ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদক ব্যবসায়ীদের তথ্য দিন পরিচয় গোপন রাখা হবে প্লট দখল নিয়ে প্রোপাগাণ্ডার বিরুদ্ধে সাংবাদিক ছফওয়ানের বিবৃতি, আইনি ব্যবস্থার হুশিয়ারি লোহাগাড়ায় ভোররাতে ডাকাতি, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১৮ লাখ টাকার স্বর্ণ-টাকা ও মালামাল লুট গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন মুহিববুল্লাহ সৌদিয়া হোটেল থেকে হানিফ মিয়ার মরদেহ উদ্ধার ‘সৌরবিদ্যুতে চার্জ না দিলে মিলবে না ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন’ তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত : দীনেশ ত্রিবেদী শেখ হাসিনা কোন স্ট্যাটাসে ভারতে, জানে না বাংলাদেশ: চিফ প্রসিকিউটর বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপ, ৪ বিভাগে ভারি বর্ষণের আভাস ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চালু হচ্ছে ৭ শতাধিক এআই ক্যামেরা হ্নীলার নুরুল হুদা মেম্বারের সাড়ে তিন বছর কারাদণ্ড : ৫ কোটি ৩৬ লাখ ৮২ হাজার টাকার অর্থদণ্ড শহরে বন্দুকসহ গ্রেফতার ২ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্ত্রী ও সন্তানকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত স্বামী ঢাকায় গ্রেফতার নতুন বাহারছড়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইস্কান্দার মির্জা আর নেই শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানো হবে কি না, ঠিক করবে ভারতের আদালত: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি ঘটনায় অভিযুক্ত শীর্ষ মানবপাচারকারী শাকের মাঝি আটক

আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের গভীর সাগরে ট্রলারডুবির ঘটনায় অভিযুক্ত টেকনাফের সাবরাং এলাকার শীর্ষ মানবপাচারকারী শাকের মিয়া ওরফে শাকের মাঝি (৪২)কে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৩ মে) বিকালে সাবরাং ইউনিয়নের মুন্ডার ডেইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটক শাকের মাঝি ওই এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং কবির আহমদের ছেলে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এক ঘণ্টাব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়।

তিনি বলেন, শাকের মাঝি টেকনাফের অন্যতম শীর্ষ মানবপাচারকারী। গত ৯ এপ্রিল আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবির ঘটনায় মানবপাচারের মূল হোতা হিসেবে এলাকায় তার বিরুদ্ধে ব্যাপক জনশ্রুতি রয়েছে।

ওসি আরও জানান, আটক শাকের মাঝির বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় মানবপাচার, মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালানসহ মোট ১১টি মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

গত ৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম থেকে ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রাকালে বাংলাদেশি পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজ ‘এমটি মেঘনা প্রাইড’ আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের নিকটবর্তী গভীর সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় ৯ জন বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নারী-পুরুষকে উদ্ধার করে। তারা পানির ড্রাম ও কাঠের টুকরো আঁকড়ে ধরে প্রাণে বেঁচে ছিলেন। পরে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং পরবর্তীতে টেকনাফ মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়।

উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে ৬ জন বাংলাদেশি ও ৩ জন রোহিঙ্গা নাগরিক রয়েছেন। বাংলাদেশিরা হলেন কক্সবাজার সদরের সমিতিপাড়ার মো. হামিদ (৩৩), নুনিয়ারছড়ার মো. আকবর (৩২), চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের মায়ানী খোনারপাড়ার মো. মহিউদ্দিন হৃদয় (৪২), টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের বড় ডেইলের মো. তোফাইল (২৭), হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লাতুরিঘোনার মো. সোহান উদ্দিন (৩২) এবং টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ছোট হাবির পাড়ার মো. সৈয়দ আলম (২৭)। এছাড়া উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গারা হলেন উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পের মো. রফিকুল ইসলাম (২৪), রাহেলা বেগম (২৫) ও মো. ইমরান (১৭)।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাদক ব্যবসায়ীদের তথ্য দিন পরিচয় গোপন রাখা হবে

আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি ঘটনায় অভিযুক্ত শীর্ষ মানবপাচারকারী শাকের মাঝি আটক

আপডেট সময় : ০৯:০৭:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের গভীর সাগরে ট্রলারডুবির ঘটনায় অভিযুক্ত টেকনাফের সাবরাং এলাকার শীর্ষ মানবপাচারকারী শাকের মিয়া ওরফে শাকের মাঝি (৪২)কে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৩ মে) বিকালে সাবরাং ইউনিয়নের মুন্ডার ডেইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটক শাকের মাঝি ওই এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং কবির আহমদের ছেলে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এক ঘণ্টাব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়।

তিনি বলেন, শাকের মাঝি টেকনাফের অন্যতম শীর্ষ মানবপাচারকারী। গত ৯ এপ্রিল আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবির ঘটনায় মানবপাচারের মূল হোতা হিসেবে এলাকায় তার বিরুদ্ধে ব্যাপক জনশ্রুতি রয়েছে।

ওসি আরও জানান, আটক শাকের মাঝির বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় মানবপাচার, মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালানসহ মোট ১১টি মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

গত ৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম থেকে ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রাকালে বাংলাদেশি পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজ ‘এমটি মেঘনা প্রাইড’ আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের নিকটবর্তী গভীর সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় ৯ জন বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নারী-পুরুষকে উদ্ধার করে। তারা পানির ড্রাম ও কাঠের টুকরো আঁকড়ে ধরে প্রাণে বেঁচে ছিলেন। পরে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং পরবর্তীতে টেকনাফ মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়।

উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে ৬ জন বাংলাদেশি ও ৩ জন রোহিঙ্গা নাগরিক রয়েছেন। বাংলাদেশিরা হলেন কক্সবাজার সদরের সমিতিপাড়ার মো. হামিদ (৩৩), নুনিয়ারছড়ার মো. আকবর (৩২), চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের মায়ানী খোনারপাড়ার মো. মহিউদ্দিন হৃদয় (৪২), টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের বড় ডেইলের মো. তোফাইল (২৭), হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লাতুরিঘোনার মো. সোহান উদ্দিন (৩২) এবং টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ছোট হাবির পাড়ার মো. সৈয়দ আলম (২৭)। এছাড়া উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গারা হলেন উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পের মো. রফিকুল ইসলাম (২৪), রাহেলা বেগম (২৫) ও মো. ইমরান (১৭)।