উখিয়ার রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদে মজুদ থাকা ভিজিডি কর্মসূচির চালকে ঈদ উপলক্ষে বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মৃণাল বড়ুয়া। বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
সোমবার (১ জুন) সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন সুলতানা রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে গিয়ে ৮২ বস্তা চাল পাওয়া গেলে ইউনিয়ন পরিষদের গুদামঘর সিলগালা করে দেয় প্রশাসন।
এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলে নানান আলোচনা।
এ বিষয়ে রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মৃণাল বড়ুয়া বলেন, “জব্দকৃত চালগুলো ঈদের ভিজিএফের চাল নয়। এগুলো পূর্ববর্তী ভিজিডি কর্মসূচির অবিতরণকৃত চাল। ঈদ উপলক্ষে বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল ইতোমধ্যে উপকারভোগীদের মাঝে যথাযথভাবে বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে এবং তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে। প্রকৃত তথ্য যাচাই না করে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে গুদামে মজুদ থাকা চালের বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন উখিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 


















