ঢাকা ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করতে গিয়ে খবর আসে স্বামীর লাশ পড়ে আছে বাসায় কক্সবাজারসহ তিন জেলায় বুধবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে পেকুয়ার কয়েক’শ বসতি রামুতে ​শ্রী শ্রী সার্বজনীন দূর্গা মন্দির দখলের অভিযোগ শহীদ জিয়া স্মৃতি গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে প্রবাসী কিংস চট্টগ্রাম চ্যাম্পিয়ন সেন্টমার্টিনে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি, নিত্যপণ্যের সংকটের শঙ্কা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ১০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ হাজার- আরসিপি উখিয়ায় জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শনে ইউএনও, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত ৪৫ আশ্রয়কেন্দ্র ফের পাহাড়ধস : দরিয়ানগরে নারীর মৃত্যু সোনাদিয়ায় পানির গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু রেললাইনে পানি, ঢাকা-কক্সবাজার রোডে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাতে মিশরের ঐতিহাসিক ম্যাচে প্রতিপক্ষ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল, অক্টোবরে ভোটগ্রহণ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল

আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি ঘটনায় অভিযুক্ত শীর্ষ মানবপাচারকারী শাকের মাঝি আটক

আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের গভীর সাগরে ট্রলারডুবির ঘটনায় অভিযুক্ত টেকনাফের সাবরাং এলাকার শীর্ষ মানবপাচারকারী শাকের মিয়া ওরফে শাকের মাঝি (৪২)কে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৩ মে) বিকালে সাবরাং ইউনিয়নের মুন্ডার ডেইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটক শাকের মাঝি ওই এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং কবির আহমদের ছেলে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এক ঘণ্টাব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়।

তিনি বলেন, শাকের মাঝি টেকনাফের অন্যতম শীর্ষ মানবপাচারকারী। গত ৯ এপ্রিল আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবির ঘটনায় মানবপাচারের মূল হোতা হিসেবে এলাকায় তার বিরুদ্ধে ব্যাপক জনশ্রুতি রয়েছে।

ওসি আরও জানান, আটক শাকের মাঝির বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় মানবপাচার, মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালানসহ মোট ১১টি মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

গত ৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম থেকে ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রাকালে বাংলাদেশি পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজ ‘এমটি মেঘনা প্রাইড’ আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের নিকটবর্তী গভীর সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় ৯ জন বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নারী-পুরুষকে উদ্ধার করে। তারা পানির ড্রাম ও কাঠের টুকরো আঁকড়ে ধরে প্রাণে বেঁচে ছিলেন। পরে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং পরবর্তীতে টেকনাফ মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়।

উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে ৬ জন বাংলাদেশি ও ৩ জন রোহিঙ্গা নাগরিক রয়েছেন। বাংলাদেশিরা হলেন কক্সবাজার সদরের সমিতিপাড়ার মো. হামিদ (৩৩), নুনিয়ারছড়ার মো. আকবর (৩২), চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের মায়ানী খোনারপাড়ার মো. মহিউদ্দিন হৃদয় (৪২), টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের বড় ডেইলের মো. তোফাইল (২৭), হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লাতুরিঘোনার মো. সোহান উদ্দিন (৩২) এবং টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ছোট হাবির পাড়ার মো. সৈয়দ আলম (২৭)। এছাড়া উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গারা হলেন উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পের মো. রফিকুল ইসলাম (২৪), রাহেলা বেগম (২৫) ও মো. ইমরান (১৭)।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করতে গিয়ে খবর আসে স্বামীর লাশ পড়ে আছে বাসায়

আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি ঘটনায় অভিযুক্ত শীর্ষ মানবপাচারকারী শাকের মাঝি আটক

আপডেট সময় : ০৯:০৭:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের গভীর সাগরে ট্রলারডুবির ঘটনায় অভিযুক্ত টেকনাফের সাবরাং এলাকার শীর্ষ মানবপাচারকারী শাকের মিয়া ওরফে শাকের মাঝি (৪২)কে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৩ মে) বিকালে সাবরাং ইউনিয়নের মুন্ডার ডেইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটক শাকের মাঝি ওই এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং কবির আহমদের ছেলে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এক ঘণ্টাব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়।

তিনি বলেন, শাকের মাঝি টেকনাফের অন্যতম শীর্ষ মানবপাচারকারী। গত ৯ এপ্রিল আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবির ঘটনায় মানবপাচারের মূল হোতা হিসেবে এলাকায় তার বিরুদ্ধে ব্যাপক জনশ্রুতি রয়েছে।

ওসি আরও জানান, আটক শাকের মাঝির বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় মানবপাচার, মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালানসহ মোট ১১টি মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

গত ৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম থেকে ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রাকালে বাংলাদেশি পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজ ‘এমটি মেঘনা প্রাইড’ আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের নিকটবর্তী গভীর সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় ৯ জন বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নারী-পুরুষকে উদ্ধার করে। তারা পানির ড্রাম ও কাঠের টুকরো আঁকড়ে ধরে প্রাণে বেঁচে ছিলেন। পরে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং পরবর্তীতে টেকনাফ মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়।

উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে ৬ জন বাংলাদেশি ও ৩ জন রোহিঙ্গা নাগরিক রয়েছেন। বাংলাদেশিরা হলেন কক্সবাজার সদরের সমিতিপাড়ার মো. হামিদ (৩৩), নুনিয়ারছড়ার মো. আকবর (৩২), চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের মায়ানী খোনারপাড়ার মো. মহিউদ্দিন হৃদয় (৪২), টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের বড় ডেইলের মো. তোফাইল (২৭), হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লাতুরিঘোনার মো. সোহান উদ্দিন (৩২) এবং টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ছোট হাবির পাড়ার মো. সৈয়দ আলম (২৭)। এছাড়া উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গারা হলেন উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পের মো. রফিকুল ইসলাম (২৪), রাহেলা বেগম (২৫) ও মো. ইমরান (১৭)।