কুতুবদিয়ায় ওয়ারেটভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়ার পথে চার পুলিশ সদস্যকে মারধর করে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৩০ জনকে আসামি করে মোট ৬৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। ইতোমধ্যে ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।
রবিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের আকবর বলীর পাড়া মুছা সিরাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মামলার বাদী কুতুবদিয়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) অমল বড়ুয়া অভিযোগ করেন, স্ত্রীর করা একটি মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. মিজানুর রহমান একটি চায়ের দোকানের সামনে অবস্থান করছেন—এমন খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। তাকে আটক করে থানায় নেওয়ার পথে প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যক্তি সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা চার পুলিশ সদস্যকে মারধর করে হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় মিজানুর রহমানকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পরপরই পুলিশ ওই এলাকায় চিরুনি অভিযান চালিয়ে হামলার ঘটনায় সরাসরি জড়িত অভিযোগে ছয়জনকে আটক করে। তবে ছিনিয়ে নেওয়া পরোয়ানাভুক্ত আসামি মিজানুর রহমান এখনও পলাতক।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সাঈদুল হকের দাবি, রাতভর বিভিন্ন কৌশল ও নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি করে সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্তরা ওই আসামিকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে।
কুতুবদিয়া থানার ওসি মো. মাহাবুবুল হক বলেছেন, ‘মব সৃষ্টি করে পুলিশের ওপর হামলা এবং পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের পুলিশের ওপর হামলা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।’
তার ভাষ্য, হামলায় আহত চার পুলিশ সদস্য চিকিৎসাধীন আছেন। পলাতক আসামি মিজানুর রহমানসহ পুলিশের ওপর হামলা মামলার অন্য আসামিদের আটকে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 






















