ঢাকা ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পুলিশের ভুলের খেসারতে কারাগারে কাটানো রাতে নির্ঘুম ছিল শিশু মাইরা পিএমখালীতে সীমানা বিরোধে যুবককে কুপিয়ে হত্যা গর্জনিয়া ইউনিয়নের টোল-ট্যাক্স ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকায় ইজারা পেলেন লুৎফুর রহমান রেন্ট বাইকের সাথে জড়িয়ে আছে কক্সবাজারের হাজারো মানুষ: তাদের পেটে লাথি দিবেন না- নয়ন মানবপাচারের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দেলোয়ার ও আক্তারের সীমিত জনবলেও তৎপর উখিয়া রেঞ্জ, বনউজাড় করতে গিয়ে ধরা পড়ল ২৬ রোহিঙ্গা বর্ষার আগেই শহরকে জলাবদ্ধতামুক্ত করতে মাঠ পর্যায়ে কঠোর অ্যাকশনে যাওয়ার নির্দেশ এমপি কাজলের টেকনাফ এখন ‘মৃত্যুপুরী’: সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে যৌথ অভিযানের দাবিতে ছাত্র-জনতার মানববন্ধন টেকনাফে ৭.৬২ ক্যালিবার অস্ত্রসহ তিন ডাকাত আটক ৭ ইউনিয়ন নিয়ে নতুন ‘মাতামুহুরী’ উপজেলা গঠনের প্রস্তাব: প্রাক নিকার সভায় অন্তর্ভুক্ত প্রতারণার ফাঁদ ভাঙুন, মানব পাচার রুখুন সিএনজি তল্লাশিতে বিদেশি পিস্তল উদ্ধার, আটক ৩ লবণ মাঠে দূর্বৃত্তের তাণ্ডব,২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি জামিনে মুক্ত হলেন বাউল শিল্পী আবুল সরকার বিয়ে করাটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল: অপু বিশ্বাস

ভোটের মাঠে থাকবে ১ লাখ সেনা, নির্বাচনের আগের চার দিন নিবিড় টহল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আগের চার দিন টানা সারা দেশে নিবিড় টহল চালাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ভোটারদের মধ্যে নিরাপত্তা ও আস্থার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে এ টহল দেওয়া হবে। ভোটের পরও দুই দিন থাকবে পাহারা। সব মিলিয়ে সাত দিন মাঠে থাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে গত রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য থাকবেন এক লাখ। পুলিশ থাকবে দেড় লাখের মতো। সবচেয়ে বেশি থাকবেন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য। এই বাহিনীর পৌনে ছয় লাখ সদস্য কাজ করবেন ভোটের নিরাপত্তায়।

এ ছাড়া নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭০০, বিজিবির ৩৭ হাজারের কিছু বেশি, কোস্টগার্ডের সাড়ে ৩ হাজারের বেশি, র‍্যাবের ৭ হাজার ৭০০ এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ১৩ হাজার বেশি সদস্য রাখা হবে।

ভোট ঘিরে আইনশৃঙ্খলার সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টাকে জানানো হয়েছে বলে সূত্র জানায়।

অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটকেন্দ্র থাকছে ৪২ হাজার ৭৬১টি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এর মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে ৮ হাজার ৭৮০টি। ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে ১৬ হাজার ৫৪৮ টিকে। সাধারণ ভোটকেন্দ্র ১৭ হাজার ৪৩৩টি।

সূত্র জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বডি ওর্ন (পোশাকের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়) ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ২৫ হাজার বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে ১৯ হাজার বডি ক্যামেরা এরই মধ্যে সরবরাহ করা হয়েছে। নির্বাচনের আগে বাকি ছয় হাজার ক্যামেরা সংগ্রহ করা হবে।

সূত্র জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে সব ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি (ক্লোজড সার্কিট) ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে জেলা প্রশাসক বা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা স্থানীয়ভাবে নিজেদের বাজেটে ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা করবেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ঢাকা শহরে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা নেবে।

এবারের নির্বাচনে ড্রোন ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ৪১৮টি ড্রোন ব্যবহার করা হবে। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনী ড্রোন ব্যবহার করবে।

ব্যবহার করা হবে ডগ স্কোয়াড

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে ডিএমপি ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) দুটি ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করবে। র‍্যাব কক্সবাজার, ঢাকা ও চট্টগ্রামে ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করবে। এ ছাড়া বিজিবি তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ৫০টি ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করবে বলে জানা গেছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, নির্বাচনে দুর্গম কেন্দ্রে ব্যালটসহ অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী এবং নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পরিবহনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে। নির্বাচনকে বাধা দিতে যারা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে, তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।

নির্বাচনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অপ তথ্য ও অপপ্রচার রোধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। প্রয়োজনে সময়ে–সময়ে সংবাদ সম্মেলন করা হবে।

সাবেক নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য মো. আবদুল আলীম প্রথম আলোকে বলেন, সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্যের মাঠে থাকা, সিসিটিভি ও বডি ওর্ন ক্যামেরা, ডগ স্কোয়াড ইত্যাদি অবশ্যই নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। যাঁরা অনিয়ম করতে চান, তাঁরা এ ক্ষেত্রে ভয় পাবেন। তবে মাঠে থাকাই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন কার্যকর ভূমিকা পালন করা।

সূত্র: প্রথম আলো

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশের ভুলের খেসারতে কারাগারে কাটানো রাতে নির্ঘুম ছিল শিশু মাইরা

ভোটের মাঠে থাকবে ১ লাখ সেনা, নির্বাচনের আগের চার দিন নিবিড় টহল

আপডেট সময় : ০১:২০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আগের চার দিন টানা সারা দেশে নিবিড় টহল চালাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ভোটারদের মধ্যে নিরাপত্তা ও আস্থার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে এ টহল দেওয়া হবে। ভোটের পরও দুই দিন থাকবে পাহারা। সব মিলিয়ে সাত দিন মাঠে থাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে গত রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য থাকবেন এক লাখ। পুলিশ থাকবে দেড় লাখের মতো। সবচেয়ে বেশি থাকবেন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য। এই বাহিনীর পৌনে ছয় লাখ সদস্য কাজ করবেন ভোটের নিরাপত্তায়।

এ ছাড়া নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭০০, বিজিবির ৩৭ হাজারের কিছু বেশি, কোস্টগার্ডের সাড়ে ৩ হাজারের বেশি, র‍্যাবের ৭ হাজার ৭০০ এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ১৩ হাজার বেশি সদস্য রাখা হবে।

ভোট ঘিরে আইনশৃঙ্খলার সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টাকে জানানো হয়েছে বলে সূত্র জানায়।

অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটকেন্দ্র থাকছে ৪২ হাজার ৭৬১টি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এর মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে ৮ হাজার ৭৮০টি। ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে ১৬ হাজার ৫৪৮ টিকে। সাধারণ ভোটকেন্দ্র ১৭ হাজার ৪৩৩টি।

সূত্র জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বডি ওর্ন (পোশাকের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়) ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ২৫ হাজার বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে ১৯ হাজার বডি ক্যামেরা এরই মধ্যে সরবরাহ করা হয়েছে। নির্বাচনের আগে বাকি ছয় হাজার ক্যামেরা সংগ্রহ করা হবে।

সূত্র জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে সব ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি (ক্লোজড সার্কিট) ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে জেলা প্রশাসক বা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা স্থানীয়ভাবে নিজেদের বাজেটে ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা করবেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ঢাকা শহরে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা নেবে।

এবারের নির্বাচনে ড্রোন ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ৪১৮টি ড্রোন ব্যবহার করা হবে। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনী ড্রোন ব্যবহার করবে।

ব্যবহার করা হবে ডগ স্কোয়াড

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে ডিএমপি ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) দুটি ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করবে। র‍্যাব কক্সবাজার, ঢাকা ও চট্টগ্রামে ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করবে। এ ছাড়া বিজিবি তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ৫০টি ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করবে বলে জানা গেছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, নির্বাচনে দুর্গম কেন্দ্রে ব্যালটসহ অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী এবং নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পরিবহনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে। নির্বাচনকে বাধা দিতে যারা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে, তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।

নির্বাচনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অপ তথ্য ও অপপ্রচার রোধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। প্রয়োজনে সময়ে–সময়ে সংবাদ সম্মেলন করা হবে।

সাবেক নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য মো. আবদুল আলীম প্রথম আলোকে বলেন, সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্যের মাঠে থাকা, সিসিটিভি ও বডি ওর্ন ক্যামেরা, ডগ স্কোয়াড ইত্যাদি অবশ্যই নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। যাঁরা অনিয়ম করতে চান, তাঁরা এ ক্ষেত্রে ভয় পাবেন। তবে মাঠে থাকাই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন কার্যকর ভূমিকা পালন করা।

সূত্র: প্রথম আলো