ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টুপটুপ রিসোর্ট ট্র্যাজেডি : খোঁজ নেই নাহিদসহ পরিবারের ৪ জনের কুতুবদিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ১৩ বাড়ি ও দোকান পুড়ে ছাই কুতুবদিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৩ বাড়ি ও দোকান পুড়ে ছাই, নিঃস্ব ১৩ পরিবার লোহাগাড়ায় এক কিশোরীর কান্ড আগুনে পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে মরদেহগুলো : ডিএনএ টেস্টে সময় লাগবে ৪ সপ্তাহ মাইক্রোফোন হাতে শুরু ‘বিয়ের প্রথম সকাল’, নজর কাড়ল সাংবাদিক শামীমের পেশাদারিত্ব কক্সবাজার-৩ আসনের সর্বস্তরের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজায় শুভেচ্ছা জানালেন এমপি লুৎফুর রহমান কাজল সোনাদিয়ায় দখল উচ্ছেদ করে জীববৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনা হবে- প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম টুপটুপের প্রচারণামূলক ভিডিও বানানো কন্টেন্ট ক্রিয়েটর চাইলেন ক্ষমা! রামুতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতারা  ‘টুপটুপে প্রাণহানির দায় কর্তৃপক্ষ এড়াতে পারেনা’, তদন্তের দাবি শিবিরের টুপটুপ ট্রাজেডিতে পর্যটনমন্ত্রীর শোক, তিন জরুরি নির্দেশ টুপটুপ রিসোর্ট ট্রাজেডিতে উখিয়া থানায় মামলা, গ্রেপ্তার ম্যানেজার ২৮ কেজি গাঁজাসহ রামুতে ৩ রোহিঙ্গা গ্রেফতার অগ্নিকান্ডের ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি : ৫ কার্যদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন
চাচার খুনের প্রতিশোধ নিলো ভাতিজা

টিপুকে ‘মধু ফাঁদে’ আনা হয় কক্সবাজার

চাচার খুনের প্রতিশোধ নিতেই ভাতিজা শেখ শাহরিয়ার ইসলাম পাপ্পু (২৭) গুলি করে হত্যা করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর গোলাম রব্বানী টিপুকে। এ হত্যাকাণ্ডে টোপ হিসেবে ব্যবহার করা হয় ঋতু (২৪) নামের এক নারীকে।

৯ জানুয়ারি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সি-গাল পয়েন্টে গোলাম রব্বানী টিপু হত্যার ঘটনায় মঙ্গলবার মৌলভীবাজার থেকে তিনজনকে গ্রেফতারের পর খুনের কারন হিসেবে এসব তথ্য জানায় পুলিশ।

গ্রেফতার তিনজন হলেন, খুলনার দেওয়ান মোল্লাপাড়ার মো. সেলিম আকন্দ এর কন্যা ঋতু (২৪), একই এলাকার জামাল শেখ এর পুত্র শেখ শাহরিয়ার ইসলাম পাপ্পু (২৭) ও মধ্য কারিগর পাড়ার মো. হায়দার সরদার অদুদের পুত্র গোলাম রসুল (২৫)।

বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে কক্সবাজার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ বলেন, চরমপন্থী সংগঠন পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি খুলনার নেতা ছিলেন হুজি শহীদুল। ২০১৩ সালে যাকে হত্যার সাথে জড়িত ছিলেন কাউন্সিলর টিপু এবং এ হত্যা মামলায় ৪ আসামীর মধ্যে আরো এক আসামীকে একই ভাবে ২০২২ সালে হত্যা করা হয়। আর হুজি শহীদের ভাতিজা হলেন পুলিশের হাতে আটক শেখ শাহরিয়ার পাপ্পু। যেখান থেকে শত্রুতা ও ক্ষোভ তৈরি হয়।

রহমত উল্লাহ বলেন, স্থানীয় আধিপত্য ও প্রভাব বিস্তারের বিষয়ও রয়েছে এ হত্যার পেছনে।

“খুব সুকৌশলে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে এ হত্যাকাণ্ড করার জন্য আসামীরা কক্সবাজারকে সুইটেবল প্লেস মনে করেছে” বলেন পুলিশ সুপার।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এই তিন জনই হত্যার সময় কক্সবাজার অবস্থান করেছেন। সাথে থাকা নারী, কাউন্সিলর টিপুর গতিবিধি জানিয়েছেন খুনে জড়িত পাপ্পুকে। সহযোগী গোলাম রসুলসহ পাপ্পু উঠেছিলেন কক্সবাজার শহরের কক্স কুইন রিসোর্টে। খুনের পর তারা ব্যবহৃত অস্ত্রটি ওই রিসোর্টের ২০৮ নং কক্ষের চিলেকোঠায় রেখে পালিয়ে যান। পরে অস্ত্রটি পুলিশ উদ্ধার করে।

অস্ত্রের যোগানদাতা কে বা কারা তাও তদন্ত করছে পুলিশ। এছাড়া এঘটনার পরপর আটক হয়ে কারাগারে থাকা খুলনার আরেক সাবেক কাউন্সিলর শেখ হাসান ইফতেখার চালুর কক্সবাজারে আসার কারন ও কক্সবাজারে টিপুর বন্ধু মেজবাহ উদ্দিন ভুট্টোর বিষয়েও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

৯ জানুয়ারি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সি গাল পয়েন্টে গুলি করে হত্যা করা হয় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গোলাম রব্বানী টিপুকে। এরপর ১০ জানুয়ারি কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাত পরিচয় আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন টিপুর ভগ্নিপতি মো. ইউনুস আলী শেখ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টুপটুপ রিসোর্ট ট্র্যাজেডি : খোঁজ নেই নাহিদসহ পরিবারের ৪ জনের

চাচার খুনের প্রতিশোধ নিলো ভাতিজা

টিপুকে ‘মধু ফাঁদে’ আনা হয় কক্সবাজার

আপডেট সময় : ০৮:০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫

চাচার খুনের প্রতিশোধ নিতেই ভাতিজা শেখ শাহরিয়ার ইসলাম পাপ্পু (২৭) গুলি করে হত্যা করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর গোলাম রব্বানী টিপুকে। এ হত্যাকাণ্ডে টোপ হিসেবে ব্যবহার করা হয় ঋতু (২৪) নামের এক নারীকে।

৯ জানুয়ারি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সি-গাল পয়েন্টে গোলাম রব্বানী টিপু হত্যার ঘটনায় মঙ্গলবার মৌলভীবাজার থেকে তিনজনকে গ্রেফতারের পর খুনের কারন হিসেবে এসব তথ্য জানায় পুলিশ।

গ্রেফতার তিনজন হলেন, খুলনার দেওয়ান মোল্লাপাড়ার মো. সেলিম আকন্দ এর কন্যা ঋতু (২৪), একই এলাকার জামাল শেখ এর পুত্র শেখ শাহরিয়ার ইসলাম পাপ্পু (২৭) ও মধ্য কারিগর পাড়ার মো. হায়দার সরদার অদুদের পুত্র গোলাম রসুল (২৫)।

বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে কক্সবাজার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ বলেন, চরমপন্থী সংগঠন পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি খুলনার নেতা ছিলেন হুজি শহীদুল। ২০১৩ সালে যাকে হত্যার সাথে জড়িত ছিলেন কাউন্সিলর টিপু এবং এ হত্যা মামলায় ৪ আসামীর মধ্যে আরো এক আসামীকে একই ভাবে ২০২২ সালে হত্যা করা হয়। আর হুজি শহীদের ভাতিজা হলেন পুলিশের হাতে আটক শেখ শাহরিয়ার পাপ্পু। যেখান থেকে শত্রুতা ও ক্ষোভ তৈরি হয়।

রহমত উল্লাহ বলেন, স্থানীয় আধিপত্য ও প্রভাব বিস্তারের বিষয়ও রয়েছে এ হত্যার পেছনে।

“খুব সুকৌশলে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে এ হত্যাকাণ্ড করার জন্য আসামীরা কক্সবাজারকে সুইটেবল প্লেস মনে করেছে” বলেন পুলিশ সুপার।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এই তিন জনই হত্যার সময় কক্সবাজার অবস্থান করেছেন। সাথে থাকা নারী, কাউন্সিলর টিপুর গতিবিধি জানিয়েছেন খুনে জড়িত পাপ্পুকে। সহযোগী গোলাম রসুলসহ পাপ্পু উঠেছিলেন কক্সবাজার শহরের কক্স কুইন রিসোর্টে। খুনের পর তারা ব্যবহৃত অস্ত্রটি ওই রিসোর্টের ২০৮ নং কক্ষের চিলেকোঠায় রেখে পালিয়ে যান। পরে অস্ত্রটি পুলিশ উদ্ধার করে।

অস্ত্রের যোগানদাতা কে বা কারা তাও তদন্ত করছে পুলিশ। এছাড়া এঘটনার পরপর আটক হয়ে কারাগারে থাকা খুলনার আরেক সাবেক কাউন্সিলর শেখ হাসান ইফতেখার চালুর কক্সবাজারে আসার কারন ও কক্সবাজারে টিপুর বন্ধু মেজবাহ উদ্দিন ভুট্টোর বিষয়েও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

৯ জানুয়ারি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সি গাল পয়েন্টে গুলি করে হত্যা করা হয় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গোলাম রব্বানী টিপুকে। এরপর ১০ জানুয়ারি কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাত পরিচয় আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন টিপুর ভগ্নিপতি মো. ইউনুস আলী শেখ।