ঢাকা ০৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার ১৬ ডিসেম্বর আংশিক চালু হচ্ছে থার্ড টার্মিনাল শিক্ষার মান যাচাইয়ে আন্তর্জাতিক মূল্যায়নের দিকে যেতে চায় সরকার স্ত্রীকে হত্যা করে শ্বশুরবাড়িতে খবর দেন স্বামী আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস: গুরুত্ব পাচ্ছে জীবনমুখী শিক্ষা সীমান্ত দিয়ে প্রবেশের সময় দেড় লাখ ইয়াবাসহ আটক ১ টেকনাফের নাইট্যংপাড়ার জাহেদ আলমকে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ স্ত্রীর সৈকতে রাস্তা নির্মান বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশকে স্বাগত জানাল জাতিসংঘের স্পেশাল র‍্যাপোটিয়ার মহেশখালীর হোয়ানকে ছুরিকাঘাতে গৃহবধুকে হত্যা শ্রীলঙ্কার জাতীয় ও উন্মুক্ত সার্ফিং চ্যাম্পিয়নশিপে কক্সবাজারের তিন সার্ফার ছিনতাইয়ের অভিযোগে আটক আরো ৫ : ২ দিনে আটক ১৯ জন চকরিয়ায় ভিমরুলের কামড়ে শিশুর মৃত্যু ভারুয়াখালীকে কক্সবাজার সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন মাতারবাড়ি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ রামু প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ইউএনও জিল্লুর- পর্যটন সম্ভাবনাকে তুলে ধরুন

ফারাক্কা বাঁধ পরীক্ষামূলক চালুর অনুমতি দিয়েছিল আ. লীগ সরকার, যা এখন মরণফাঁদ : মির্জা ফখরুল

পরীক্ষামূলকভাবে চালুর অনুমতি দেওয়া ফারাক্কা বাঁধ এখনো চালু থাকায় সেটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার বিষয়ক মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আগামীকাল ১৬ মে ‘ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস’ উপলক্ষ্যে আজ শুক্রবার (১৫ মে) দেওয়া বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেছেন, ভারতে গঙ্গা নদীর ফারাক্কা পয়েন্টে বাঁধ নির্মাণ করে অভিন্ন নদীর পানি একতরফা প্রত্যাহার শুরু করা হয়। যার ফলে বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চল প্রায় মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। ওই এলাকায় পানিসহ নানাবিধ প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতা তীব্র আকার ধারণ করেছে।

‘জীববৈচিত্র ও পরিবেশগত মানকে বিবেচনা না করে এবং প্রাকৃতিক ও মানবিক বিপর্যয়ের সম্ভাবনাকে উপেক্ষা করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের মতামতকে অগ্রাহ্য করে ভারতকে কয়েক দিনের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি দেয়। কিন্তু সেই বাঁধ অব্যাহতভাবে এখন পর্যন্ত চালু থাকায় সেটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। তৎকালীন আওয়ামী সরকারের কারণে এ দেশের জনগণ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত’— যোগ করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, এই বঞ্চনা ও দেশের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে জনদুর্দশার আশঙ্কায় মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী জনগণকে সাথে নিয়ে ফারাক্কা অভিমুখে ঐতিহাসিক মিছিল করে ভারত সরকারের নিকট প্রতিবাদ করেন এবং বিষয়টি বিশ্ব সম্প্রদায়ের নজরে আনেন। তখন থেকে ব্যাপক মানববিপর্যয় সৃষ্টিকারী ফারাক্কা বাঁধের বিষয়টি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ব্যাপকভাবে আলোচিত হতে থাকে।

বিএনপি মহাসচিবের মতে, আজও ফারাক্কা দিবসের তাৎপর্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আন্তর্জাতিক আইন-কানুন ও কনভেনশনের তোয়াক্কা না করে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবাহিত ৫৪টি অভিন্ন নদীতে একের পর এক বাঁধ নির্মাণে নদীর ধারাকে বাধাগ্রস্থ করে একতরফা নিজেদের অনুকুলে পানি প্রত্যাহার বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ নিষ্ফলা উষর ভূমি হয়ে উঠার আলামত ইতোমধ্যেই ফুটে উঠেছে।

তাই ন্যায্য পাওনা আদায়ের সংগ্রামে ১৯৭৬ সালের ১৬ মে ভাসানীর নেতৃত্বে রাজশাহী থেকে ফারাক্কা অভিমুখে জনগণের ঐতিহাসিক মিছিল অকুতোভয় সাহসী পদক্ষেপে এগিয়ে গিয়েছিল বলে বাণীতে উল্লেখ করেন তিনি।

এ কারণে প্রতি বছর ১৬ মে ‘ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস’ যেকোনো অধিকার আদায়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে বলে মনে করেন স্থানীয় সরকার বিষয়ক মন্ত্রী।

সূত্র: যমুনা টিভি

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

ফারাক্কা বাঁধ পরীক্ষামূলক চালুর অনুমতি দিয়েছিল আ. লীগ সরকার, যা এখন মরণফাঁদ : মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০৪:১৯:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলকভাবে চালুর অনুমতি দেওয়া ফারাক্কা বাঁধ এখনো চালু থাকায় সেটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার বিষয়ক মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আগামীকাল ১৬ মে ‘ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস’ উপলক্ষ্যে আজ শুক্রবার (১৫ মে) দেওয়া বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেছেন, ভারতে গঙ্গা নদীর ফারাক্কা পয়েন্টে বাঁধ নির্মাণ করে অভিন্ন নদীর পানি একতরফা প্রত্যাহার শুরু করা হয়। যার ফলে বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চল প্রায় মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। ওই এলাকায় পানিসহ নানাবিধ প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতা তীব্র আকার ধারণ করেছে।

‘জীববৈচিত্র ও পরিবেশগত মানকে বিবেচনা না করে এবং প্রাকৃতিক ও মানবিক বিপর্যয়ের সম্ভাবনাকে উপেক্ষা করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের মতামতকে অগ্রাহ্য করে ভারতকে কয়েক দিনের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি দেয়। কিন্তু সেই বাঁধ অব্যাহতভাবে এখন পর্যন্ত চালু থাকায় সেটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। তৎকালীন আওয়ামী সরকারের কারণে এ দেশের জনগণ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত’— যোগ করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, এই বঞ্চনা ও দেশের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে জনদুর্দশার আশঙ্কায় মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী জনগণকে সাথে নিয়ে ফারাক্কা অভিমুখে ঐতিহাসিক মিছিল করে ভারত সরকারের নিকট প্রতিবাদ করেন এবং বিষয়টি বিশ্ব সম্প্রদায়ের নজরে আনেন। তখন থেকে ব্যাপক মানববিপর্যয় সৃষ্টিকারী ফারাক্কা বাঁধের বিষয়টি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ব্যাপকভাবে আলোচিত হতে থাকে।

বিএনপি মহাসচিবের মতে, আজও ফারাক্কা দিবসের তাৎপর্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আন্তর্জাতিক আইন-কানুন ও কনভেনশনের তোয়াক্কা না করে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবাহিত ৫৪টি অভিন্ন নদীতে একের পর এক বাঁধ নির্মাণে নদীর ধারাকে বাধাগ্রস্থ করে একতরফা নিজেদের অনুকুলে পানি প্রত্যাহার বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ নিষ্ফলা উষর ভূমি হয়ে উঠার আলামত ইতোমধ্যেই ফুটে উঠেছে।

তাই ন্যায্য পাওনা আদায়ের সংগ্রামে ১৯৭৬ সালের ১৬ মে ভাসানীর নেতৃত্বে রাজশাহী থেকে ফারাক্কা অভিমুখে জনগণের ঐতিহাসিক মিছিল অকুতোভয় সাহসী পদক্ষেপে এগিয়ে গিয়েছিল বলে বাণীতে উল্লেখ করেন তিনি।

এ কারণে প্রতি বছর ১৬ মে ‘ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস’ যেকোনো অধিকার আদায়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে বলে মনে করেন স্থানীয় সরকার বিষয়ক মন্ত্রী।

সূত্র: যমুনা টিভি