আমি রিনা আকতার, টেকনাফ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের নাইট্যংপাড়ার বাসিন্দা জাহেদ আলমের স্ত্রী। অত্যান্ত ভারাক্রান্ত ও ব্যাকুল হৃদয়ে এক চরম অন্যায়ের বিচার চাইতে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।
আমার স্বামী জাহেদ আলম (৩৬)-পিতা: সোনা মিয়া, মাতা: ফাতেমা, একজন সম্মানিত ও সুপরিচিত পরিবারের সন্তান। তিনি ১নং ওয়ার্ডের সাবেক দুই কাউন্সিলর যথাক্রমে হাজী ইউনুছ ও (সাবেক কাউন্সিলর) কক্সবাজার জেলা বিএনপির সদস্য শাহ আলম এর ছোট ভাই। তিনি বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষে ১নং ওয়ার্ড কেন্দ্রের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
ঘটনার প্রকৃত বিবরণ:
গতকাল (রাত ২টায়) কোস্টগার্ড বাহিনীর একটি টিম একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও অন্যান্য দ্রব্য উদ্ধার করে। ভাড়াটিয়ার বাসা থেকে এসব উদ্ধার হলেও কোস্টগার্ড সদস্যরা পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী আমাদের বাসায় আসেন এবং আমার স্বামীকে ‘কথা আছে’ বলে ডেকে ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে নিয়ে যান।
আমি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় ও দৃঢ়তার সাথে জানাচ্ছি- আমাদের নিজস্ব বসতবাড়ি থেকে কোনো প্রকার মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি বা পাওয়া যায়নি।
আমার বক্তব্য ও অভিযোগ:
১. পাশের ভাড়াটিয়ার কৃত অপরাধ বা কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডের দায় কেন সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে আমার স্বামীর ওপর চাপানো হবে?
২. সামনে স্থানীয় পৌরসভা নির্বাচন। আমার স্বামীর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা নির্বাচনী মাঠ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই ষড়যন্ত্রের জাল বিছিয়েছে।
৩. স্থানীয় এক প্রভাবশালী কু-চক্রী মহল প্রশাসনের কিছু অসৎ কর্মকর্তাকে ভুল বুঝিয়ে ও অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে এই সাজানো ঘটনার মাধ্যমে আমার স্বামীকে আসামি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
আমি একজন নারী ও স্ত্রী হিসেবে প্রশাসনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলছি-কোনো নির্দোষ মানুষকে এভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ষড়যন্ত্রের শিকার বানিয়ে তার জীবন ধ্বংস করবেন না।
প্রশাসনের নিকট আমার আকুল আবেদন:
আমি স্থানীয় প্রশাসন, কোস্টগার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মী ভাইদের কাছে করজোড়ে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি- আপনারা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদ্ঘাটন করুন। আমার নির্দোষ স্বামীকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে দ্রুত সসম্মানে মুক্তির ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানাচ্ছি।
বিবৃতি প্রদানকারী-
রিনা আকতার
(জাহেদ আলমের স্ত্রী)
নাইট্যং পাড়া, ১নং ওয়ার্ড, টেকনাফ পৌরসভা, কক্সবাজার।
বার্তা পরিবেশক 























