ঢাকা ০১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবে ৫ জেলে নিখোঁজ রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরার অধিকার রয়েছে: ১৬ কূটনৈতিক মিশন দেশের ৯ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত একরামুল হত্যা: সাবেক এমপি বদি ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ ট্রাইব্যুনালে তারকাহীন মহেশখালী খেলোয়াড় সমিতিকে হারিয়ে মাঠ মাতালো রামু কুতুবদিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৫, ইয়াবা ও সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার হেরেও রেকর্ড করলো মহেশখালী উপজেলা ফুটবল দল পরিবেশের দোহাই দিয়ে কক্সবাজারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্তকারীদের হটাতে হবে- মানববন্ধনে বক্তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জেনারেটরে ওড়না পেঁচিয়ে আইওএমের নারী প্রকৌশলীর মৃত্যু ২২ বছরেও সংস্কার হয়নি পেকুয়ার সিরাদিয়া সড়ক, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ টেকনাফে র‍্যাবের পৃথক অভিযান: বিদেশি এসএমজি উদ্ধার, ৩২৭ রাউন্ড গুলিসহ নারী আটক দর্শকের ঢল সামলাতে ব্যর্থ জেলা স্টেডিয়াম: আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি! উখিয়ায় যুবদল নেতার নেতৃত্বে ইয়াবা ছিনতাইয়ের অভিযোগ চকরিয়ায় বসতঘরে অভিযান, ইয়াবা-গাঁজা ও নগদ টাকাসহ নারী কারবারি গ্রেপ্তার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরার অধিকার রয়েছে: ১৬ কূটনৈতিক মিশন

রোহিঙ্গা সংকটের নবম বার্ষিকীতে মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রতি সংহতি জানিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশে থাকা ১৬টি কূটনৈতিক মিশন। বিবৃতিতে তারা বলেছে, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিজেদের ঘরে ফেরার অধিকার রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে কূটনৈতিক মিশনগুলো জানায়, রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাত ও মানবিক সংকটের কারণে বর্তমানে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিস্থিতি নেই।

বিবৃতিতে বলা হয়, মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের ব্যাপক বাস্তুচ্যুতির নয় বছর পরও প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে অবস্থান করছে।

প্রায় এক দশক ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
কূটনৈতিক মিশনগুলো বলেছে, রাখাইনে সংঘাত বৃদ্ধি, বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা এবং ত্রাণ ও বাণিজ্য কার্যক্রমে বাধার কারণে মানবিক পরিস্থিতির আরও অবনতি হচ্ছে।

এতে বাংলাদেশসহ পুরো অঞ্চলে নতুন করে বাস্তুচ্যুতি ও ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রায় প্রাণহানির আশঙ্কা বাড়ছে।

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, এর মাধ্যমে বাস্তুচ্যুতির মূল কারণ মোকাবিলা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা পুনর্গঠন এবং মিয়ানমারে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

এ ছাড়া রোহিঙ্গাদের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা রাখাইনে ফিরে নিজেদের ঘরবাড়ি, জীবিকা ও সম্প্রদায় পুনর্গঠন করতে পারে।

যৌথ বিবৃতিতে কূটনৈতিক মিশনগুলো রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছে কানাডা, ডেনমার্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, জাপান, কসোভো, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক মিশন।

সূত্র: বাংলা নিউজ 24

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবে ৫ জেলে নিখোঁজ

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরার অধিকার রয়েছে: ১৬ কূটনৈতিক মিশন

আপডেট সময় : ১২:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

রোহিঙ্গা সংকটের নবম বার্ষিকীতে মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রতি সংহতি জানিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশে থাকা ১৬টি কূটনৈতিক মিশন। বিবৃতিতে তারা বলেছে, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিজেদের ঘরে ফেরার অধিকার রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে কূটনৈতিক মিশনগুলো জানায়, রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাত ও মানবিক সংকটের কারণে বর্তমানে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিস্থিতি নেই।

বিবৃতিতে বলা হয়, মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের ব্যাপক বাস্তুচ্যুতির নয় বছর পরও প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে অবস্থান করছে।

প্রায় এক দশক ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
কূটনৈতিক মিশনগুলো বলেছে, রাখাইনে সংঘাত বৃদ্ধি, বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা এবং ত্রাণ ও বাণিজ্য কার্যক্রমে বাধার কারণে মানবিক পরিস্থিতির আরও অবনতি হচ্ছে।

এতে বাংলাদেশসহ পুরো অঞ্চলে নতুন করে বাস্তুচ্যুতি ও ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রায় প্রাণহানির আশঙ্কা বাড়ছে।

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, এর মাধ্যমে বাস্তুচ্যুতির মূল কারণ মোকাবিলা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা পুনর্গঠন এবং মিয়ানমারে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

এ ছাড়া রোহিঙ্গাদের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা রাখাইনে ফিরে নিজেদের ঘরবাড়ি, জীবিকা ও সম্প্রদায় পুনর্গঠন করতে পারে।

যৌথ বিবৃতিতে কূটনৈতিক মিশনগুলো রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছে কানাডা, ডেনমার্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, জাপান, কসোভো, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক মিশন।

সূত্র: বাংলা নিউজ 24