কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দীর্ঘদিন পর নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক গিয়াসউদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিজানুল হকের সঞ্চালনায় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কক্সবাজার জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এনামুল হক।
প্রধান বক্তা ছিলেন চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার জেলা বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক এম. মোবারক আলী। এছাড়া বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে বক্তারা তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখা এবং দলীয় কার্যক্রম গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
নেতৃত্বের দৌড়ে ১০ প্রার্থী
কাউন্সিলকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে। গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পদে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।
সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন সদ্য বিলুপ্ত আহ্বায়ক কমিটির উপদেষ্টা ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুল আবছার এবং আহ্বায়ক গিয়াসউদ্দিন।
সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সদ্য বিলুপ্ত আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক-১ মো. মিজানুল হক এবং সাবেক ইউপি সদস্য রহিমুল্লাহ (রহিম মেম্বার)।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন নূর আহামদ, মাওলানা সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, এখলাসুর রহমান, মোহাম্মদ ইলিয়াস ও জয়নাল আবেদীন টিপু।
সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, কাউন্সিলের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রার্থীদের কাছ থেকে সিভি সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে সভাপতি পদে দুইজন, সাধারণ সম্পাদক পদে দুইজন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ছয়জনসহ মোট ১০ জন প্রার্থী রয়েছেন।
সম্মেলন ও কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। নতুন কমিটিতে কারা নেতৃত্বে আসছেন, তা নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে চলছে নানা আলোচনা।
নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, কাউন্সিলের মাধ্যমে যোগ্য, ত্যাগী ও সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
মো: ইমরান খান: 
























