ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হোয়াইক্যং ইউনিয়ন বিভক্তি নিয়ে বৈঠকে হামলা, পরিষদে ভাঙচুর : আহত কয়েকজন কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন হাব গড়তে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রসঙ্গে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করা হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করছেন জাবির সিনেট সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় অধ্যক্ষ আক্তার চৌধুরীকে সাহিত্যিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও সমাজ কমিটির সংবর্ধনা নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‍্যাংক ব্যাজ পরালেন প্রধানমন্ত্রী  গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত সংসদের চিঠির পর : ইসি মাছউদ এই শোক শেষ হবার নয়: সাংবাদিক আতাহার ইকবালের বিদায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ডাম্পার চালকের মৃত্যু লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ে:ভাইয়ের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা বন্যাদুর্গত কক্সবাজারসহ ৫ জেলায় তিন মাসের জন্য ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি আদায় স্থগিত নৈতিক স্খলনের দায়ে গাজী নজরুল ইসলাম জামায়াত থেকে বহিষ্কার ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে হাইকোর্টে রুল লামায় ভাড়াবাসা থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পানি পানের সময় যে কাজ করতে নিষেধ করেছেন মহানবী (সা.)

একজন ব্যক্তির কী পরিমাণ পানি পান করা উচিত তা বিভিন্ন ফ্যাক্টরের জন্য ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়। সাধারণভাবে বলা যায়, পূর্ণবয়স্ক নারী-পুরুষের প্রতিদিন ২-৩ লিটার পানি পান করা উচিত। তবে দিনে কতটুকু পানি পান করতে হবে তা নির্ভর করবে মূলত আবহাওয়া, শারীরিক শ্রম ও ওজনের ওপর।

গ্রীষ্মকালে গরম আবহাওয়ার কারণে পানির চাহিদা বেড়ে যায়। আবার শীতকালে পানি পানের ইচ্ছা কম হয়। তবে সবসময় শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পান করা ভালো। যারা পরিশ্রম বেশি করেন তাদের বেশি পানি পান করতে হবে।

পানি আল্লাহ তায়ালা বিশেষ নেয়ামত। এই নেয়ামত সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘তোমরা যে পানি পান কর, সে সম্পর্কে কি তোমরা চিন্তা করেছ? তোমরাই কি তা মেঘ হতে নামিয়ে আন, না আমি তা বর্ষণ করি? আমি ইচ্ছে করলে— তা লবণাক্ত করে দিতে পারি। তবুও কেন তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর না? (সুরা ওয়াক্বিয়া, আয়াত : ৬৮-৭০)।

পানি পানের সময় বেশ কিছু বিষয় খেয়াল রাখা উচিত। যেমন, ডান হাতে পান করা। বসে পান করা। শুরুতে (বিসমিল্লাহ) পড়া এবং শেষে (আলহামদুলিল্লাহ) পড়া— ইত্যাদি।

এই নিয়মগুলো পালনের পাশাপাশি পানি পানের সময় কিছু কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত। এর মধ্যে অন্যতম হলো— পানি পানের সময় পাত্রে নিঃশ্বাস ফেলা এবং তাতে ফুঁ দেওয়া। হাদিসে এই কাজ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনু আববাস (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) পাত্রে নিঃশ্বাস ফেলতে এবং তাতে ফুঁ দিতে নিষেধ করেছেন (তিরমিজি, হাদিস : ১৮৮৮; মিশকাত, হাদিস : ৪২৭৭)।

পানিতে ফুঁ দিলে তাতে নিঃশ্বাস থেকে নিঃসৃত জীবাণু মিশ্রিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এজন্যই সম্ভবত রাসূল (সা.) এ কাজ থেকে নিষেধ করেছেন। (রিয়াযুছ ছালেহীন, ৪/২৪৪)। তাই গরম চা বা কফি ঠান্ডা করার উদ্দেশ্যে হলেও ফুঁ না দেয়াই উত্তম।

শায়খ উছায়মীন বলেন, পানীয় ঠান্ডা করার জন্য ফুঁ দেওয়া প্রয়োজন সাপেক্ষে জায়েয হওয়ার ব্যাপারে কতিপয় বিদ্বান মত দিয়েছেন। তবে উত্তম হচ্ছে পরিহার করা। খাবার গরম হলে অন্য পন্থায় ঠান্ডা করা যেতে পারে। (শরহ রিয়াযুছ ছালেহীন, ৪/২৪৪-৪৫)।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

হোয়াইক্যং ইউনিয়ন বিভক্তি নিয়ে বৈঠকে হামলা, পরিষদে ভাঙচুর : আহত কয়েকজন

পানি পানের সময় যে কাজ করতে নিষেধ করেছেন মহানবী (সা.)

আপডেট সময় : ১২:৫৩:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫

একজন ব্যক্তির কী পরিমাণ পানি পান করা উচিত তা বিভিন্ন ফ্যাক্টরের জন্য ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়। সাধারণভাবে বলা যায়, পূর্ণবয়স্ক নারী-পুরুষের প্রতিদিন ২-৩ লিটার পানি পান করা উচিত। তবে দিনে কতটুকু পানি পান করতে হবে তা নির্ভর করবে মূলত আবহাওয়া, শারীরিক শ্রম ও ওজনের ওপর।

গ্রীষ্মকালে গরম আবহাওয়ার কারণে পানির চাহিদা বেড়ে যায়। আবার শীতকালে পানি পানের ইচ্ছা কম হয়। তবে সবসময় শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পান করা ভালো। যারা পরিশ্রম বেশি করেন তাদের বেশি পানি পান করতে হবে।

পানি আল্লাহ তায়ালা বিশেষ নেয়ামত। এই নেয়ামত সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘তোমরা যে পানি পান কর, সে সম্পর্কে কি তোমরা চিন্তা করেছ? তোমরাই কি তা মেঘ হতে নামিয়ে আন, না আমি তা বর্ষণ করি? আমি ইচ্ছে করলে— তা লবণাক্ত করে দিতে পারি। তবুও কেন তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর না? (সুরা ওয়াক্বিয়া, আয়াত : ৬৮-৭০)।

পানি পানের সময় বেশ কিছু বিষয় খেয়াল রাখা উচিত। যেমন, ডান হাতে পান করা। বসে পান করা। শুরুতে (বিসমিল্লাহ) পড়া এবং শেষে (আলহামদুলিল্লাহ) পড়া— ইত্যাদি।

এই নিয়মগুলো পালনের পাশাপাশি পানি পানের সময় কিছু কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত। এর মধ্যে অন্যতম হলো— পানি পানের সময় পাত্রে নিঃশ্বাস ফেলা এবং তাতে ফুঁ দেওয়া। হাদিসে এই কাজ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনু আববাস (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) পাত্রে নিঃশ্বাস ফেলতে এবং তাতে ফুঁ দিতে নিষেধ করেছেন (তিরমিজি, হাদিস : ১৮৮৮; মিশকাত, হাদিস : ৪২৭৭)।

পানিতে ফুঁ দিলে তাতে নিঃশ্বাস থেকে নিঃসৃত জীবাণু মিশ্রিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এজন্যই সম্ভবত রাসূল (সা.) এ কাজ থেকে নিষেধ করেছেন। (রিয়াযুছ ছালেহীন, ৪/২৪৪)। তাই গরম চা বা কফি ঠান্ডা করার উদ্দেশ্যে হলেও ফুঁ না দেয়াই উত্তম।

শায়খ উছায়মীন বলেন, পানীয় ঠান্ডা করার জন্য ফুঁ দেওয়া প্রয়োজন সাপেক্ষে জায়েয হওয়ার ব্যাপারে কতিপয় বিদ্বান মত দিয়েছেন। তবে উত্তম হচ্ছে পরিহার করা। খাবার গরম হলে অন্য পন্থায় ঠান্ডা করা যেতে পারে। (শরহ রিয়াযুছ ছালেহীন, ৪/২৪৪-৪৫)।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট