ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টুপটুপ রিসোর্ট ট্র্যাজেডি : খোঁজ নেই নাহিদসহ পরিবারের ৪ জনের কুতুবদিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ১৩ বাড়ি ও দোকান পুড়ে ছাই কুতুবদিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৩ বাড়ি ও দোকান পুড়ে ছাই, নিঃস্ব ১৩ পরিবার লোহাগাড়ায় এক কিশোরীর কান্ড আগুনে পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে মরদেহগুলো : ডিএনএ টেস্টে সময় লাগবে ৪ সপ্তাহ মাইক্রোফোন হাতে শুরু ‘বিয়ের প্রথম সকাল’, নজর কাড়ল সাংবাদিক শামীমের পেশাদারিত্ব কক্সবাজার-৩ আসনের সর্বস্তরের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজায় শুভেচ্ছা জানালেন এমপি লুৎফুর রহমান কাজল সোনাদিয়ায় দখল উচ্ছেদ করে জীববৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনা হবে- প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম টুপটুপের প্রচারণামূলক ভিডিও বানানো কন্টেন্ট ক্রিয়েটর চাইলেন ক্ষমা! রামুতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতারা  ‘টুপটুপে প্রাণহানির দায় কর্তৃপক্ষ এড়াতে পারেনা’, তদন্তের দাবি শিবিরের টুপটুপ ট্রাজেডিতে পর্যটনমন্ত্রীর শোক, তিন জরুরি নির্দেশ টুপটুপ রিসোর্ট ট্রাজেডিতে উখিয়া থানায় মামলা, গ্রেপ্তার ম্যানেজার ২৮ কেজি গাঁজাসহ রামুতে ৩ রোহিঙ্গা গ্রেফতার অগ্নিকান্ডের ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি : ৫ কার্যদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন

পুলিশ সুপারের সাথে নিহত একরামের পিতা-মাতার সাক্ষাত: সন্তান হত্যার বিচার দাবি

কক্সবাজার শহরের সিটি কলেজ গেইটের সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত একরামের পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমানের সাথে সাক্ষাত করেছেন।

রোববার বিকেলে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাক্ষাতকালে সন্তান হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের দাবি জানান নিহত একরামের পিতা-মাতা।

পুলিশ সুপার সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের বিষয়েকক্সবাজার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে বলে আশ্বস্ত করেন। সাক্ষাতকালে একরামের পিতা-মাতা ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

১ সেপ্টেম্বর রাতে কক্সবাজার শহরের সিটি কলেজ গেইট এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন একরাম। তার অবস্থার অবনতি হলে চমেকে প্রেরণ করা হয়। চমেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ সেপ্টেম্বর ভোরে একরামের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ৫ জনকে আসামী করে নিহতের পিতা জালাল আহম্মদ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে। মামলার ৩ আসামী গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছে।

একরাম পেশায় ছিলেন একজন রাজমিস্ত্রী।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টুপটুপ রিসোর্ট ট্র্যাজেডি : খোঁজ নেই নাহিদসহ পরিবারের ৪ জনের

পুলিশ সুপারের সাথে নিহত একরামের পিতা-মাতার সাক্ষাত: সন্তান হত্যার বিচার দাবি

আপডেট সময় : ০১:২৬:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজার শহরের সিটি কলেজ গেইটের সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত একরামের পরিবারের সদস্যরা পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমানের সাথে সাক্ষাত করেছেন।

রোববার বিকেলে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাক্ষাতকালে সন্তান হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের দাবি জানান নিহত একরামের পিতা-মাতা।

পুলিশ সুপার সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের বিষয়েকক্সবাজার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে বলে আশ্বস্ত করেন। সাক্ষাতকালে একরামের পিতা-মাতা ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

১ সেপ্টেম্বর রাতে কক্সবাজার শহরের সিটি কলেজ গেইট এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন একরাম। তার অবস্থার অবনতি হলে চমেকে প্রেরণ করা হয়। চমেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ সেপ্টেম্বর ভোরে একরামের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ৫ জনকে আসামী করে নিহতের পিতা জালাল আহম্মদ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে। মামলার ৩ আসামী গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছে।

একরাম পেশায় ছিলেন একজন রাজমিস্ত্রী।