, এলাকাজুড়ে স্বস্তি পুণরায় ফুটপাত দখল করলে আইনের আওতায় আনা হবে:ইউএনও চকরিয়া লোহাগাড়ায় নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশোভন আচরণ, যুবক আটক বিশ্ব মান দিবসের আলোচনা সভা, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার আহবান উখিয়ায় খালে ড্রেজার মেশিন দিয়ে কোটি টাকার বালু উত্তোলন, ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ, নিরব ভূমিকায় প্রশাসন খুনিয়াপালংয়ে বালু উত্তোলন : ড্রেজার ও পাইপ জব্দ কক্সবাজার–মহেশখালী নৌপথে সি-ট্রাকের ভাড়া পুনর্নির্ধারণ, সর্বনিম্ন ৩৫ টাকা মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সমুদ্রবন্দর পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস, থামবে যেসব স্টেশনে লামায় স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ ৩ কিশোরী, তিন দিনেও মেলেনি সন্ধান

চকরিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলন: অর্থদণ্ড, বালু ও সরঞ্জাম জব্দ

চকরিয়া উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে একজনকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে, বিপুল পরিমাণ অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু জব্দ করা হয়েছে এবং ড্রেজারসহ নানা সরঞ্জাম অকেজো করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১ মার্চ) উত্তর হারবাং এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. মোরশেদ আলম মানিক নামের এক ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়। এ সময় বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত দুটি মেশিন জব্দ করা হয় এবং পাইপলাইন অকেজো করে দেয়া হয়।

এর আগে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) চকরিয়া পৌরসভার আমাইন্যার চর এলাকায় পৃথক অভিযানে দুটি স্পটে আনুমানিক আড়াই লাখ ঘনফুট অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত দুটি বড় ড্রেজার ও বড় পাইপলাইন অকেজো করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, জব্দ করা বালু সোমবার (২ মার্চ) জব্দকৃত স্থানেই উন্মুক্তভাবে নিলাম করা হবে।

অভিযান পরিচালনাকারী চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপায়ন দেব বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে। তিনি আরও বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনে যদি কোনো ভূমির মালিক ভূমি ব্যবহারের সুযোগ করে দেন, তবে দাগ ও খতিয়ান অনুযায়ী যিনি ওই জমির মালিক, তাঁর বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদী ও আশপাশের পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে পরিবেশ রক্ষা এবং ভূমি সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তাঁরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শারদীয় দূর্গোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনে সর্বদলীয় মতবিনিময় সভা

চকরিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলন: অর্থদণ্ড, বালু ও সরঞ্জাম জব্দ

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

চকরিয়া উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে একজনকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে, বিপুল পরিমাণ অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু জব্দ করা হয়েছে এবং ড্রেজারসহ নানা সরঞ্জাম অকেজো করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১ মার্চ) উত্তর হারবাং এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. মোরশেদ আলম মানিক নামের এক ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়। এ সময় বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত দুটি মেশিন জব্দ করা হয় এবং পাইপলাইন অকেজো করে দেয়া হয়।

এর আগে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) চকরিয়া পৌরসভার আমাইন্যার চর এলাকায় পৃথক অভিযানে দুটি স্পটে আনুমানিক আড়াই লাখ ঘনফুট অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত দুটি বড় ড্রেজার ও বড় পাইপলাইন অকেজো করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, জব্দ করা বালু সোমবার (২ মার্চ) জব্দকৃত স্থানেই উন্মুক্তভাবে নিলাম করা হবে।

অভিযান পরিচালনাকারী চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপায়ন দেব বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে। তিনি আরও বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনে যদি কোনো ভূমির মালিক ভূমি ব্যবহারের সুযোগ করে দেন, তবে দাগ ও খতিয়ান অনুযায়ী যিনি ওই জমির মালিক, তাঁর বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদী ও আশপাশের পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে পরিবেশ রক্ষা এবং ভূমি সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তাঁরা।