ঢাকা ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশু আয়াত হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবিরের মৃত্যুদন্ড সংসদে বাংলা-ইংরেজি মিলিয়ে ভুল ইংরেজিতে নারী এমপির বক্তব্য আলোচিত সেই শিশুধর্ষণ মামলার রায় আজ পেকুয়ায় আগুনে পুড়ে ছাই লবণ শ্রমিকের বসতঘর, ক্ষতি ৫ লাখ টাকার কম্বোডিয়ায় সাইবার প্রতারণার জাল: চার দিনে ফিরলেন ২২১ বাংলাদেশি হ্যাটট্রিক-রেকর্ড- ইতিহাস; আবেগে ভেজা চোখ- স্বপ্নের মত শুরু আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ যাত্রা আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপে সর্বকনিষ্ঠ ও সবচেয়ে বেশি বয়সে গোলের রেকর্ড এখন মেসির মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে উড়িয়ে বিশ্বকাপ শুরু আর্জেন্টিনার মাতারবাড়িতে জ্বিন তাড়ানোর নামে শরীরে আগুন, ৪ দিন পর বৃদ্ধের মৃত্যু অটোরিক্সাকে বাঁচাতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দূর্ঘটনার শিকার যাত্রীবাহী বাস ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকার ইয়াবাসহ মরিচ্যায় ২ পাচারকারী আটক সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে জেইউসি’র আলোচনা সভা ​গুরুতর রোগে আক্রান্ত রুমালিয়াছড়ার সৈয়দ আলম: টাকার অভাবে আটকে আছে চিকিৎসা, বাঁচতে চান তিনি টেকনাফে ব্যবসায়ীকে আইনশৃংখলা বাহিনী পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ মাতারবাড়িতে ব্যবসায়ির মোবাইল চুরি, চুরি করা মোবাইল নিয়ে অনলাইন ব্ল্যাক মেইলিংয়ের অভিযোগ

শিশু আয়াত হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবিরের মৃত্যুদন্ড

চট্টগ্রামের আলোচিত শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মো. আবির মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

বুধবারে চট্টগ্রাম মহানগরের ষষ্ঠ অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন জানান, মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। য প্রধান আসামি আবিরকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর বিকেলে বাসার পাশের একটি মক্তবে পড়তে যাওয়ার কথা বলে বের হয়। পরে পরিবার জানতে পারে, সে মক্তবে পৌঁছায়নি। নিখোঁজের ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তদন্তে উঠে আসে, পরিবারের পরিচিত ও তাদের বাসার ভাড়াটিয়া মো. আবির মিয়া মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ করেন। পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে তিনি শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে লাশ খণ্ড-বিখণ্ড করে সাগরপাড় ও খালের পাশে ফেলে দেন। গ্রেপ্তারের পর ২০২২ সালের ২৫ নভেম্বর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে আবির হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন।

তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআইয়ের তৎকালীন পরিদর্শক মনোজ দে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে আবিরসহ তার ১৭ বছর বয়সী এক সহযোগীকে আসামি করা হয়। কিশোর হওয়ায় দ্বিতীয় আসামির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। বর্তমানে আবির কারাগারে রয়েছেন। অপরদিকে কিশোর আসামির বিচার শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।

মামলার বাদী ও আয়াতের বাবা সোহেল রানা বলেন, আমার মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আদালতের রায়ে আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।

সূত্র- আমার দেশ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শিশু আয়াত হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবিরের মৃত্যুদন্ড

শিশু আয়াত হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবিরের মৃত্যুদন্ড

আপডেট সময় : ০৩:২৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামের আলোচিত শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মো. আবির মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

বুধবারে চট্টগ্রাম মহানগরের ষষ্ঠ অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন জানান, মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। য প্রধান আসামি আবিরকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর বিকেলে বাসার পাশের একটি মক্তবে পড়তে যাওয়ার কথা বলে বের হয়। পরে পরিবার জানতে পারে, সে মক্তবে পৌঁছায়নি। নিখোঁজের ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তদন্তে উঠে আসে, পরিবারের পরিচিত ও তাদের বাসার ভাড়াটিয়া মো. আবির মিয়া মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ করেন। পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে তিনি শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে লাশ খণ্ড-বিখণ্ড করে সাগরপাড় ও খালের পাশে ফেলে দেন। গ্রেপ্তারের পর ২০২২ সালের ২৫ নভেম্বর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে আবির হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন।

তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআইয়ের তৎকালীন পরিদর্শক মনোজ দে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে আবিরসহ তার ১৭ বছর বয়সী এক সহযোগীকে আসামি করা হয়। কিশোর হওয়ায় দ্বিতীয় আসামির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। বর্তমানে আবির কারাগারে রয়েছেন। অপরদিকে কিশোর আসামির বিচার শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।

মামলার বাদী ও আয়াতের বাবা সোহেল রানা বলেন, আমার মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আদালতের রায়ে আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।

সূত্র- আমার দেশ।