ঢাকা ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৬ মাস পর কারামুক্ত সাংবাদিক আরাফাত সানি লোহাগাড়ায় ইয়াবাসহ কক্সবাজারের ফারুক আটক বন্যায় ভেঙে গেছে সড়ক, চলাচলে ভোগান্তি বন্যায় ভেঙে গেছে সড়ক, চলাচলে ভোগান্তি বিশ্বকাপ ফুটবল: খেলার সৌন্দর্য নাকি বিষাক্ত উন্মাদনা লোহাগাড়ায় পৃথক চারটি অভিযানে ৬৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, দম্পতিসহ আটক ৬ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আবারও পাহাড়ধস, তরুণীর মৃত্যু কুতুবদিয়ায় পুলিশের কাছ থেকে হাতকড়াসহ আসামী ছিনতাই: ৬৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা,আটক ৬ আন্তর্জাতিক কারাতে প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে সিলভার জিতল ফাবলিহা রোহিঙ্গা খাদ্য কর্মসূচিতে ডব্লিউএফপির চোখ ফাঁকি দিয়ে ‘মাঈশা এন্টারপ্রাইজ’ এর হরিলুট! ইয়ামাল-এমবাপে-মেসির অর্জনের বিশ্বকাপ বিশ্বকাপ জয়ের পর মাঠেই মোনাজাত ধরলেন ইয়ামাল আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপ ট্রফি নেইমারকে উৎসর্গ করলেন নিকো উইলিয়ামস চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে পাঁচ দিনে রেলের ক্ষতি প্রায় ১ কোটি টাকা

ইয়ামাল-এমবাপে-মেসির অর্জনের বিশ্বকাপ

তিন তারকা ফুটবলার ক‍্যারিয়ারের তিন অবস্থানে দাঁড়িয়ে। লামিন ইয়ামাল খেললেন বিশ্বকাপে নিজে প্রথম আসর, কিলিয়ান এমবাপে তৃতীয় এবং লিওনেল মেসি ষষ্ঠ। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসরে তাদের হাতে ধরা দিল অনেক অর্জন।

একপেশে ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছে স্পেন। অনেক অর্জন ধরা দিয়েছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলের হাতেও। ফাইনালের নানা পরিসংখ‍্যান তুলে ধরা হলো-

স্পেন তাদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জিতল। ২০১০ সালের পর এটি তাদের প্রথম শিরোপা।

সপ্তম দল হিসেবে একাধিক বিশ্বকাপ শিরোপা জিতল দলটি।

ইউরোপ সেরার মুকুট মাথায় নিয়ে তৃতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের ঘটনা এটি।

২০০৮ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী স্পেন দুই বছর পর ২০১০ সালে জেতে বিশ্বকাপ শিরোপা। এর আগে ১৯৭২ সালে ইউরোপ সেরা হওয়া পশ্চিম জার্মানি ১৯৭৪ সালে জেতে বিশ্বকাপ।

২০২৪ সালে ইউরো জিতেছিল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।

বিশ্বকাপে এটি ফেররান তরেসের তৃতীয় এবং এবারের আসরের প্রথম গোল। প্রথম দুই গোল এসেছিল ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে কোস্টা রিকার বিপক্ষে।

১০৬ মিনিটে ফেরান তরেসের করা গোলটি বিশ্বকাপ ফাইনালে সবচেয়ে দেরিতে হওয়া জয়সূচক গোলগুলোর মধ্যে একটি। এর চেয়ে দেরিতে হয়েছে মাত্র দুই গোল।

এছাড়া মারিও গোৎজের পর প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে বদলি নেমে গোল পেয়েছেন তিনি।

বিশ্বকাপে ৭ ম্যাচে ক্লিনশিট রেখেছে স্পেন। এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে যা সর্বোচ্চ।

পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র একটি গোল হজম করেছে স্পেন। যা বিশ্বকাপজয়ী কোনো দলের জন‍্য সর্বনিম্ন।

একমাত্র দল হিসেবে ২০০৬ বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ড কোনো গোল হজম করেনি। গোলশূন্য ড্র করে শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেয় দলটি।

৩৮

সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ৩৮ ম্যাচ অপরাজিত স্পেন। ইতালিকে ছাড়িয়ে পুরুষদের ফুটবলে টানা সবচেয়ে বেশি ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড এটি।

৬/৭

মেজর টুর্নামেন্টে ৭ ফাইনাল খেলে ছয়বারই জিতেছে স্পেন। ইউরোপের দলগুলোর মধ্যে স্পেনের চেয়ে বেশি ৭ বার মেজর শিরোপা জিতেছে জার্মানি।

৬৫ বছর ২৯ দিন

সবচেয়ে বেশি বয়সী কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ জিতলেন লুইস দে লা ফুয়েন্তে।

১৫

মেজর টুর্নামেন্টে ১৫ ম্যাচের সবগুলোতেই অপরাজিত আছেন লুইস দে লা ফুয়েন্তে। বিশ্বকাপ ও ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ মিলিয়ে কোনো কোচের জন্য দায়িত্বের শুরু থেকে সর্বোচ্চ ম্যাচ অপরাজিত থাকার কীর্তি এটি।

১৪/১৫

বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে সবশেষ ১৫ ম্যাচের ১৪ টিতেই জিতেছে স্পেন। এ সময়ে শুধুমাত্র কেইপ ভার্ডকে হারাতে পারেনি। এবারের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে তাদের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে স্পেন।

১৯ বছর ৬ দিন

১৯ বছর ৬ দিন বয়সে চতুর্থ সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছেন লামিন ইয়ামাল।

১৯ বছর ১৭৮ দিন বয়সী পাউ কুবার্সি সপ্তম সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে জিতলেন বিশ্বকাপ।

পেলে (১৭ বছর ২৪৯ দিন) ও জুজেপ্পে বের্গোমির (১৮ বছর ২০১ দিন) পর তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলেছেন ইয়ামাল।

প্রথম কিশোর ফুটবলার হিসেবে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ ও ফিফা বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়েছেন ইয়ামাল।

১০

দশম ফুটবলার হিসেবে একই মৌসুমে বিশ্বকাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতলেন ফাবিয়া রুই। পাশাপাশি দুই ফাইনালেই খেলেছেন তিনি।

১২১

ফাইনালে কুবার্সি ১২১ পাস সম্পন্ন করেছেন। শেষ ৬০ বছরে বিশ্বকাপে ফাইনালে কোনো ফুটবলারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক পাস দেওয়ার রেকর্ড এটি। ১৯৯৪ ফাইনালে ব্রাজিলের কার্লোস দুঙ্গা দিয়েছিলেন ১৩০ পাস।

১, ১, ২

প্রথম স্প্যানিশ ফুটবলার হিসেবে গোল্ডেন বল জিতেছেন রদ্রি। পাউ কুবার্সি প্রথম স্প্যানিয়ার্ড হিসেবে জিতেছেন বিশ্বকাপের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার।

দ্বিতীয় স্প্যানিশ গোলরক্ষক হিসেবে গোল্ডেন গ্লাভস জিতেছেন উনাই সিমন।

ফাইনালে ওঠা সবশেষ চার ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বিশ্বকাপ শেষ করেছে রানার্স আপ হয়ে। (১৯৯০ সালে আর্জেন্টিনা, ১৯৯৮ সালে ব্রাজিল, ২০২২ সালে ফ্রান্স ও ২০২৬ সালে আর্জেন্টিনা)।

৩/৪

আর্জেন্টিনা তাদের খেলা সবশেষ চার ফাইনালের তিনটিতেই রানার্স আপ হয়ে বিশ্বকাপ শেষ করেছে।

১৩

বিশ্বকাপে টানা ১৩ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর থামল আর্জেন্টিনা। ২০২২ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে হারের পর এটিই তাদের প্রথম হার।

শেষ ৬০ বছরে বিশ্বকাপ ফাইনালে একমাত্র দল হিসেবে লক্ষ্যে কোনো শট রাখতে পারেনি আর্জেন্টিনা। এ নিয়ে তৃতীয়বার এমন কিছু করল দলটি। এর আগে ১৯৯০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনালেও কোনো শট লক্ষ্যে রাখতে পারেনি।

একমাত্র ফুটবলার হিসেবে তিন বিশ্বকাপ ফাইনালে শুরুর একাদশে ছিলেন লিওনেল মেসি। তিন ফাইনালে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া একমাত্র ফুটবলারও তিনি।

ব্রাজিলের কাফুর পর দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে তিন বিশ্বকাপ ফাইনাল খেললেন।

৩৯ বছর ২৫ দিন

সবচেয়ে বয়সী আউটফিল্ড ফুটবলার হিসেবে ফাইনালে শুরুর একাদশে ছিলেন লিওনেল মেসি।

২০ বছর ১৯ দিন

বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে এমন দুইজন ফুটবলার দুই দলের শুরুর একাদশে ছিলেন, যাদের বয়সের ব্যবধান ছিল ২০ বছরের বেশি (২০ বছর ১৯ দিন)। আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি (জন্ম জুন, ১৯৮৭) ও স্পেনের লামিনে ইয়ামাল (জন্ম জুলাই, ২০০৭)।

৫৪

ফাইনালে ৫৪ বার বল স্পর্শ করেছেন মেসি। বিশ্বকাপে শুরুর একাদশে ছিলেন, এমন ম্যাচে পঞ্চম সর্বনিম্ন বার বল স্পর্শ করেছেন তিনি।

১১

স্পেনের বিপক্ষে ১১ সেভ করেছেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। শেষ ৬০ বছরে বিশ্বকাপে ফাইনালে সবচেয়ে বেশি সেভের রেকর্ড এটি।

ষষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড দেখলেন এন্সো ফের্নান্দেস। ২০১০ সালের পর প্রথম।

প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের দুই আসরে গোল্ডেন বুট জিতলেন কিলিয়ান এমবাপে।

২৭ মিনিট ২৪ সেকেন্ড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে দুই অর্ধের বিরতি ছিল ২৭ মিনিট ২৪ সেকেন্ড।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

৬ মাস পর কারামুক্ত সাংবাদিক আরাফাত সানি

ইয়ামাল-এমবাপে-মেসির অর্জনের বিশ্বকাপ

আপডেট সময় : ০৩:২৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

তিন তারকা ফুটবলার ক‍্যারিয়ারের তিন অবস্থানে দাঁড়িয়ে। লামিন ইয়ামাল খেললেন বিশ্বকাপে নিজে প্রথম আসর, কিলিয়ান এমবাপে তৃতীয় এবং লিওনেল মেসি ষষ্ঠ। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসরে তাদের হাতে ধরা দিল অনেক অর্জন।

একপেশে ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছে স্পেন। অনেক অর্জন ধরা দিয়েছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলের হাতেও। ফাইনালের নানা পরিসংখ‍্যান তুলে ধরা হলো-

স্পেন তাদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জিতল। ২০১০ সালের পর এটি তাদের প্রথম শিরোপা।

সপ্তম দল হিসেবে একাধিক বিশ্বকাপ শিরোপা জিতল দলটি।

ইউরোপ সেরার মুকুট মাথায় নিয়ে তৃতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের ঘটনা এটি।

২০০৮ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী স্পেন দুই বছর পর ২০১০ সালে জেতে বিশ্বকাপ শিরোপা। এর আগে ১৯৭২ সালে ইউরোপ সেরা হওয়া পশ্চিম জার্মানি ১৯৭৪ সালে জেতে বিশ্বকাপ।

২০২৪ সালে ইউরো জিতেছিল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।

বিশ্বকাপে এটি ফেররান তরেসের তৃতীয় এবং এবারের আসরের প্রথম গোল। প্রথম দুই গোল এসেছিল ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে কোস্টা রিকার বিপক্ষে।

১০৬ মিনিটে ফেরান তরেসের করা গোলটি বিশ্বকাপ ফাইনালে সবচেয়ে দেরিতে হওয়া জয়সূচক গোলগুলোর মধ্যে একটি। এর চেয়ে দেরিতে হয়েছে মাত্র দুই গোল।

এছাড়া মারিও গোৎজের পর প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে বদলি নেমে গোল পেয়েছেন তিনি।

বিশ্বকাপে ৭ ম্যাচে ক্লিনশিট রেখেছে স্পেন। এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে যা সর্বোচ্চ।

পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র একটি গোল হজম করেছে স্পেন। যা বিশ্বকাপজয়ী কোনো দলের জন‍্য সর্বনিম্ন।

একমাত্র দল হিসেবে ২০০৬ বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ড কোনো গোল হজম করেনি। গোলশূন্য ড্র করে শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেয় দলটি।

৩৮

সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ৩৮ ম্যাচ অপরাজিত স্পেন। ইতালিকে ছাড়িয়ে পুরুষদের ফুটবলে টানা সবচেয়ে বেশি ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড এটি।

৬/৭

মেজর টুর্নামেন্টে ৭ ফাইনাল খেলে ছয়বারই জিতেছে স্পেন। ইউরোপের দলগুলোর মধ্যে স্পেনের চেয়ে বেশি ৭ বার মেজর শিরোপা জিতেছে জার্মানি।

৬৫ বছর ২৯ দিন

সবচেয়ে বেশি বয়সী কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ জিতলেন লুইস দে লা ফুয়েন্তে।

১৫

মেজর টুর্নামেন্টে ১৫ ম্যাচের সবগুলোতেই অপরাজিত আছেন লুইস দে লা ফুয়েন্তে। বিশ্বকাপ ও ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ মিলিয়ে কোনো কোচের জন্য দায়িত্বের শুরু থেকে সর্বোচ্চ ম্যাচ অপরাজিত থাকার কীর্তি এটি।

১৪/১৫

বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে সবশেষ ১৫ ম্যাচের ১৪ টিতেই জিতেছে স্পেন। এ সময়ে শুধুমাত্র কেইপ ভার্ডকে হারাতে পারেনি। এবারের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে তাদের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে স্পেন।

১৯ বছর ৬ দিন

১৯ বছর ৬ দিন বয়সে চতুর্থ সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছেন লামিন ইয়ামাল।

১৯ বছর ১৭৮ দিন বয়সী পাউ কুবার্সি সপ্তম সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে জিতলেন বিশ্বকাপ।

পেলে (১৭ বছর ২৪৯ দিন) ও জুজেপ্পে বের্গোমির (১৮ বছর ২০১ দিন) পর তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলেছেন ইয়ামাল।

প্রথম কিশোর ফুটবলার হিসেবে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ ও ফিফা বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়েছেন ইয়ামাল।

১০

দশম ফুটবলার হিসেবে একই মৌসুমে বিশ্বকাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতলেন ফাবিয়া রুই। পাশাপাশি দুই ফাইনালেই খেলেছেন তিনি।

১২১

ফাইনালে কুবার্সি ১২১ পাস সম্পন্ন করেছেন। শেষ ৬০ বছরে বিশ্বকাপে ফাইনালে কোনো ফুটবলারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক পাস দেওয়ার রেকর্ড এটি। ১৯৯৪ ফাইনালে ব্রাজিলের কার্লোস দুঙ্গা দিয়েছিলেন ১৩০ পাস।

১, ১, ২

প্রথম স্প্যানিশ ফুটবলার হিসেবে গোল্ডেন বল জিতেছেন রদ্রি। পাউ কুবার্সি প্রথম স্প্যানিয়ার্ড হিসেবে জিতেছেন বিশ্বকাপের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার।

দ্বিতীয় স্প্যানিশ গোলরক্ষক হিসেবে গোল্ডেন গ্লাভস জিতেছেন উনাই সিমন।

ফাইনালে ওঠা সবশেষ চার ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বিশ্বকাপ শেষ করেছে রানার্স আপ হয়ে। (১৯৯০ সালে আর্জেন্টিনা, ১৯৯৮ সালে ব্রাজিল, ২০২২ সালে ফ্রান্স ও ২০২৬ সালে আর্জেন্টিনা)।

৩/৪

আর্জেন্টিনা তাদের খেলা সবশেষ চার ফাইনালের তিনটিতেই রানার্স আপ হয়ে বিশ্বকাপ শেষ করেছে।

১৩

বিশ্বকাপে টানা ১৩ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর থামল আর্জেন্টিনা। ২০২২ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে হারের পর এটিই তাদের প্রথম হার।

শেষ ৬০ বছরে বিশ্বকাপ ফাইনালে একমাত্র দল হিসেবে লক্ষ্যে কোনো শট রাখতে পারেনি আর্জেন্টিনা। এ নিয়ে তৃতীয়বার এমন কিছু করল দলটি। এর আগে ১৯৯০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনালেও কোনো শট লক্ষ্যে রাখতে পারেনি।

একমাত্র ফুটবলার হিসেবে তিন বিশ্বকাপ ফাইনালে শুরুর একাদশে ছিলেন লিওনেল মেসি। তিন ফাইনালে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া একমাত্র ফুটবলারও তিনি।

ব্রাজিলের কাফুর পর দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে তিন বিশ্বকাপ ফাইনাল খেললেন।

৩৯ বছর ২৫ দিন

সবচেয়ে বয়সী আউটফিল্ড ফুটবলার হিসেবে ফাইনালে শুরুর একাদশে ছিলেন লিওনেল মেসি।

২০ বছর ১৯ দিন

বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে এমন দুইজন ফুটবলার দুই দলের শুরুর একাদশে ছিলেন, যাদের বয়সের ব্যবধান ছিল ২০ বছরের বেশি (২০ বছর ১৯ দিন)। আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি (জন্ম জুন, ১৯৮৭) ও স্পেনের লামিনে ইয়ামাল (জন্ম জুলাই, ২০০৭)।

৫৪

ফাইনালে ৫৪ বার বল স্পর্শ করেছেন মেসি। বিশ্বকাপে শুরুর একাদশে ছিলেন, এমন ম্যাচে পঞ্চম সর্বনিম্ন বার বল স্পর্শ করেছেন তিনি।

১১

স্পেনের বিপক্ষে ১১ সেভ করেছেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। শেষ ৬০ বছরে বিশ্বকাপে ফাইনালে সবচেয়ে বেশি সেভের রেকর্ড এটি।

ষষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড দেখলেন এন্সো ফের্নান্দেস। ২০১০ সালের পর প্রথম।

প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের দুই আসরে গোল্ডেন বুট জিতলেন কিলিয়ান এমবাপে।

২৭ মিনিট ২৪ সেকেন্ড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে দুই অর্ধের বিরতি ছিল ২৭ মিনিট ২৪ সেকেন্ড।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম