শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার পশ্চিম বাইম্যাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে দীর্ঘদিন ধরে শখ করে চাষ করা বিভিন্ন প্রজাতির মাছ হারিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন পুকুরের মালিক বেলাল উদ্দিন। বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করেছিলেন পশু চিকিৎসক বেলাল উদ্দিন। স্বপ্ন ছিলো এই মাছ চাষ করে সফলতা অর্জনের। কিন্তু সেই লালিত স্বপ্ন নিমিষেই শেষ । বেলাল উদ্দিনের শখের মাছ চাষে বিষ করে তাঁর স্বপ্ন পানিতে ভেসে দিলো দূর্বৃত্তরা।
বেলালের অভিযোগ, পূর্ব বিরোধের জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করা হয়ে থাকতে পারে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
বেলাল জানান,তাঁর পুকুরে কাতলা, রুই, তেলাপিয়া ও পাঙ্গাসসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ছিল। দীর্ঘদিন ধরে শখ করে মাছগুলো লালন-পালন করছিলেন তিনি। মাছগুলোও বেশ বড় হয়ে উঠেছিল। তবে রাতের আঁধারে পুকুরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগে মাছ মরে যাওয়ায় তাঁর সেই শখ ও পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময়ে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করা হয়ে থাকতে পারে। শনিবার ভোরে পুকুরের পানিতে মাছ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা বেলাল উদ্দিনকে খবর দেন। পরে তিনি পুকুরে গিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে ভেসে থাকতে দেখেন। কিছু মাছ পানির নিচে তলিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা কয়েকটি মাছ তুলে পুকুরপাড়ে রাখেন।
তিনি অভিযোগ করেন, মদন আলীর ছেলে শাহাআলম এর আগে তাঁকে হুমকি দিয়েছিলেন। ওই বিরোধের জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করা হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁর সন্দেহ।
অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা এছারুল হক ও মহিউদ্দিন বলেন, ভোরে ফজরের নামাজে যাওয়ার সময় পুকুরের মাছগুলো দেখে তাঁদের ভালো লাগত। বেলাল উদ্দিন শখ করে মাছ চাষ করছিলেন। পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের ঘটনায় তাঁরা দুঃখ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।
এ ঘটনায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন বেলাল উদ্দিন। দীর্ঘদিনের শখের মাছ হারিয়ে তিনি এখন হতাশ। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছেন।
অভিযুক্ত শাহ আলমের নং এ একাধিকবার কল করে সংযোগ না পাওয়ায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, এ ঘটনার কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পেকুয়া প্রতিনিধি: 























