ঢাকা ০৪:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী কি ভারত সফরে যাচ্ছেন, যা জানা গেল চকরিয়ায় ডাম্পারের ধাক্কায় ছাত্রদল নেতার মৃত্যু, আহত ২ এবারও ছাত্রদের চেয়ে এগিয়ে ছাত্রীরা ‘র’ প্রধান ঢাকায় মহেশখালীতে কোন বিদ্যালয়ে কত পাস: জিপিএ-৫ পাওয়ার শীর্ষে কোন প্রতিষ্ঠান এসএসসি: ৩১২ প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি, শতভাগ পাস ৬৬৯টিতে বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চান নরেন্দ্র মোদি: ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী পেকুয়ায় এসএসসিতে পাসের হার ৪৮.৫৪%, দাখিলে ৭০.৭৬% : জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬৮ জন এসএসসিতে কক্সবাজারে পাসের হার ৫৭.০৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯৯ জন চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার এসএসসি ২০২৬: কক্সবাজারে এগিয়ে বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমি এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ টেকনাফে বিএমএসএফের কমিটি ঘোষণা, সভাপতি- টিপু, সম্পাদক- সানি গভীর নলকূপের পাইপ ছিটকে বিদ্যুতের তারে পড়ে রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যু, আহত ৩ বনের রাজা’ থেকে ক্ষুদ্র দোকানি, আলোর পথে ফেরার প্রত্যয়

পেকুয়ায় এসএসসিতে পাসের হার ৪৮.৫৪%, দাখিলে ৭০.৭৬% : জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬৮ জন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা গেছে। এসএসসি পরীক্ষায় উপজেলার ১ হাজার ৩৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এতে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৯ জন।

অন্যদিকে, দাখিল পরীক্ষায় ৪৭২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৩৪ জন পাস করেছে। এ পরীক্ষায় পাসের হার ৭০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন।

এসএসসি ও মাদ্রাসা দুই মিলে মোট জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬৮ জন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

এসএসসির ফলাফলে পেকুয়া সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউশন তুলনামূলকভাবে ভালো করেছে। প্রতিষ্ঠানটির ৩০১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৮০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৯ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বোচ্চ ৩১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৭৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১০৩ জন পাস করেছে। পাসের হার ৫৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন।

পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২৫ জনের মধ্যে ৭০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ জন।

টইটং ইকরাম স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৩৬ জনের মধ্যে ২৪ জন পাস করেছে। পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।

মেহেরনামা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০৮ জনের মধ্যে ৫৭ জন, টইটং উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬১ জনের মধ্যে ৩১ জন, বারবাকিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৭ জনের মধ্যে ২৬ জন এবং হোসনে আরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৬ জনের মধ্যে ১৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে।

এ ছাড়া মগনামা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০৮ জনের মধ্যে ৩৯ জন, রাজাখালী এয়ার আলী খান আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৬০ জনের মধ্যে ৫৩ জন, উজানটিয়া খান বাহাদুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬০ জনের মধ্যে ১৯ জন এবং রাজাখালী ফৈজুন্নেছা স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১০৮ জনের মধ্যে ৩৪ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছে।

দাখিল পরীক্ষায় পেকুয়ার মাদ্রাসাগুলো তুলনামূলক ভালো ফল করেছে। উপজেলার ১০টি মাদ্রাসার ৪৭২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৩৪ জন পাস করেছে। পাসের হার ৭০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন।

দাখিল পরীক্ষায় সর্বোচ্চ পাসের হার অর্জন করেছে রাজাখালী বি. ইউ. আই. কামিল মাদ্রাসা। প্রতিষ্ঠানটির ৬৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬১ জন পাস করেছে। পাসের হার ৯১ দশমিক ০৪ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন।

ফাঁসিয়াখালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় ৩৮ জনের মধ্যে ৩১ জন পাস করেছে। পাসের হার ৮১ দশমিক ৫৮ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পেকুয়া আদর্শ বালিকা মাদ্রাসায় ২৯ জনের মধ্যে ২৪ জন পাস করেছে। পাসের হার ৮২ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

মেহেরনামা আলমাছিয়া মাদ্রাসায় ৩১ জনের মধ্যে ২৩ জন, বটতলি শফিকিয়া মাদ্রাসায় ৫২ জনের মধ্যে ৩৮ জন, পেকুয়া আনোয়ারুল উলুম মাদ্রাসায় ৭৭ জনের মধ্যে ৫৬ জন, মগনামা মাঝির পাড়া এস আর আলিম মাদ্রাসায় ৫৮ জনের মধ্যে ৩৯ জন, রাজাখালী সুন্দরী পাড়া আজগরিয়া মাদ্রাসায় ১৯ জনের মধ্যে ১১ জন, মৈশালী বাজার ফারুকিয়া মাদ্রাসায় ৬১ জনের মধ্যে ৩২ জন এবং উজানটিয়া এস আলিম মাদ্রাসায় ৪০ জনের মধ্যে ১৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, দাখিলে পেকুয়ার সর্বোচ্চ পাসের হার রাজাখালী বি. ইউ. আই. কামিল মাদ্রাসায় ৯১ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন উজানটিয়া এস আলিম মাদ্রাসায় ৪৭ দশমিক ৫০ শতাংশ।

সামগ্রিকভাবে, পেকুয়ায় এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৪৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ হলেও দাখিলে পাসের হার ৭০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। অর্থাৎ সাধারণ শিক্ষার তুলনায় মাদ্রাসা শিক্ষায় পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এসএসসিতে ৫৯ জন এবং দাখিলে ৯ জনসহ উপজেলায় মোট ৬৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পেকুয়ায় এসএসসিতে পাসের হার ৪৮.৫৪%, দাখিলে ৭০.৭৬% : জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬৮ জন

আপডেট সময় : ০২:১০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা গেছে। এসএসসি পরীক্ষায় উপজেলার ১ হাজার ৩৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৫০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এতে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৯ জন।

অন্যদিকে, দাখিল পরীক্ষায় ৪৭২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৩৪ জন পাস করেছে। এ পরীক্ষায় পাসের হার ৭০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন।

এসএসসি ও মাদ্রাসা দুই মিলে মোট জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬৮ জন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

এসএসসির ফলাফলে পেকুয়া সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউশন তুলনামূলকভাবে ভালো করেছে। প্রতিষ্ঠানটির ৩০১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৮০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৯ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বোচ্চ ৩১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৭৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১০৩ জন পাস করেছে। পাসের হার ৫৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন।

পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২৫ জনের মধ্যে ৭০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ জন।

টইটং ইকরাম স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৩৬ জনের মধ্যে ২৪ জন পাস করেছে। পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।

মেহেরনামা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০৮ জনের মধ্যে ৫৭ জন, টইটং উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬১ জনের মধ্যে ৩১ জন, বারবাকিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৭ জনের মধ্যে ২৬ জন এবং হোসনে আরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৬ জনের মধ্যে ১৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে।

এ ছাড়া মগনামা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০৮ জনের মধ্যে ৩৯ জন, রাজাখালী এয়ার আলী খান আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৬০ জনের মধ্যে ৫৩ জন, উজানটিয়া খান বাহাদুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬০ জনের মধ্যে ১৯ জন এবং রাজাখালী ফৈজুন্নেছা স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১০৮ জনের মধ্যে ৩৪ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছে।

দাখিল পরীক্ষায় পেকুয়ার মাদ্রাসাগুলো তুলনামূলক ভালো ফল করেছে। উপজেলার ১০টি মাদ্রাসার ৪৭২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৩৪ জন পাস করেছে। পাসের হার ৭০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন।

দাখিল পরীক্ষায় সর্বোচ্চ পাসের হার অর্জন করেছে রাজাখালী বি. ইউ. আই. কামিল মাদ্রাসা। প্রতিষ্ঠানটির ৬৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬১ জন পাস করেছে। পাসের হার ৯১ দশমিক ০৪ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন।

ফাঁসিয়াখালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় ৩৮ জনের মধ্যে ৩১ জন পাস করেছে। পাসের হার ৮১ দশমিক ৫৮ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পেকুয়া আদর্শ বালিকা মাদ্রাসায় ২৯ জনের মধ্যে ২৪ জন পাস করেছে। পাসের হার ৮২ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

মেহেরনামা আলমাছিয়া মাদ্রাসায় ৩১ জনের মধ্যে ২৩ জন, বটতলি শফিকিয়া মাদ্রাসায় ৫২ জনের মধ্যে ৩৮ জন, পেকুয়া আনোয়ারুল উলুম মাদ্রাসায় ৭৭ জনের মধ্যে ৫৬ জন, মগনামা মাঝির পাড়া এস আর আলিম মাদ্রাসায় ৫৮ জনের মধ্যে ৩৯ জন, রাজাখালী সুন্দরী পাড়া আজগরিয়া মাদ্রাসায় ১৯ জনের মধ্যে ১১ জন, মৈশালী বাজার ফারুকিয়া মাদ্রাসায় ৬১ জনের মধ্যে ৩২ জন এবং উজানটিয়া এস আলিম মাদ্রাসায় ৪০ জনের মধ্যে ১৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, দাখিলে পেকুয়ার সর্বোচ্চ পাসের হার রাজাখালী বি. ইউ. আই. কামিল মাদ্রাসায় ৯১ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন উজানটিয়া এস আলিম মাদ্রাসায় ৪৭ দশমিক ৫০ শতাংশ।

সামগ্রিকভাবে, পেকুয়ায় এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৪৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ হলেও দাখিলে পাসের হার ৭০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। অর্থাৎ সাধারণ শিক্ষার তুলনায় মাদ্রাসা শিক্ষায় পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এসএসসিতে ৫৯ জন এবং দাখিলে ৯ জনসহ উপজেলায় মোট ৬৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।