ঢাকা ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাভারে পুলিশের এসআইকে পিটিয়ে হত্যা চৌফলদন্ডীকে প্রস্তাবিত সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে নাগরিক ঐক্য পরিষদ গঠন সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান :ছিনতাইয়ের অভিযোগে সম্রাট নামের যুবক আটক শহরে ডিবির অভিযান : ৪ ছিনতাইকারী আটক লামায় অবৈধ বালু উত্তোলন, শ্যালো মেশিন ও পাইপ জব্দ দুঃশাসনের ক্ষত মুছে বৈষম্যহীন মানবিক রাষ্ট্র গড়ছে বিএনপি: লোহাগাড়ায় লায়ন হেলাল টেকনাফে র‌্যাবের অভিযান : ৩ কেজি ক্রিস্টাল মেথ উদ্ধার মগনামা লঞ্চ ঘাটে পানিতে পড়ে যুবক নিখোঁজ ৮ সেপ্টেম্বর ফাইনাল, মুখোমুখি হবে চকরিয়া ও রামু রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পিস্তল ও গুলিসহ আরসার সদস্য গ্রেফতার জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালিত হচ্ছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী পুলিশ অফিসারদের চিহ্নিত করা হয়েছে: আইজিপি ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্কবার্তা দিল মার্কিন দূতাবাস সারা দেশে টানা পাঁচদিন বৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ দিতে না পারলে সরকার গদিতে থাকতে পারবে না: নাহিদ ইসলাম

ভূমি জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলায় মহেশখালীর রহিম বাদশা কারাগারে

ভূমি জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করা মামলায় মহেশখালী পৌরসভার বাসিন্দা আব্দুর রহিম বাদশাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মহেশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাকিম মোঃ ইমরান হোসেন এই আদেশ দেন।

আদেশের পর থানা পুলিশ আব্দুর রহিম বাদশাকে কারাগারে প্রেরণ করেছে।

আব্দুর রহিম বাদশা পৌরসভার পশ্চিম সিকদার পাড়ার মরহুম ঈমান শরীফের পুত্র।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বাদি দিলদার বেগম আব্দুর রহিম বাদশা থেকে থেকে ২০১১ সালে পৌর এলাকায় ১০ শতক জমি ক্রয় করেন। ক্রয়ের পর আইনগত প্রক্রিয়া মেনে নামজারি খতিয়ানও সৃজন করেন৷ কিন্তু এক পর্যায়ে বাদি দিলদাল বেগম জানতে পারেন জমিটি ২০০২ সালে আরেক জনের কাছে দলিলমূলে বিক্রি করেন আব্দুর রহিম বাদশা। এক পর্যায়ে তিনিসহ আসামীরা দিলদার বেগমের ভোগদখলীয় জমিটি বেআইনিভাবে জবরদখলের জন্য পাঁয়তারা শুরু করে। কিছু অংশ জবরদখলও করে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী দিলদার বেগম বাদি হয়ে অভিযুক্ত আব্দুর রহিম বাদশাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মহেশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি তদন্তের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন আদালত।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোরকঘাটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সমস্ত কাগজপত্র যাচাই-বাছাইপূর্বক প্রকৃত তথ্য জানাতে নির্দেশ দেন। ইউনিয়ন ভূমি অফিস সব নথি তলব এবং বাদি ও বিবাদিদের জবানবন্দির ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদন দেন। ইউনিয়ন ভূমি অফিসসহ অন্যান্য নথিপত্রের ভিত্তিতে বাদির অভিযোগ সত্য বলে প্রতীয়মান হলে তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতিবেদন আদালতে প্রেরণ করেন।

আদালত প্রতিবপদন যাচাই ও শুনানী শেষে মামলার ১নং বিবাদী আব্দুর রহিম বাদশাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাভারে পুলিশের এসআইকে পিটিয়ে হত্যা

ভূমি জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলায় মহেশখালীর রহিম বাদশা কারাগারে

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

ভূমি জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করা মামলায় মহেশখালী পৌরসভার বাসিন্দা আব্দুর রহিম বাদশাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মহেশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাকিম মোঃ ইমরান হোসেন এই আদেশ দেন।

আদেশের পর থানা পুলিশ আব্দুর রহিম বাদশাকে কারাগারে প্রেরণ করেছে।

আব্দুর রহিম বাদশা পৌরসভার পশ্চিম সিকদার পাড়ার মরহুম ঈমান শরীফের পুত্র।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বাদি দিলদার বেগম আব্দুর রহিম বাদশা থেকে থেকে ২০১১ সালে পৌর এলাকায় ১০ শতক জমি ক্রয় করেন। ক্রয়ের পর আইনগত প্রক্রিয়া মেনে নামজারি খতিয়ানও সৃজন করেন৷ কিন্তু এক পর্যায়ে বাদি দিলদাল বেগম জানতে পারেন জমিটি ২০০২ সালে আরেক জনের কাছে দলিলমূলে বিক্রি করেন আব্দুর রহিম বাদশা। এক পর্যায়ে তিনিসহ আসামীরা দিলদার বেগমের ভোগদখলীয় জমিটি বেআইনিভাবে জবরদখলের জন্য পাঁয়তারা শুরু করে। কিছু অংশ জবরদখলও করে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী দিলদার বেগম বাদি হয়ে অভিযুক্ত আব্দুর রহিম বাদশাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মহেশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি তদন্তের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন আদালত।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোরকঘাটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সমস্ত কাগজপত্র যাচাই-বাছাইপূর্বক প্রকৃত তথ্য জানাতে নির্দেশ দেন। ইউনিয়ন ভূমি অফিস সব নথি তলব এবং বাদি ও বিবাদিদের জবানবন্দির ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদন দেন। ইউনিয়ন ভূমি অফিসসহ অন্যান্য নথিপত্রের ভিত্তিতে বাদির অভিযোগ সত্য বলে প্রতীয়মান হলে তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতিবেদন আদালতে প্রেরণ করেন।

আদালত প্রতিবপদন যাচাই ও শুনানী শেষে মামলার ১নং বিবাদী আব্দুর রহিম বাদশাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।