ঢাকা ০২:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামু সহিংসতার ১৪ বছর: বিচারের দীর্ঘসূত্রতায় বাড়ছে হতাশা অক্টোবরে কক্সবাজার আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান – জেলা প্রশাসক কবি অমিত চৌধুরী’র প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন কক্সবাজারে ১২০ কেজি তামার তার ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২১, আটক ২৫ কিশোর গ্যাং সদস্য খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছে- শাহাদাত বার্ষিকীতে সহিদুজ্জামান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গ্রেফতারি পরোয়ানা ভুক্ত ২৬ মামলার আসামি চকরিয়ার নবী হোসেন মহেশখালীতে গ্রেফতার রামু উপজেলা বিআরডিবির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আবুল বশর বাবু  জেদ্দা থেকে মদিনার পথে দুর্ঘটনা, সড়কে নিভে গেল লোহাগাড়ার শওকতের প্রাণ কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল চালু, অক্টোবরে উড়বে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট জেলের ছদ্মবেশে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, ২ লাখ পিস উদ্ধার ছাত্রদল নেতা জিসানসহ ২৪ ঘণ্টায় তিন মরদেহ, দুই ঘটনায় মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা কক্সবাজারে আধুনিক ও সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নির্দেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব পক্ষকে আলোচনার টেবিলে আনতে চায় বাংলাদেশ কবি অমিত চৌধুরী পরলোকে : রাতে শেষকৃত্য কক্সবাজার মহাশশ্মানে বাংলাদেশকে আকাশ ব্যবহার করতে দিল না পাকিস্তান

ভূমি জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলায় মহেশখালীর রহিম বাদশা কারাগারে

ভূমি জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করা মামলায় মহেশখালী পৌরসভার বাসিন্দা আব্দুর রহিম বাদশাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মহেশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাকিম মোঃ ইমরান হোসেন এই আদেশ দেন।

আদেশের পর থানা পুলিশ আব্দুর রহিম বাদশাকে কারাগারে প্রেরণ করেছে।

আব্দুর রহিম বাদশা পৌরসভার পশ্চিম সিকদার পাড়ার মরহুম ঈমান শরীফের পুত্র।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বাদি দিলদার বেগম আব্দুর রহিম বাদশা থেকে থেকে ২০১১ সালে পৌর এলাকায় ১০ শতক জমি ক্রয় করেন। ক্রয়ের পর আইনগত প্রক্রিয়া মেনে নামজারি খতিয়ানও সৃজন করেন৷ কিন্তু এক পর্যায়ে বাদি দিলদাল বেগম জানতে পারেন জমিটি ২০০২ সালে আরেক জনের কাছে দলিলমূলে বিক্রি করেন আব্দুর রহিম বাদশা। এক পর্যায়ে তিনিসহ আসামীরা দিলদার বেগমের ভোগদখলীয় জমিটি বেআইনিভাবে জবরদখলের জন্য পাঁয়তারা শুরু করে। কিছু অংশ জবরদখলও করে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী দিলদার বেগম বাদি হয়ে অভিযুক্ত আব্দুর রহিম বাদশাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মহেশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি তদন্তের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন আদালত।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোরকঘাটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সমস্ত কাগজপত্র যাচাই-বাছাইপূর্বক প্রকৃত তথ্য জানাতে নির্দেশ দেন। ইউনিয়ন ভূমি অফিস সব নথি তলব এবং বাদি ও বিবাদিদের জবানবন্দির ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদন দেন। ইউনিয়ন ভূমি অফিসসহ অন্যান্য নথিপত্রের ভিত্তিতে বাদির অভিযোগ সত্য বলে প্রতীয়মান হলে তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতিবেদন আদালতে প্রেরণ করেন।

আদালত প্রতিবপদন যাচাই ও শুনানী শেষে মামলার ১নং বিবাদী আব্দুর রহিম বাদশাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রামু সহিংসতার ১৪ বছর: বিচারের দীর্ঘসূত্রতায় বাড়ছে হতাশা

ভূমি জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলায় মহেশখালীর রহিম বাদশা কারাগারে

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

ভূমি জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করা মামলায় মহেশখালী পৌরসভার বাসিন্দা আব্দুর রহিম বাদশাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মহেশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাকিম মোঃ ইমরান হোসেন এই আদেশ দেন।

আদেশের পর থানা পুলিশ আব্দুর রহিম বাদশাকে কারাগারে প্রেরণ করেছে।

আব্দুর রহিম বাদশা পৌরসভার পশ্চিম সিকদার পাড়ার মরহুম ঈমান শরীফের পুত্র।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বাদি দিলদার বেগম আব্দুর রহিম বাদশা থেকে থেকে ২০১১ সালে পৌর এলাকায় ১০ শতক জমি ক্রয় করেন। ক্রয়ের পর আইনগত প্রক্রিয়া মেনে নামজারি খতিয়ানও সৃজন করেন৷ কিন্তু এক পর্যায়ে বাদি দিলদাল বেগম জানতে পারেন জমিটি ২০০২ সালে আরেক জনের কাছে দলিলমূলে বিক্রি করেন আব্দুর রহিম বাদশা। এক পর্যায়ে তিনিসহ আসামীরা দিলদার বেগমের ভোগদখলীয় জমিটি বেআইনিভাবে জবরদখলের জন্য পাঁয়তারা শুরু করে। কিছু অংশ জবরদখলও করে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী দিলদার বেগম বাদি হয়ে অভিযুক্ত আব্দুর রহিম বাদশাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মহেশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি তদন্তের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন আদালত।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোরকঘাটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সমস্ত কাগজপত্র যাচাই-বাছাইপূর্বক প্রকৃত তথ্য জানাতে নির্দেশ দেন। ইউনিয়ন ভূমি অফিস সব নথি তলব এবং বাদি ও বিবাদিদের জবানবন্দির ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদন দেন। ইউনিয়ন ভূমি অফিসসহ অন্যান্য নথিপত্রের ভিত্তিতে বাদির অভিযোগ সত্য বলে প্রতীয়মান হলে তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতিবেদন আদালতে প্রেরণ করেন।

আদালত প্রতিবপদন যাচাই ও শুনানী শেষে মামলার ১নং বিবাদী আব্দুর রহিম বাদশাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।