ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব মগনামায় সরকারি খালে ৫৮টি অবৈধ বাঁধ ও জাল অপসারণ নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা : পাহাড়ধসের আশংকা সেন্টমার্টিনে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক মহেশখালী চ্যানেলে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই বালু উত্তোলন, ৫০ লাখ টাকা জরিমানা সমিতিপাড়ায় কিশোর সুকান্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি বেলাল গ্রেপ্তার কক্সবাজারে বাধ্যতামূলক মামলা পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন ২০২৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু নভেম্বরে : আয়োজক বাংলাদেশ দীর্ঘ ১৯ বছর আগেই নিষ্পত্তি হওয়া বিষয়কে ঘিরে নতুন অপপ্রচার: অধ্যক্ষের প্রতিবাদ উখিয়ায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর ৩ সদস্য আটক মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি হচ্ছেন মোজাফফর অতিরিক্ত প্রোটিন কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর? সেই ‘কালো দুপুরের’ এক বছর আজ

যাবজ্জীবনের সাজা মাথায় নিয়ে আত্মগোপন, অবশেষে ধরা

মাদক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। ছদ্মবেশে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান বদল করে চললেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা হয়নি। কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার কে কে পাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত মাদক কারবারি ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জামাল উদ্দিন ওরফে জামাল হোসেন ওরফে ‘লেডু’কে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১৫।

বুধবার (৩ জুন) ভোররাত পৌনে ৪টার দিকে টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কে কে পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জামাল উদ্দিন ওরফে লেডু টেকনাফ পৌরসভার কে কে পাড়া এলাকার মৃত আমির মোহাম্মদ সওদাগরের ছেলে।

বুধবার (৩ জুন) দুপুরে র‌্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব-১৫ জানিয়েছে, মাদক মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি লেডু নিজ এলাকায় অবস্থান করছেন বলে তথ্য পাওয়া যায়। এরপর বুধবার ভোর রাতে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল কে কে পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে অবরুদ্ধ করে গ্রেপ্তার করে।

র‌্যাব আরও জানায়, জামাল উদ্দিন ওরফে লেডুর বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় ২০২২ সালে দায়ের করা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলা বিচারাধীন ছিল। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। একই সঙ্গে অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। রায়ের পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে বিভিন্ন এলাকায় ছদ্মবেশে অবস্থান করলেও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত করে র‌্যাব।

র‌্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক নিশ্চিত করেছেন, গ্রেপ্তার আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব

যাবজ্জীবনের সাজা মাথায় নিয়ে আত্মগোপন, অবশেষে ধরা

আপডেট সময় : ১২:৫৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

মাদক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। ছদ্মবেশে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান বদল করে চললেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা হয়নি। কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার কে কে পাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত মাদক কারবারি ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জামাল উদ্দিন ওরফে জামাল হোসেন ওরফে ‘লেডু’কে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১৫।

বুধবার (৩ জুন) ভোররাত পৌনে ৪টার দিকে টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কে কে পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জামাল উদ্দিন ওরফে লেডু টেকনাফ পৌরসভার কে কে পাড়া এলাকার মৃত আমির মোহাম্মদ সওদাগরের ছেলে।

বুধবার (৩ জুন) দুপুরে র‌্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব-১৫ জানিয়েছে, মাদক মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি লেডু নিজ এলাকায় অবস্থান করছেন বলে তথ্য পাওয়া যায়। এরপর বুধবার ভোর রাতে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল কে কে পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে অবরুদ্ধ করে গ্রেপ্তার করে।

র‌্যাব আরও জানায়, জামাল উদ্দিন ওরফে লেডুর বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় ২০২২ সালে দায়ের করা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলা বিচারাধীন ছিল। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। একই সঙ্গে অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। রায়ের পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে বিভিন্ন এলাকায় ছদ্মবেশে অবস্থান করলেও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত করে র‌্যাব।

র‌্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক নিশ্চিত করেছেন, গ্রেপ্তার আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।