ঢাকা ০২:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৬ মাস পর কারামুক্ত সাংবাদিক আরাফাত সানি লোহাগাড়ায় ইয়াবাসহ কক্সবাজারের ফারুক আটক বন্যায় ভেঙে গেছে সড়ক, চলাচলে ভোগান্তি বন্যায় ভেঙে গেছে সড়ক, চলাচলে ভোগান্তি বিশ্বকাপ ফুটবল: খেলার সৌন্দর্য নাকি বিষাক্ত উন্মাদনা লোহাগাড়ায় পৃথক চারটি অভিযানে ৬৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, দম্পতিসহ আটক ৬ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আবারও পাহাড়ধস, তরুণীর মৃত্যু কুতুবদিয়ায় পুলিশের কাছ থেকে হাতকড়াসহ আসামী ছিনতাই: ৬৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা,আটক ৬ আন্তর্জাতিক কারাতে প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে সিলভার জিতল ফাবলিহা রোহিঙ্গা খাদ্য কর্মসূচিতে ডব্লিউএফপির চোখ ফাঁকি দিয়ে ‘মাঈশা এন্টারপ্রাইজ’ এর হরিলুট! ইয়ামাল-এমবাপে-মেসির অর্জনের বিশ্বকাপ বিশ্বকাপ জয়ের পর মাঠেই মোনাজাত ধরলেন ইয়ামাল আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপ ট্রফি নেইমারকে উৎসর্গ করলেন নিকো উইলিয়ামস চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে পাঁচ দিনে রেলের ক্ষতি প্রায় ১ কোটি টাকা

শিশু আয়াত হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবিরের মৃত্যুদন্ড

চট্টগ্রামের আলোচিত শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মো. আবির মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

বুধবারে চট্টগ্রাম মহানগরের ষষ্ঠ অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন জানান, মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। য প্রধান আসামি আবিরকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর বিকেলে বাসার পাশের একটি মক্তবে পড়তে যাওয়ার কথা বলে বের হয়। পরে পরিবার জানতে পারে, সে মক্তবে পৌঁছায়নি। নিখোঁজের ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তদন্তে উঠে আসে, পরিবারের পরিচিত ও তাদের বাসার ভাড়াটিয়া মো. আবির মিয়া মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ করেন। পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে তিনি শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে লাশ খণ্ড-বিখণ্ড করে সাগরপাড় ও খালের পাশে ফেলে দেন। গ্রেপ্তারের পর ২০২২ সালের ২৫ নভেম্বর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে আবির হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন।

তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআইয়ের তৎকালীন পরিদর্শক মনোজ দে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে আবিরসহ তার ১৭ বছর বয়সী এক সহযোগীকে আসামি করা হয়। কিশোর হওয়ায় দ্বিতীয় আসামির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। বর্তমানে আবির কারাগারে রয়েছেন। অপরদিকে কিশোর আসামির বিচার শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।

মামলার বাদী ও আয়াতের বাবা সোহেল রানা বলেন, আমার মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আদালতের রায়ে আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।

সূত্র- আমার দেশ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

৬ মাস পর কারামুক্ত সাংবাদিক আরাফাত সানি

শিশু আয়াত হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবিরের মৃত্যুদন্ড

আপডেট সময় : ০৩:২৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামের আলোচিত শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মো. আবির মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

বুধবারে চট্টগ্রাম মহানগরের ষষ্ঠ অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন জানান, মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। য প্রধান আসামি আবিরকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর বিকেলে বাসার পাশের একটি মক্তবে পড়তে যাওয়ার কথা বলে বের হয়। পরে পরিবার জানতে পারে, সে মক্তবে পৌঁছায়নি। নিখোঁজের ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তদন্তে উঠে আসে, পরিবারের পরিচিত ও তাদের বাসার ভাড়াটিয়া মো. আবির মিয়া মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ করেন। পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে তিনি শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে লাশ খণ্ড-বিখণ্ড করে সাগরপাড় ও খালের পাশে ফেলে দেন। গ্রেপ্তারের পর ২০২২ সালের ২৫ নভেম্বর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে আবির হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন।

তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআইয়ের তৎকালীন পরিদর্শক মনোজ দে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে আবিরসহ তার ১৭ বছর বয়সী এক সহযোগীকে আসামি করা হয়। কিশোর হওয়ায় দ্বিতীয় আসামির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। বর্তমানে আবির কারাগারে রয়েছেন। অপরদিকে কিশোর আসামির বিচার শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।

মামলার বাদী ও আয়াতের বাবা সোহেল রানা বলেন, আমার মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আদালতের রায়ে আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।

সূত্র- আমার দেশ।