ঢাকা ০১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
 অপ্রতিম হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল, আসামি চারজন ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি কমেছে ১২% ইউরোপের ৩ দেশ থেকে ৩৫ বাংলাদেশিকে ফেরত চকরিয়া সড়কে প্রাণ হারালেন দুই শ্রমিক সৈকতে গান, জাদু ও কমেডিতে অনলাইন সহিংসতাবিরোধী প্রচারণা মেরিনড্রাইভে প্রাইভেট বিচ নাম দিয়ে সৈকত দখলে বেলাভূমি রিসোর্ট! পেকুয়ায় ক্যামব্রিয়ান স্কুলে মুক্ত আলোচনা সভা : মানসম্মত শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের উপর গুরুত্বারোপ ‎কুতুবদিয়ায় জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়ন শাহাব উদ্দিনকে সংবর্ধনা কুতুবদিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির ত্রাণ সহায়তা, পাশে থাকার আশ্বাস এটিএম নুরুল বশর চৌধুরীর গেল ১ যুগে সড়কে প্রাণ গেছে ১ লাখ ২৫ হাজার মানুষের : দূর্ঘটনা ঘটেছে ৭২ হাজার সাগরে নিখোঁজ নিবিড়ের মরদেহ ভেসে এলো : এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাড়ালো ৫ ​‘বজ্রপাত’ বলতে গিয়ে ‘বীর্যপাত’! বললেন সাবরাংয়ের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মান্নান চট্টগ্রামে চালককে অচেতন করে চিনি ছিনতাই, লামায় উদ্ধার ১৪৪ বস্তা জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে সেন্ট্রাল ডাটাবেজ করার দাবি তরুণদের দেড় মিনিটে মন্ত্রীকে ৩৫ বার ‘স্যার’ বলে ভাইরাল ইউএনও

বাস টার্মিনালে কুলসুমা হত্যা: এরফানকে প্রধান আসামি করে মামলা

 

কক্সবাজার শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার একটি আবাসিক হোটেলের ওয়াশরুম থেকে কুলসুমা আক্তার (২৫) নামে এক নারীর গলা কাটা রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছে। নিহতের মা বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলাটি করেন।

মামলায় মো. এরফানকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পরিবারের অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের পর কুলসুমার বোনকে ফোন করে এরফান বলেন, “তোর বোন কুলসুমা খুন হয়েছে। বাস টার্মিনালে গিয়ে তোর বোনের লাশ নিয়ে যা।” তবে ফোনে এমন কথা বলার বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ঈদগাঁও চাক্কার দোকান এলাকার হারুনের সঙ্গে কুলসুমার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে বনিবনা না হওয়ায় স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন তিনি। সেদিন ওই মামলার কাজে ঈদগাঁও থেকে কক্সবাজার শহরে এসেছিলেন কুলসুমা।

হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দুপুরে মো. এরফান ও কুলসুমা আক্তার দুই বছরের এক শিশুসহ স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে কক্সবাজার বাস টার্মিনাল এলাকার স্ট্যান্ড পার্ক রিসোর্টের তৃতীয় তলার ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠেন।

পরে ওই কক্ষ থেকে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান হোটেলের পরিচ্ছন্নতাকর্মী মমতাজ বেগম। দরজা খোলা থাকায় ভেতরে প্রবেশ করলে ওয়াশরুমে কুলসুমার গলা কাটা রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান তিনি। বিষয়টি হোটেল ম্যানেজারকে জানানো হলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

ঘটনার পর থেকে মামলার প্রধান আসামি মো. এরফান পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, কুলসুমার স্বামী হারুনের সঙ্গে একটি মামলা চলমান রয়েছে। ওই মামলার কাজে কক্সবাজার শহরে এসেছিলেন কুলসুমা। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত এবং এর পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

নিহত কুলসুমা আক্তার ঈদগাঁও চান্দেরঘোনা এলাকার মোহাম্মদ আলমের মেয়ে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

স্বজনদের দাবি, হত্যাকাণ্ডের পেছনের পুরো রহস্য উদঘাটন করে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

 অপ্রতিম হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল, আসামি চারজন

বাস টার্মিনালে কুলসুমা হত্যা: এরফানকে প্রধান আসামি করে মামলা

আপডেট সময় : ১১:৩০:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

 

কক্সবাজার শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার একটি আবাসিক হোটেলের ওয়াশরুম থেকে কুলসুমা আক্তার (২৫) নামে এক নারীর গলা কাটা রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছে। নিহতের মা বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলাটি করেন।

মামলায় মো. এরফানকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পরিবারের অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের পর কুলসুমার বোনকে ফোন করে এরফান বলেন, “তোর বোন কুলসুমা খুন হয়েছে। বাস টার্মিনালে গিয়ে তোর বোনের লাশ নিয়ে যা।” তবে ফোনে এমন কথা বলার বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ঈদগাঁও চাক্কার দোকান এলাকার হারুনের সঙ্গে কুলসুমার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে বনিবনা না হওয়ায় স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন তিনি। সেদিন ওই মামলার কাজে ঈদগাঁও থেকে কক্সবাজার শহরে এসেছিলেন কুলসুমা।

হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দুপুরে মো. এরফান ও কুলসুমা আক্তার দুই বছরের এক শিশুসহ স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে কক্সবাজার বাস টার্মিনাল এলাকার স্ট্যান্ড পার্ক রিসোর্টের তৃতীয় তলার ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠেন।

পরে ওই কক্ষ থেকে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান হোটেলের পরিচ্ছন্নতাকর্মী মমতাজ বেগম। দরজা খোলা থাকায় ভেতরে প্রবেশ করলে ওয়াশরুমে কুলসুমার গলা কাটা রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান তিনি। বিষয়টি হোটেল ম্যানেজারকে জানানো হলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

ঘটনার পর থেকে মামলার প্রধান আসামি মো. এরফান পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, কুলসুমার স্বামী হারুনের সঙ্গে একটি মামলা চলমান রয়েছে। ওই মামলার কাজে কক্সবাজার শহরে এসেছিলেন কুলসুমা। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত এবং এর পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

নিহত কুলসুমা আক্তার ঈদগাঁও চান্দেরঘোনা এলাকার মোহাম্মদ আলমের মেয়ে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

স্বজনদের দাবি, হত্যাকাণ্ডের পেছনের পুরো রহস্য উদঘাটন করে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।