ঢাকা ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টুপটুপ রিসোর্ট ট্র্যাজেডি : খোঁজ নেই নাহিদসহ পরিবারের ৪ জনের কুতুবদিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ১৩ বাড়ি ও দোকান পুড়ে ছাই কুতুবদিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৩ বাড়ি ও দোকান পুড়ে ছাই, নিঃস্ব ১৩ পরিবার লোহাগাড়ায় এক কিশোরীর কান্ড আগুনে পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে মরদেহগুলো : ডিএনএ টেস্টে সময় লাগবে ৪ সপ্তাহ মাইক্রোফোন হাতে শুরু ‘বিয়ের প্রথম সকাল’, নজর কাড়ল সাংবাদিক শামীমের পেশাদারিত্ব কক্সবাজার-৩ আসনের সর্বস্তরের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজায় শুভেচ্ছা জানালেন এমপি লুৎফুর রহমান কাজল সোনাদিয়ায় দখল উচ্ছেদ করে জীববৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনা হবে- প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম টুপটুপের প্রচারণামূলক ভিডিও বানানো কন্টেন্ট ক্রিয়েটর চাইলেন ক্ষমা! রামুতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতারা  ‘টুপটুপে প্রাণহানির দায় কর্তৃপক্ষ এড়াতে পারেনা’, তদন্তের দাবি শিবিরের টুপটুপ ট্রাজেডিতে পর্যটনমন্ত্রীর শোক, তিন জরুরি নির্দেশ টুপটুপ রিসোর্ট ট্রাজেডিতে উখিয়া থানায় মামলা, গ্রেপ্তার ম্যানেজার ২৮ কেজি গাঁজাসহ রামুতে ৩ রোহিঙ্গা গ্রেফতার অগ্নিকান্ডের ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি : ৫ কার্যদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন

স্টাফ কোয়ার্টারে রেস্টুরেন্টকর্মীর মরদেহ উদ্ধার

কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টের স্টাফ কোয়ার্টার থেকে সাইফুল ইসলাম সুমন (৪২) নামের এক কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি কলাতলীর ‘শালিক রেস্টুরেন্ট’ এর স্টোর ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও নিহতের সহকর্মী সূত্রে জানা গেছে, সুমন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে কলাতলীর স্টাফ কোয়ার্টারে তাকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে সহকর্মীরা দ্রুত কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সুমনের রুমমেট শামসুল আলম জানান, রাত আনুমানিক ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে তিনি কক্ষে গিয়ে সুমনকে অচেতন অবস্থায় শুয়ে থাকতে দেখেন। কোনো সাড়া না পেয়ে অন্য সহকর্মীদের ডাকেন। পরে সবাই মিলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সহকর্মীরা আরও জানান, ঘটনার আগের দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত সুমন স্বাভাবিকভাবেই কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করেন। হঠাৎ তার এমন মৃত্যুতে তারা বিস্মিত ও শোকাহত।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে উপপরিদর্শক (এসআই) নুর মোহাম্মদ হাসপাতালে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

থানার ওসি মো. ছমিউদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি স্ট্রোকজনিত মৃত্যু কি না, নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে- তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। তার ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

সুমনের অকাল মৃত্যুতে তার সহকর্মী ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মীরা তাকে বিনয়ী ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টুপটুপ রিসোর্ট ট্র্যাজেডি : খোঁজ নেই নাহিদসহ পরিবারের ৪ জনের

স্টাফ কোয়ার্টারে রেস্টুরেন্টকর্মীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৬:৩২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টের স্টাফ কোয়ার্টার থেকে সাইফুল ইসলাম সুমন (৪২) নামের এক কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি কলাতলীর ‘শালিক রেস্টুরেন্ট’ এর স্টোর ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও নিহতের সহকর্মী সূত্রে জানা গেছে, সুমন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে কলাতলীর স্টাফ কোয়ার্টারে তাকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে সহকর্মীরা দ্রুত কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সুমনের রুমমেট শামসুল আলম জানান, রাত আনুমানিক ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে তিনি কক্ষে গিয়ে সুমনকে অচেতন অবস্থায় শুয়ে থাকতে দেখেন। কোনো সাড়া না পেয়ে অন্য সহকর্মীদের ডাকেন। পরে সবাই মিলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সহকর্মীরা আরও জানান, ঘটনার আগের দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত সুমন স্বাভাবিকভাবেই কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করেন। হঠাৎ তার এমন মৃত্যুতে তারা বিস্মিত ও শোকাহত।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে উপপরিদর্শক (এসআই) নুর মোহাম্মদ হাসপাতালে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

থানার ওসি মো. ছমিউদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি স্ট্রোকজনিত মৃত্যু কি না, নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে- তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। তার ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

সুমনের অকাল মৃত্যুতে তার সহকর্মী ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মীরা তাকে বিনয়ী ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।