ঢাকা ১০:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বদরখালী কলোনীজেশন উচ্চ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগে থেকে গোল্ডেন A+ পেল সাদিয়া আফরিন কনক ‎এসএসসি পরীক্ষায় রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুলের সাফল্য: শতভাগ পাস, ৮ জন জিপিএ-৫ ‎ সাংবাদিককে হুমকি : মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নিন্দা ও প্রতিবাদ এসএসসি পরীক্ষায় সাংবাদিক কন্যা তানিশার সাফল্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ এর পিপি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন এড. রেজা কাঁকড়া চাষে উদ্বুদ্ধ করতে বিনামূল্যে পোনা বিতরণ মৎস্য অধিদপ্তরের ভূমি জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলায় মহেশখালীর রহিম বাদশা কারাগারে সীমান্তের ওরা ২১ জন, ৫ লাখ করে মাদক ব্যবসার শেয়ার! রামুতে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৫৯.২২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০২ জন, শীর্ষে বাঁকখালী ও ক্যান্টনমেন্ট স্কুল শিক্ষক দম্পতির কন্যা ফাউজিয়ার সাফল্য, এসএসসিতে গোল্ডেন A+ সর্বোচ্চ মাদক উদ্ধারকারী কর্মকর্তা হিসেবে সম্মাননা পেলেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী প্রধানমন্ত্রী কি ভারত সফরে যাচ্ছেন, যা জানা গেল চকরিয়ায় ডাম্পারের ধাক্কায় ছাত্রদল নেতার মৃত্যু, আহত ২ এবারও ছাত্রদের চেয়ে এগিয়ে ছাত্রীরা ‘র’ প্রধান ঢাকায়

ভূমি জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলায় মহেশখালীর রহিম বাদশা কারাগারে

ভূমি জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করা মামলায় মহেশখালী পৌরসভার বাসিন্দা আব্দুর রহিম বাদশাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মহেশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাকিম মোঃ ইমরান হোসেন এই আদেশ দেন।

আদেশের পর থানা পুলিশ আব্দুর রহিম বাদশাকে কারাগারে প্রেরণ করেছে।

আব্দুর রহিম বাদশা পৌরসভার পশ্চিম সিকদার পাড়ার মরহুম ঈমান শরীফের পুত্র।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বাদি দিলদার বেগম আব্দুর রহিম বাদশা থেকে থেকে ২০১১ সালে পৌর এলাকায় ১০ শতক জমি ক্রয় করেন। ক্রয়ের পর আইনগত প্রক্রিয়া মেনে নামজারি খতিয়ানও সৃজন করেন৷ কিন্তু এক পর্যায়ে বাদি দিলদাল বেগম জানতে পারেন জমিটি ২০০২ সালে আরেক জনের কাছে দলিলমূলে বিক্রি করেন আব্দুর রহিম বাদশা। এক পর্যায়ে তিনিসহ আসামীরা দিলদার বেগমের ভোগদখলীয় জমিটি বেআইনিভাবে জবরদখলের জন্য পাঁয়তারা শুরু করে। কিছু অংশ জবরদখলও করে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী দিলদার বেগম বাদি হয়ে অভিযুক্ত আব্দুর রহিম বাদশাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মহেশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি তদন্তের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন আদালত।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোরকঘাটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সমস্ত কাগজপত্র যাচাই-বাছাইপূর্বক প্রকৃত তথ্য জানাতে নির্দেশ দেন। ইউনিয়ন ভূমি অফিস সব নথি তলব এবং বাদি ও বিবাদিদের জবানবন্দির ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদন দেন। ইউনিয়ন ভূমি অফিসসহ অন্যান্য নথিপত্রের ভিত্তিতে বাদির অভিযোগ সত্য বলে প্রতীয়মান হলে তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতিবেদন আদালতে প্রেরণ করেন।

আদালত প্রতিবপদন যাচাই ও শুনানী শেষে মামলার ১নং বিবাদী আব্দুর রহিম বাদশাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বদরখালী কলোনীজেশন উচ্চ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগে থেকে গোল্ডেন A+ পেল সাদিয়া আফরিন কনক

ভূমি জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলায় মহেশখালীর রহিম বাদশা কারাগারে

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

ভূমি জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করা মামলায় মহেশখালী পৌরসভার বাসিন্দা আব্দুর রহিম বাদশাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মহেশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাকিম মোঃ ইমরান হোসেন এই আদেশ দেন।

আদেশের পর থানা পুলিশ আব্দুর রহিম বাদশাকে কারাগারে প্রেরণ করেছে।

আব্দুর রহিম বাদশা পৌরসভার পশ্চিম সিকদার পাড়ার মরহুম ঈমান শরীফের পুত্র।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বাদি দিলদার বেগম আব্দুর রহিম বাদশা থেকে থেকে ২০১১ সালে পৌর এলাকায় ১০ শতক জমি ক্রয় করেন। ক্রয়ের পর আইনগত প্রক্রিয়া মেনে নামজারি খতিয়ানও সৃজন করেন৷ কিন্তু এক পর্যায়ে বাদি দিলদাল বেগম জানতে পারেন জমিটি ২০০২ সালে আরেক জনের কাছে দলিলমূলে বিক্রি করেন আব্দুর রহিম বাদশা। এক পর্যায়ে তিনিসহ আসামীরা দিলদার বেগমের ভোগদখলীয় জমিটি বেআইনিভাবে জবরদখলের জন্য পাঁয়তারা শুরু করে। কিছু অংশ জবরদখলও করে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী দিলদার বেগম বাদি হয়ে অভিযুক্ত আব্দুর রহিম বাদশাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মহেশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি তদন্তের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন আদালত।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোরকঘাটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সমস্ত কাগজপত্র যাচাই-বাছাইপূর্বক প্রকৃত তথ্য জানাতে নির্দেশ দেন। ইউনিয়ন ভূমি অফিস সব নথি তলব এবং বাদি ও বিবাদিদের জবানবন্দির ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদন দেন। ইউনিয়ন ভূমি অফিসসহ অন্যান্য নথিপত্রের ভিত্তিতে বাদির অভিযোগ সত্য বলে প্রতীয়মান হলে তদন্ত কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতিবেদন আদালতে প্রেরণ করেন।

আদালত প্রতিবপদন যাচাই ও শুনানী শেষে মামলার ১নং বিবাদী আব্দুর রহিম বাদশাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।