ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে সাবেক এডিসি আশরাফুল আফসারের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার ১৮ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডেঙ্গুর প্রকোপ : ৯ মাসে আক্রান্ত ২ হাজার ৮৮২ জন, ১০ জনের মৃত্যু পেকুয়ায় ছয়টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২৯ হাজার টাকা জরিমানা পরকীয়া ও অর্থ লেনদেনের বিরোধে চকরিয়ার ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা-পুলিশ : আরো ২ ঘাতক আটক জলদস্যু প্রতিরোধে বঙ্গোপসাগরে কোস্ট গার্ডের অভিযান জোরদার ভোক্তা-অধিকারের অভিযান: চকরিয়ায় ৬ প্রতিষ্ঠানকে ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা টেকনাফে জাল কাগজপত্রে ভোটার হওয়ার আবেদন, যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড টেকনাফে এসআরবির অভিযান ৫ লক্ষ ৯০ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ একজন আদর্শ শিক্ষক কেমন হওয়া উচিত? ছোলামুড়ি বিক্রির আড়ালে মাদক কারবার, ইয়াবাসহ আটক করলো পুলিশ কবি অমিত চৌধুরীর নাগরিক শোক সভা ৩১ অক্টোবর থানচিতে চাঁদের গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ৫ লামায় ১৩ ইটভাটাকে ২৯ লাখ টাকা জরিমানা টেকনাফে বিজিবি ও এসআরবি’র যৌথ অভিযান: ৩ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১

কচ্ছপিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবা নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে যুবক , বিজিবির ব্যর্থ অভিযান

বিজিবির অভিযান টের পেয়েই গা ঢাকা দেয় রামু কচ্ছপিয়ার কামরুল সিকদার নামের যুবক। এসময় তার সাথে ছিলো ৫০ হাজার ইয়াবা। নাইক্ষ্যংছড়ি বিজিবি’র আভিযানিক দল গোপন সূত্রের ভিত্তিতে সমগ্র বাড়ি তল্লাশী চালিয়েও তাকে আটক করতে ব্যর্থ হয়। ফলে উদ্ধার হয়নি এই বিপুল সংখ্যক মাদকও। ৩ মে রবিবার দুপুর ১২ টার দিকে রামুর কচ্ছপিয়ার ৩নং ওয়ার্ড তিতারপাড়ার কামরুল সিকদারের বাড়িতে চলে এই অভিযান।

সূত্রের দাবী- ৩ মে রবিবার সকাল সাড়ে ৮টায় সিএনজি চালক আব্দুল মান্নানের মালিকানাধীন সিএনজিতে আসছে কামরুলের ৫০ হাজার পিস ইয়াবা। ইয়াবা সহ এই গাড়ি হাইস্কুল পাড়া থেকে গর্জনিয়া বাজারের দিকে যাচ্ছিলো। এসময় গাড়িটি কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে ডাক বাংলো মোড় পর্যন্ত পৌঁছালে জড়িতরা ইয়াবাগুলো নামিয়ে নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে। পরে নাইক্ষ্যংছড়ি বিজিবি জড়িতদের বাড়িতে ঘন্টাব্যাপী অভিযান চালায়। কিন্তু বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে আগেই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় কামরুল সহ সিন্ডিকেটের অপরাপর সদস্যরা। এদিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন- আভিযানিক দলে থাকা বিজিবি সদস্যরা।

জানা যায়, বিজিবি-পুলিশসহ যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। অভিযানিক দল গেলেও তাদের পাওয়া যায় নি তবে ইয়াবা সংক্রান্ত যে তথ্য পাওয়া গেছে তা সঠিক বলে জানায় বিজিবি সদস্যরা। যার কল রেকর্ড এ প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত আছে।

গর্জনিয়া ফাঁড়িতে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, বিজিবি সহযোগীতা চেয়েছে তাদের সহযোগীতা করতে পুলিশের একটি দল সেখান যায়। অভিযানে সহযোগিতা করার জন্যে।

এ ঘটনায় স্থানীয় একটি সূত্র দাবী করে কামরুলের চাচা সোহেল সিকদারের জড়িত থাকার কথা।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সোহেল সিকদার জানান, তিনি বেশ কয়েকদিন ধরে এলাকায় নেই। কামরুল তাঁর ভাতিজা হলেও তার সাথে কামরুলের তেমন যোগাযোগ নেই এবং এ ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না।

তাঁর কাছ থেকে কামরুল সিকদারের মোবাইল নং চাওয়া হলে তিনি জানান, কামরুলের মোবাইল বন্ধ এবং তিনি কামরুলের মায়ের মোবাইল নম্বর দেন।

সেই নম্বরে যোগাযোগ করা হলে কামরুল সিকদারের মা জানান, তিনি কিছুই জানেন না,তবে বিজিবির লোকজন এসেছিলো ওরা যা বলেছে কামরুলের কথা, তা শুনেছে বলে জানান। তিনি জানান, কামরুল কোনো অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত নেই।

চাচা সোহেল সিকদার ও কামরুল সিকদারের মায়ের কথা মতো কামরুলের মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

তবে কামরুল সিকদারের মা জানান,চাচা সোহেল সিকদারের সাথে কামরুলের ভালো সম্পর্ক নেই।

কামরুল ইসলাম সিকদার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের তিতারপাড়ার মৃত সালাহ উদ্দিনের পুত্র।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে সাবেক এডিসি আশরাফুল আফসারের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল

কচ্ছপিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবা নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে যুবক , বিজিবির ব্যর্থ অভিযান

আপডেট সময় : ১২:৪৮:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

বিজিবির অভিযান টের পেয়েই গা ঢাকা দেয় রামু কচ্ছপিয়ার কামরুল সিকদার নামের যুবক। এসময় তার সাথে ছিলো ৫০ হাজার ইয়াবা। নাইক্ষ্যংছড়ি বিজিবি’র আভিযানিক দল গোপন সূত্রের ভিত্তিতে সমগ্র বাড়ি তল্লাশী চালিয়েও তাকে আটক করতে ব্যর্থ হয়। ফলে উদ্ধার হয়নি এই বিপুল সংখ্যক মাদকও। ৩ মে রবিবার দুপুর ১২ টার দিকে রামুর কচ্ছপিয়ার ৩নং ওয়ার্ড তিতারপাড়ার কামরুল সিকদারের বাড়িতে চলে এই অভিযান।

সূত্রের দাবী- ৩ মে রবিবার সকাল সাড়ে ৮টায় সিএনজি চালক আব্দুল মান্নানের মালিকানাধীন সিএনজিতে আসছে কামরুলের ৫০ হাজার পিস ইয়াবা। ইয়াবা সহ এই গাড়ি হাইস্কুল পাড়া থেকে গর্জনিয়া বাজারের দিকে যাচ্ছিলো। এসময় গাড়িটি কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে ডাক বাংলো মোড় পর্যন্ত পৌঁছালে জড়িতরা ইয়াবাগুলো নামিয়ে নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে। পরে নাইক্ষ্যংছড়ি বিজিবি জড়িতদের বাড়িতে ঘন্টাব্যাপী অভিযান চালায়। কিন্তু বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে আগেই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় কামরুল সহ সিন্ডিকেটের অপরাপর সদস্যরা। এদিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন- আভিযানিক দলে থাকা বিজিবি সদস্যরা।

জানা যায়, বিজিবি-পুলিশসহ যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। অভিযানিক দল গেলেও তাদের পাওয়া যায় নি তবে ইয়াবা সংক্রান্ত যে তথ্য পাওয়া গেছে তা সঠিক বলে জানায় বিজিবি সদস্যরা। যার কল রেকর্ড এ প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত আছে।

গর্জনিয়া ফাঁড়িতে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, বিজিবি সহযোগীতা চেয়েছে তাদের সহযোগীতা করতে পুলিশের একটি দল সেখান যায়। অভিযানে সহযোগিতা করার জন্যে।

এ ঘটনায় স্থানীয় একটি সূত্র দাবী করে কামরুলের চাচা সোহেল সিকদারের জড়িত থাকার কথা।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সোহেল সিকদার জানান, তিনি বেশ কয়েকদিন ধরে এলাকায় নেই। কামরুল তাঁর ভাতিজা হলেও তার সাথে কামরুলের তেমন যোগাযোগ নেই এবং এ ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না।

তাঁর কাছ থেকে কামরুল সিকদারের মোবাইল নং চাওয়া হলে তিনি জানান, কামরুলের মোবাইল বন্ধ এবং তিনি কামরুলের মায়ের মোবাইল নম্বর দেন।

সেই নম্বরে যোগাযোগ করা হলে কামরুল সিকদারের মা জানান, তিনি কিছুই জানেন না,তবে বিজিবির লোকজন এসেছিলো ওরা যা বলেছে কামরুলের কথা, তা শুনেছে বলে জানান। তিনি জানান, কামরুল কোনো অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত নেই।

চাচা সোহেল সিকদার ও কামরুল সিকদারের মায়ের কথা মতো কামরুলের মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

তবে কামরুল সিকদারের মা জানান,চাচা সোহেল সিকদারের সাথে কামরুলের ভালো সম্পর্ক নেই।

কামরুল ইসলাম সিকদার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের তিতারপাড়ার মৃত সালাহ উদ্দিনের পুত্র।