ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়ায় দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে পুড়লো আমজাদের ড্রাম ট্রাক জেলা পুলিশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নাইক্ষ্যংছড়ি বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন সাবেক চেয়ারম্যান তোফাইল কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব মগনামায় সরকারি খালে ৫৮টি অবৈধ বাঁধ ও জাল অপসারণ নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা : পাহাড়ধসের আশংকা সেন্টমার্টিনে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক মহেশখালী চ্যানেলে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই বালু উত্তোলন, ৫০ লাখ টাকা জরিমানা সমিতিপাড়ায় কিশোর সুকান্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি বেলাল গ্রেপ্তার কক্সবাজারে বাধ্যতামূলক মামলা পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন ২০২৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু নভেম্বরে : আয়োজক বাংলাদেশ দীর্ঘ ১৯ বছর আগেই নিষ্পত্তি হওয়া বিষয়কে ঘিরে নতুন অপপ্রচার: অধ্যক্ষের প্রতিবাদ উখিয়ায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর ৩ সদস্য আটক

মগনামায় সরকারি খালে ৫৮টি অবৈধ বাঁধ ও জাল অপসারণ

পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকারি খালের ৫৮টি অবৈধ কৃত্রিম বাঁধ কেটে এবং স্লুইসগেটে বসানো জাল অপসারণ করেছে ইউনিয়ন পরিষদ। এ উদ্যোগে পানিবন্দী প্রায় ৩ হাজার পরিবারের দুর্ভোগ কমার পাশাপাশি কৃষি ও মৎস্য খাতের কোটি কোটি টাকার ক্ষতি রোধ হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মগনামা ইউনিয়নের মটকাভাঙা এলাকার নুরুল আলমের বাঁধ কেটে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একশ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তি সরকারি খালে অবৈধ কৃত্রিম বাঁধ নির্মাণ এবং স্লুইসগেটে জাল বসিয়ে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আসছিল। এতে প্রতি বর্ষা মৌসুমে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতা দেখা দিত। খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ থাকায় ছোট-বড় অন্তত ২০টি মৎস্যঘেরের মাছ ভেসে যায়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিস্তীর্ণ কৃষিজমির ফসল। পাশাপাশি বসতবাড়ি ও পুকুর তলিয়ে গিয়ে প্রায় ৩ হাজার পরিবার দীর্ঘদিন পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছিল।

গত ১৮ জুলাই বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতি পরিদর্শনকালে পেকুয়া-চকরিয়া আসনের সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মগনামার সরকারি খালে নির্মিত অবৈধ বাঁধ অপসারণে উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদকে যৌথভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। ওই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতেই এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইউনুস চৌধুরী বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্দেশনায় সরকারি খালে পানি চলাচলের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে সব ধরনের অবৈধ বাঁধ ও স্লুইসগেটে বসানো জাল অপসারণ করা হচ্ছে। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযান চলাকালে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম সার্বক্ষণিক তদারকি করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বদিউল আলম, পরিষদ সচিব মো. আবদুর রাজ্জাক, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পেকুয়ায় দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে পুড়লো আমজাদের ড্রাম ট্রাক

মগনামায় সরকারি খালে ৫৮টি অবৈধ বাঁধ ও জাল অপসারণ

আপডেট সময় : ০৬:২২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকারি খালের ৫৮টি অবৈধ কৃত্রিম বাঁধ কেটে এবং স্লুইসগেটে বসানো জাল অপসারণ করেছে ইউনিয়ন পরিষদ। এ উদ্যোগে পানিবন্দী প্রায় ৩ হাজার পরিবারের দুর্ভোগ কমার পাশাপাশি কৃষি ও মৎস্য খাতের কোটি কোটি টাকার ক্ষতি রোধ হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মগনামা ইউনিয়নের মটকাভাঙা এলাকার নুরুল আলমের বাঁধ কেটে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একশ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তি সরকারি খালে অবৈধ কৃত্রিম বাঁধ নির্মাণ এবং স্লুইসগেটে জাল বসিয়ে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আসছিল। এতে প্রতি বর্ষা মৌসুমে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতা দেখা দিত। খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ থাকায় ছোট-বড় অন্তত ২০টি মৎস্যঘেরের মাছ ভেসে যায়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিস্তীর্ণ কৃষিজমির ফসল। পাশাপাশি বসতবাড়ি ও পুকুর তলিয়ে গিয়ে প্রায় ৩ হাজার পরিবার দীর্ঘদিন পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছিল।

গত ১৮ জুলাই বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতি পরিদর্শনকালে পেকুয়া-চকরিয়া আসনের সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মগনামার সরকারি খালে নির্মিত অবৈধ বাঁধ অপসারণে উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদকে যৌথভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। ওই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতেই এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইউনুস চৌধুরী বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্দেশনায় সরকারি খালে পানি চলাচলের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে সব ধরনের অবৈধ বাঁধ ও স্লুইসগেটে বসানো জাল অপসারণ করা হচ্ছে। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযান চলাকালে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম সার্বক্ষণিক তদারকি করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বদিউল আলম, পরিষদ সচিব মো. আবদুর রাজ্জাক, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা